সাবেক উপাচার্য কলিমউল্লাহর জামিননামা দাখিল, মুক্তিতে বাধা নেই

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৬, ২০: ২৭
নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ। স্ট্রিম গ্রাফিক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা দুর্নীতি মামলায় এক লাখ টাকা মুচলেকা ও পাসপোর্ট জমার শর্তে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর জামিননামা দাখিল করা হয়েছে। এতে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই।

একই সঙ্গে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছে আদালত। আজ সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির শুনানি শেষে জামিননামা দাখিলের অনুমতি দেন।

নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর আইনজীবী মহসিন রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১৪ জুন তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন। এক লাখ টাকা মুচলেকা ও পাসপোর্ট জমার সাপেক্ষে জামিননামা দাখিলের অনুমতি দেয় আদালত। তারা জামিননামা দাখিল করেছেন। অন্য কোনো মামলা না থাকায় তার কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই।

এদিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ও আসামির হাজিরার জন্য দিন ধার্য ছিল। এ জন্য কারাগার থেকে আসামি কলিমউল্লাহকে আদালতে হাজির করা হয়। হাজিরা শেষে তাকে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) অধ্যাপক কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। পরে এই মামলায় তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।

গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর মহানগর বিশেষ জজ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করলে তিনি জামিন চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। পরবর্তী সময়ে ১৪ জুন বিচারপতি মো. আতিয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে স্থায়ী জামিন দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে গত বছরের ৬ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এর তৎকালীন সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ওই প্রকল্পের আওতায় শেখ হাসিনা হল এবং ড. ওয়াজেদ মিয়া রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ভবন নির্মাণে অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত