রয়টার্সের প্রতিবেদন
স্ট্রিম ডেস্ক

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে ভারত থেকে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনা করছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে থাকবেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) গভীর রাতে দেওয়া সাক্ষাৎকার এসব কথা বলেছেন শেখ হাসিনা নিজেই।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দুই বছর আগে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা রয়টার্সকে বলেছেন, তিনি ও তাঁর দল আওয়ামী লীগের নেতারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে চান।
এর মাধ্যমে তাঁর মতো শীর্ষস্থানীয় একজন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশ কেমন আচরণ করে, সেই পরীক্ষা নিতে চান তিনি।
প্রায় এক ঘণ্টার টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ৭৮ বছরের শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি ফিরে গেলে তারা আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি আমাকে মেরেও ফেলতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারপরও আমাকে যেতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীদের ওপর চরম নির্যাতন চালানো হচ্ছে। যদি মৃত্যু আসে, তবে আমি নিজের মাটিতেই তা চাই, যেখানে আমার বাবা-মা সমাহিত আছেন এবং যেখানে তাদেরও রক্ত ঝরেছে।’
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে টানা ১৬ বছরের সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা দেশ থেকে ভারতে পালিয়ে যান। গত বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার দায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেন। তবে শেখ হাসিনা ওই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই বছরের অস্থিরতার পর বাংলাদেশের বর্তমান সরকার যখন স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, তখন হাসিনার এই প্রত্যাবর্তন রাজনৈতিক বিভাজনকে আরও উসকে দিতে পারে। অন্যদিকে, এটি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে পারে, যা নয়াদিল্লি তাঁকে আশ্রয় দেওয়ার পর থেকে বেশ অবনতি হয়েছিল।
নির্বাসনে থাকার সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের লিখিত প্রশ্নের উত্তর দিলেও এবারই প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন শেখ হাসিনা। দেশে ফেরার বিষয়ে বা এর সময়সূচি নিয়ে তিনি কোনো বিদেশি সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেননি বলেও জানিয়েছেন।
এ ছাড়া এই প্রথম তিনি দেশে ফেরার একটি সময়সীমা দিয়েছেন। এটাও বলেছেন, তিনি নিজে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন এবং নির্বাসিত অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতারাও এই কাজ করবেন। এই নেতাদের মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আসাদুজ্জামান খান কামালও রয়েছেন।
তবে রয়টার্স আওয়ামী লীগে অন্য নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বা তারা কোথায় আছেন তা নিশ্চিত হতে পারেনি।
বাংলাদেশে সরকার তাঁকে ফেরত পাঠাতে ভারত সরকারের কাছে চিঠি পাঠাচ্ছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি নিজেই যাব।’
এদিকে শেখ হাসিনার এই বক্তব্যের বিষয়ে মন্তব্য চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের মুখপাত্রদের সঙ্গে রয়টার্সের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তবে কেউ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। তবে গত এপ্রিলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তারা শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে এবং তারা ‘নতুন সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায়’।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় অর্ধ শতাব্দী ধরে বাংলাদেশে ক্ষমতার পাদপ্রদীপে থাকা শেখ হাসিনা রাজনীতির শুরুতে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছিলেন। ১৭ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বদলে দেওয়ার কৃতিত্বও তাঁকে দেওয়া হয়। তবে তাঁর দীর্ঘ শাসনামলে ভিন্নমত দমন এবং গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য ভেঙে ফেলার অভিযোগ রয়েছে। যদিও তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে তাঁর পতনের আন্দোলন দমন করতে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়।
তবে দিল্লিতে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনা তাঁর দলের বিরুদ্ধেই এখন দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি রয়টার্সকে বলেছেন, ‘আমাদের প্রায় সব নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের অনেকেই আত্মগোপনে আছেন। তাই আমি বলেছি, এবার আমি দেশে ফিরছি এবং আপনাদেরও আসতে হবে। আমরা সবাই একসঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব।’
অবশ্য শেখ হাসিনা দেশে ফেরার সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ বা কোন আদালতে কখন আত্মসমর্পণ করবেন তা স্পষ্ট করেননি। তাঁর ভাষ্য, তিনি বিচারে বিশ্বাস করেন এবং একবার আইনি প্রক্রিয়া শুরু হলে জনগণের কাছে পরিষ্কার হয়ে বর্তমান আদালত কতটা ‘প্রহসনমূলক’। তিনি সেটাই প্রমাণ করতে চান।
কারাবরণ নিয়ে চিন্তিত নন বলেও সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এর আগেও বেশ কয়েকবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
তবে এবার পালিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপট নিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, জনতা যখন তাঁর বাসভবনের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল তখন জীবননাশের হুমকি তৈরি হয়েছিল।
তাঁর দাবি, ‘একটি সরকার যখন দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে, তখন ভুলত্রুটি হতেই পারে—কোনো সরকারই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। তবে একটি সরকারের ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় বিচার করার অধিকার কেবল জনগণের। আমি সেই বিচার জনগণের ওপরই ছেড়ে দিচ্ছি।’

