স্ট্রিম প্রতিবেদক

অল্পদিনের মধ্যে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্ন-উত্তর পর্বের শুরুতে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামিম কায়সারের সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।
সংসদে সম্পূরক প্রশ্নে শামিম কায়সার বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে গুম, খুন ও আয়নাঘরের পাশাপাশি আরেকটা ঘর ছিল। যে ঘরে ২০০৯ সালের পর থেকে রাজাকারদের মুক্তিযোদ্ধা আর মুক্তিযোদ্ধাদের রাজাকার বানানো হয়েছে। যে সব রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন, তাদের ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি না।’
উত্তরে মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘যারা বিভিন্নভাবে মুক্তিযুদ্ধের তালিকাভুক্ত হয়েছেন তাদের বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আশা করি খুব অল্প দিনের মধ্যে এ ধরনের ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা আমরা বলতে পারব এবং জাতির সামনে সুনির্দিষ্টভাবে উপস্থাপন করতে পারব।’
এ সময় আরেক সম্পূরক প্রশ্নে নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন ফারুক বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে সারা দেশের উপজেলাগুলোতে যে মুক্তিযোদ্ধ ভবনগুলো হয়েছে, সেগুলো তদন্ত করে দেখা হবে কিনা। কারণ এগুলোর একটা ভবনের অস্তিত্ব নেই। এবং যারা বিএনপি করেছে, তাদের ভাতা পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা।’
উত্তরে আহমেদ আযম খান বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের কাছে আরও অনেক অভিযোগ এসেছে। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আমরা ইতিমধ্যে অভিযোগ পেয়েছি এবং আমরা জানি অনেক মুক্তিযোদ্ধার ভাতা ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলো, মুক্তিযুদ্ধের সনদ স্থগিত করা হয়েছিলো এবং বিভিন্নভাবে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। এই কাজগুলো যত দ্রুত সম্ভব করে আমরা জাতির সামনে উপস্থাপন করব।’
অন্য আরেক সম্পূরক প্রশ্নে মুক্তিযোদ্ধাদের সুদবিহীন ঋণদানের কোনো পরিকল্পনা সরকার নিচ্ছে কিনা জানতে চান নরাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আতাউর রহমান।
তবে তাঁর এই প্রশ্নে এখনো এই ধরনের কোনো পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি উত্তর দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যে সুদসহ ঋণ দেওয়া হয়েছে, সেটা এখনো চলমান রয়েছে। কারণ, সুদবিহীন ঋনের বিষয়ে আগে কোনো আবেদন না আসায় আমরা এটি নিয়ে কোনো কাজ করি নেই। এখন যেহেতু এটি উপস্থাপন করা হয়েছে, সেহেতু এটি নিয়ে কাজ করা হবে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অল্পদিনের মধ্যে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্ন-উত্তর পর্বের শুরুতে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামিম কায়সারের সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।
সংসদে সম্পূরক প্রশ্নে শামিম কায়সার বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে গুম, খুন ও আয়নাঘরের পাশাপাশি আরেকটা ঘর ছিল। যে ঘরে ২০০৯ সালের পর থেকে রাজাকারদের মুক্তিযোদ্ধা আর মুক্তিযোদ্ধাদের রাজাকার বানানো হয়েছে। যে সব রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন, তাদের ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি না।’
উত্তরে মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘যারা বিভিন্নভাবে মুক্তিযুদ্ধের তালিকাভুক্ত হয়েছেন তাদের বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আশা করি খুব অল্প দিনের মধ্যে এ ধরনের ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা আমরা বলতে পারব এবং জাতির সামনে সুনির্দিষ্টভাবে উপস্থাপন করতে পারব।’
এ সময় আরেক সম্পূরক প্রশ্নে নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন ফারুক বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে সারা দেশের উপজেলাগুলোতে যে মুক্তিযোদ্ধ ভবনগুলো হয়েছে, সেগুলো তদন্ত করে দেখা হবে কিনা। কারণ এগুলোর একটা ভবনের অস্তিত্ব নেই। এবং যারা বিএনপি করেছে, তাদের ভাতা পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা।’
উত্তরে আহমেদ আযম খান বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের কাছে আরও অনেক অভিযোগ এসেছে। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আমরা ইতিমধ্যে অভিযোগ পেয়েছি এবং আমরা জানি অনেক মুক্তিযোদ্ধার ভাতা ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলো, মুক্তিযুদ্ধের সনদ স্থগিত করা হয়েছিলো এবং বিভিন্নভাবে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। এই কাজগুলো যত দ্রুত সম্ভব করে আমরা জাতির সামনে উপস্থাপন করব।’
অন্য আরেক সম্পূরক প্রশ্নে মুক্তিযোদ্ধাদের সুদবিহীন ঋণদানের কোনো পরিকল্পনা সরকার নিচ্ছে কিনা জানতে চান নরাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আতাউর রহমান।
তবে তাঁর এই প্রশ্নে এখনো এই ধরনের কোনো পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি উত্তর দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যে সুদসহ ঋণ দেওয়া হয়েছে, সেটা এখনো চলমান রয়েছে। কারণ, সুদবিহীন ঋনের বিষয়ে আগে কোনো আবেদন না আসায় আমরা এটি নিয়ে কোনো কাজ করি নেই। এখন যেহেতু এটি উপস্থাপন করা হয়েছে, সেহেতু এটি নিয়ে কাজ করা হবে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
২৫ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত বাজেট প্রস্তাবের আয় ও ব্যয়ের হিসাব বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
২৫ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত বাজেটে বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য সর্বজনীন পেনশন ফান্ডের আওতায় অবসরের সময়ে মোট অর্থের ৩০ শতাংশ গ্র্যাচুইটি বা আনুতোষিক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩৬ মিনিট আগে
সুনীল অর্থনীতি বা ‘ব্লু ইকোনমি’কে কাজে লাগিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে মৎস্য রপ্তানি আয় ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে।
৪৩ মিনিট আগে