স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাবকে ‘গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট’ আখ্যা দিয়ে দায়ীদের শাস্তি দাবি করেছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি। শনিবার (৯ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরাতে বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত সারা দেশে ৩৪৩ জন শিশু হাম ও এর উপসর্গে মৃত্যুবরণ করেছে। এর মধ্যে ৫৮ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হামে এবং ২৮৫ জন মারা গেছে উপসর্গ নিয়ে।
বিবৃতিতে বলা হয়, যথাযথ টিকা ব্যবস্থাপনা ও জনস্বাস্থ্যের প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক অবহেলার কারণেই এই মহামারি পরিস্থিতি হয়েছে। তাঁরা অভিযোগ করেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা ক্রয়ে গাফিলতি, আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা এবং ইপিআই কর্মসূচিকে দুর্বল করার ফলেই এই মৃত্যু মিছিল। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু প্রতিরোধযোগ্য ছিল উল্লেখ করে তাঁরা দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংগঠনটি ১০ দফা দাবি পেশ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—ঘনবসতি ও দুর্গম এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকার সরবরাহ নিশ্চিত করা; প্রতিটি হাসপাতালে বিশেষ ‘হাম কর্নার’ চালু এবং শিশুদের বিনামূল্যে ওষুধ ও ভিটামিন-এ দেওয়া; গ্রাম ও শহর পর্যায়ে স্তরভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যাতে হাসপাতালের মেঝেতে রেখে চিকিৎসার নামে ‘প্রহসন’ বন্ধ হয়; টিকা নিয়ে গুজব রোধে ধর্মীয় নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা; আইপিএইচ-এর ভ্যাকসিন উৎপাদন পুনরায় চালু করে দেশীয় সক্ষমতা বাড়ানো; এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্যোগ মোকাবিলায় ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডার অন পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সি’ চালু করা। এছাড়া বিভিন্ন বিভাগে নির্মিত সরকারি শিশু হাসপাতালগুলো দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবিও জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হাম অত্যন্ত সংক্রামক। সঠিক পদক্ষেপ না নিলে আক্রান্ত শিশুদের নিউমোনিয়া, অন্ধত্ব বা মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিলতা তৈরি হতে পারে।

দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাবকে ‘গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট’ আখ্যা দিয়ে দায়ীদের শাস্তি দাবি করেছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি। শনিবার (৯ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরাতে বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত সারা দেশে ৩৪৩ জন শিশু হাম ও এর উপসর্গে মৃত্যুবরণ করেছে। এর মধ্যে ৫৮ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হামে এবং ২৮৫ জন মারা গেছে উপসর্গ নিয়ে।
বিবৃতিতে বলা হয়, যথাযথ টিকা ব্যবস্থাপনা ও জনস্বাস্থ্যের প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক অবহেলার কারণেই এই মহামারি পরিস্থিতি হয়েছে। তাঁরা অভিযোগ করেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা ক্রয়ে গাফিলতি, আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা এবং ইপিআই কর্মসূচিকে দুর্বল করার ফলেই এই মৃত্যু মিছিল। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু প্রতিরোধযোগ্য ছিল উল্লেখ করে তাঁরা দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংগঠনটি ১০ দফা দাবি পেশ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—ঘনবসতি ও দুর্গম এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকার সরবরাহ নিশ্চিত করা; প্রতিটি হাসপাতালে বিশেষ ‘হাম কর্নার’ চালু এবং শিশুদের বিনামূল্যে ওষুধ ও ভিটামিন-এ দেওয়া; গ্রাম ও শহর পর্যায়ে স্তরভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যাতে হাসপাতালের মেঝেতে রেখে চিকিৎসার নামে ‘প্রহসন’ বন্ধ হয়; টিকা নিয়ে গুজব রোধে ধর্মীয় নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা; আইপিএইচ-এর ভ্যাকসিন উৎপাদন পুনরায় চালু করে দেশীয় সক্ষমতা বাড়ানো; এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্যোগ মোকাবিলায় ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডার অন পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সি’ চালু করা। এছাড়া বিভিন্ন বিভাগে নির্মিত সরকারি শিশু হাসপাতালগুলো দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবিও জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হাম অত্যন্ত সংক্রামক। সঠিক পদক্ষেপ না নিলে আক্রান্ত শিশুদের নিউমোনিয়া, অন্ধত্ব বা মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিলতা তৈরি হতে পারে।

ক্যাবল অপারেটর ও সম্প্রচার সংশ্লিষ্ট খাতের যৌক্তিক সমস্যা সমাধানে সরকার পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
২১ মিনিট আগে
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও সাড়ে তিনশর বেশি শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় রাষ্ট্রের দায় আছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী। শনিবার (৯ মে) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ‘হামের প্রাদুর্ভাব ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি একথা বলেন।
২ ঘণ্টা আগে
শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো ফের চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এক্ষেত্রে আখচাষি ও শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং প্রতিষ্ঠান দীর্ঘমেয়াদে লাভজনকভাবে পরিচালনার বিষয়গুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
ফোরকান তাঁর ভাই মিশকাতকে ফোন দিয়ে বলেন, ‘আমার সব শেষ হয়ে গেছে। সবাইকে মাইরা ফেলছি। আমারে আর তোরা পাবি না।’
৩ ঘণ্টা আগে