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে ভারত থেকে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনা করছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে থাকবেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) গভীর রাতে দেওয়া সাক্ষাৎকার এসব কথা বলেছেন শেখ হাসিনা নিজেই।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দুই বছর আগে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা রয়টার্সকে বলেছেন, তিনি ও তাঁর দল আওয়ামী লীগের নেতারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে চান।
এর মাধ্যমে তাঁর মতো শীর্ষস্থানীয় একজন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশ কেমন আচরণ করে, সেই পরীক্ষা নিতে চান তিনি।
প্রায় এক ঘণ্টার টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ৭৮ বছরের শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি ফিরে গেলে তারা আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি আমাকে মেরেও ফেলতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারপরও আমাকে যেতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীদের ওপর চরম নির্যাতন চালানো হচ্ছে। যদি মৃত্যু আসে, তবে আমি নিজের মাটিতেই তা চাই, যেখানে আমার বাবা-মা সমাহিত আছেন এবং যেখানে তাদেরও রক্ত ঝরেছে।’
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে টানা ১৬ বছরের সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা দেশ থেকে ভারতে পালিয়ে যান। গত বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার দায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেন। তবে শেখ হাসিনা ওই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই বছরের অস্থিরতার পর বাংলাদেশের বর্তমান সরকার যখন স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, তখন হাসিনার এই প্রত্যাবর্তন রাজনৈতিক বিভাজনকে আরও উসকে দিতে পারে। অন্যদিকে, এটি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে পারে, যা নয়াদিল্লি তাঁকে আশ্রয় দেওয়ার পর থেকে বেশ অবনতি হয়েছিল।
নির্বাসনে থাকার সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের লিখিত প্রশ্নের উত্তর দিলেও এবারই প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন শেখ হাসিনা। দেশে ফেরার বিষয়ে বা এর সময়সূচি নিয়ে তিনি কোনো বিদেশি সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেননি বলেও জানিয়েছেন।
এ ছাড়া এই প্রথম তিনি দেশে ফেরার একটি সময়সীমা দিয়েছেন। এটাও বলেছেন, তিনি নিজে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন এবং নির্বাসিত অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতারাও এই কাজ করবেন। এই নেতাদের মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আসাদুজ্জামান খান কামালও রয়েছেন।
তবে রয়টার্স আওয়ামী লীগে অন্য নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বা তারা কোথায় আছেন তা নিশ্চিত হতে পারেনি।
বাংলাদেশে সরকার তাঁকে ফেরত পাঠাতে ভারত সরকারের কাছে চিঠি পাঠাচ্ছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি নিজেই যাব।’
এদিকে শেখ হাসিনার এই বক্তব্যের বিষয়ে মন্তব্য চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের মুখপাত্রদের সঙ্গে রয়টার্সের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তবে কেউ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। তবে গত এপ্রিলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তারা শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে এবং তারা ‘নতুন সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায়’।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় অর্ধ শতাব্দী ধরে বাংলাদেশে ক্ষমতার পাদপ্রদীপে থাকা শেখ হাসিনা রাজনীতির শুরুতে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছিলেন। ১৭ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বদলে দেওয়ার কৃতিত্বও তাঁকে দেওয়া হয়। তবে তাঁর দীর্ঘ শাসনামলে ভিন্নমত দমন এবং গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য ভেঙে ফেলার অভিযোগ রয়েছে। যদিও তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে তাঁর পতনের আন্দোলন দমন করতে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়।
তবে দিল্লিতে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনা তাঁর দলের বিরুদ্ধেই এখন দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি রয়টার্সকে বলেছেন, ‘আমাদের প্রায় সব নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের অনেকেই আত্মগোপনে আছেন। তাই আমি বলেছি, এবার আমি দেশে ফিরছি এবং আপনাদেরও আসতে হবে। আমরা সবাই একসঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব।’
অবশ্য শেখ হাসিনা দেশে ফেরার সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ বা কোন আদালতে কখন আত্মসমর্পণ করবেন তা স্পষ্ট করেননি। তাঁর ভাষ্য, তিনি বিচারে বিশ্বাস করেন এবং একবার আইনি প্রক্রিয়া শুরু হলে জনগণের কাছে পরিষ্কার হয়ে বর্তমান আদালত কতটা ‘প্রহসনমূলক’। তিনি সেটাই প্রমাণ করতে চান।
কারাবরণ নিয়ে চিন্তিত নন বলেও সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এর আগেও বেশ কয়েকবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
তবে এবার পালিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপট নিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, জনতা যখন তাঁর বাসভবনের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল তখন জীবননাশের হুমকি তৈরি হয়েছিল।
তাঁর দাবি, ‘একটি সরকার যখন দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে, তখন ভুলত্রুটি হতেই পারে—কোনো সরকারই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। তবে একটি সরকারের ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় বিচার করার অধিকার কেবল জনগণের। আমি সেই বিচার জনগণের ওপরই ছেড়ে দিচ্ছি।’
.png)

রাঙামাটির সাজেক ভ্যালী পর্যটনকেন্দ্রে বুধবার থেকে গত দুইদিন আটকে পড়া সব পর্যটকেরা ফিরছেন। তবে পর্যটকদের ঝুঁকি বিবেচনায় সাজেক ভ্রমণ সাময়িক বন্ধ রয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
আগামী ৫ আগস্ট উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ পরিচালনায় ১৫ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে সরকার।
১ ঘণ্টা আগে
আষাঢ়ের প্রথম ২০ দিন বৃষ্টির দেখা সেভাবে মেলেনি। এরপর হঠাৎ যেন আকাশ ফুটো হয়ে নামল ঢল। গত চার-পাঁচ দিনের টানা বর্ষণে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলের চেহারা পুরোপুরি বদলে গেছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে চট্টগ্রামে যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে, তা গত ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের ডিসেম্বরে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
৫ ঘণ্টা আগে