স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও সাড়ে তিনশর বেশি শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় রাষ্ট্রের দায় আছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী। শনিবার (৯ মে) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ‘হামের প্রাদুর্ভাব ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি একথা বলেন।
বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ) আয়োজিত গোলটেবিলে স্বাস্থ্য সচিব বলেন, ‘হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনাগুলো গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে বিস্তারিত জানানো হবে। রাষ্ট্রের একটি বড় দায়িত্ব আছে; প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনার যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর হাম শনাক্ত হওয়ায় ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া রোগটির লক্ষণ থাকা ২৯১ শিশু মারা গেছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে ৩৫২ শিশু প্রাণ হারিয়েছে।
আরও দেখা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত ৬ হাজার ৯৭৯ জনের হাম শনাক্ত এবং উপসর্গ থাকা রোগীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ৫৫৬ জন।
দেশের হামের এমন প্রাদুর্ভাবের জন্য শুরু থেকেই টিকা না দেওয়াকে দায়ী করা হচ্ছে। হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশু টিকার আওতায় থাকা জরুরি। তবে গত কয়েক বছরে এই হার অনেক কম ছিল। সবশেষ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও হামের টিকা দেওয়া হয় ঢিলেঢালাভাবে। এতে দেশব্যাপী হাম ছড়িয়ে পড়ায় এখন সরকারগুলোর দায় দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও সাড়ে তিনশর বেশি শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় রাষ্ট্রের দায় আছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী। শনিবার (৯ মে) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ‘হামের প্রাদুর্ভাব ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি একথা বলেন।
বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ) আয়োজিত গোলটেবিলে স্বাস্থ্য সচিব বলেন, ‘হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনাগুলো গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে বিস্তারিত জানানো হবে। রাষ্ট্রের একটি বড় দায়িত্ব আছে; প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনার যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর হাম শনাক্ত হওয়ায় ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া রোগটির লক্ষণ থাকা ২৯১ শিশু মারা গেছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে ৩৫২ শিশু প্রাণ হারিয়েছে।
আরও দেখা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত ৬ হাজার ৯৭৯ জনের হাম শনাক্ত এবং উপসর্গ থাকা রোগীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ৫৫৬ জন।
দেশের হামের এমন প্রাদুর্ভাবের জন্য শুরু থেকেই টিকা না দেওয়াকে দায়ী করা হচ্ছে। হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশু টিকার আওতায় থাকা জরুরি। তবে গত কয়েক বছরে এই হার অনেক কম ছিল। সবশেষ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও হামের টিকা দেওয়া হয় ঢিলেঢালাভাবে। এতে দেশব্যাপী হাম ছড়িয়ে পড়ায় এখন সরকারগুলোর দায় দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো ফের চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এক্ষেত্রে আখচাষি ও শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং প্রতিষ্ঠান দীর্ঘমেয়াদে লাভজনকভাবে পরিচালনার বিষয়গুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২ ঘণ্টা আগে
ফোরকান তাঁর ভাই মিশকাতকে ফোন দিয়ে বলেন, ‘আমার সব শেষ হয়ে গেছে। সবাইকে মাইরা ফেলছি। আমারে আর তোরা পাবি না।’
৩ ঘণ্টা আগে
হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে তিন শিশু ও সন্দেহজনক হামে মারা গেছে ছয় শিশু। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত হাম ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৫২ জন।
৩ ঘণ্টা আগে
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সমাজে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
৩ ঘণ্টা আগে