জঙ্গিবাদ ইস্যু অস্বীকার অথবা অতিরঞ্জন, দুটিই ভুল: ডা. জাহেদ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ২৮ এপ্রিল নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। ছবি: পিআইডি

দেশে জঙ্গিবাদ ইস্যুর অতিরঞ্জিত উপস্থাপন অথবা একেবারেই নেই বলা বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের একটা প্রবণতা ছিল, এখনও আছে। তবে এটাকে অতিরঞ্জিত করাও যেমন ভুল, তেমনি একেবারে নেই বলা আরও বড় ভুল।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কাজ নিয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

দেশে জঙ্গিবাদ আছে কিনা, সম্ভাব্য নাশকতা এবং সরকারের গোয়েন্দা তথ্য নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, এ ধরনের তথ্য অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় সবকিছু প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে সরকার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করছে। এটুকু বলা যায়, একটি ঝুঁকি রয়েছে, তবে তা আতঙ্কিত হওয়ার মতো নয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ নিয়ে দুটি চরম অবস্থান দেখা যায়। এক সময় বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করে রাজনৈতিক ন্যারেটিভ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, আবার কেউ কেউ একেবারে অস্বীকারও করছেন। এই দুই অবস্থানই বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। বাস্তবতা হচ্ছে, একটি পর্যায়ে জঙ্গিবাদ ছিল, এখনও কিছু প্রবণতা রয়েছে। সরকার একে মোকাবিলা করতে চায়।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কিছু উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সংগঠিত হওয়ার রেশ এখনও রয়ে গেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকার এ ধরনের তৎপরতা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এই ঝুঁকি এমন নয় যে, আতঙ্কিত হতে হবে। কিন্তু, সমস্যাকে অস্বীকার করলে সমাধান সম্ভব নয়। সরকার এটিকে শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনতে চায়।

জঙ্গিবাদের অভিযোগ থাকা ব্যক্তিদের কারামুক্তির বিষয়ে ডা. জাহেদ বলেন, কিছু মানুষ বেরিয়েছিল, তবে তাদের কার্যক্রম নজরদারিতে রয়েছে। জামিন মানে অপরাধ থেকে অব্যাহতি নয়। কারও বিরুদ্ধে একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সরকার তাদের জামিন বাতিলে জোরালোভাবে আপিল করবে।

সম্পর্কিত