বাগেরহাটে আসন পুনর্বহালের দাবি
সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, বুধ ও বৃহস্পতিবার (১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর) জেলা জুড়ে টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল পালিত হবে। এর প্রথম দিনেই অচল হয়ে পড়ে মোংলা সমুদ্রবন্দরসহ পুরো জেলা।
স্ট্রিম সংবাদদাতা

বাগেরহাটে জাতীয় সংসদীয় আসন চারটি বহালের দাবিতে শুরু হওয়া ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ও সড়ক অবরোধে অচল হয়ে পড়ে মোংলা সমুদ্রবন্দরসহ পুরো জেলা। এর প্রথম দিন বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিএনপি-জামায়াতসহ সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির ডাকা এই কর্মসূচিতে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে জেলার জীবনযাত্রা।
তবে হরতালকেন্দ্র করে বিকাল পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা শহরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ছিল।
সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, বুধ ও বৃহস্পতিবার (১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর) জেলা জুড়ে টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল পালিত হবে। তবে অ্যাম্বুলেন্স, শিক্ষার্থীদের বহনকারী গাড়ি ও জরুরি সেবার যানবাহন হরতালের আওতামুক্ত থাকবে বলে জানানো হয়।
এদিকে সর্বাত্মক হারতালের প্রথম দিনে বুধবার সকাল থেকেই বাগেরহাট থেকে ঢাকা, খুলনা চট্টগ্রামসহ দেশের সব দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। থেমে যায় দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর মোংলায় আমদানি-রপ্তানির পণ্য পরিবহনও।

এ দিন হরতালকারীরা জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় ও নির্বাচন অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় কর্মকর্তারা তাঁদের দপ্তরে ঢুকতে পারেননি। বন্ধ ছিল শহরের দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম।
চিকিৎসার প্রয়োজনে বের হওয়া রোগীরাও পড়েন বিপাকে। শহরে ফার্মেসি ছাড়া অন্যান্য দোকানপাট বন্ধ থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতেও ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে।
জেলার শতাধিক স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে, গাছ ফেলে ও মাছ ধরার জাল টানিয়ে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে পিকেটাররা। ফলে মোংলা বন্দরসহ বাগেরহাট কার্যত সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এ ছাড়া হরতালে বন্ধ রয়েছে জেলার মোরেলগঞ্জের পানগুছি ও মোংলা নদীতে ফেরি চলাচল। দীর্ঘ দূরপাল্লার যাত্রীদের অনেকেই বাস টার্মিনাল বা সড়কের পাশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও যানবাহন পাননি।
খুলনায় চিকিৎসার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া যাত্রী রাবেয়া বেগম বলেন, ‘সকালে বের হয়েছি, কিন্তু বাস নেই। রিকশা-ভ্যানেও দূরে যাওয়া যায় না। মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারছি না, অসহায় লাগছে।’
হরতালে বন্দনের পণ্য আটকা পড়ায় ক্ষতির শঙ্কা জানিয়ে ব্যবসায়ী শওকত হোসেন বলেন, ‘মোংলা বন্দরে মাল আটকে আছে, পরিবহন না চলায় সময় মতো পণ্য সরবরাহ করতে পারছি না। এতে ব্যবসায় বড় ক্ষতি হবে।’

নির্বাচন কমিশন বাগেরহাটের একটি সংসদীয় আসন কমিয়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করেছেন বলে মন্তব্য করেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম। তিনি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা, মোংলা বন্দর, ইপিজেড-শিল্পাঞ্চল ও দুটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের গুরুত্ব বিবেচনায় জেলায় চারটি আসন বহাল রাখা জরুরি।
জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রেজাউল করিম বলেন, ‘এই আন্দোলন কোনো দলের নয়, এটি জনস্বার্থের আন্দোলন। নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে, নইলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চলতি বছরের ৩০ জুলাই বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি কমিয়ে তিনটি রাখার খসড়া প্রস্তাব দেয় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিশেষ কারিগরি কমিটি। পরে ওই প্রস্তাবের ওপরই বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে ইসি।
ইসির গেজেড অনুযায়ী, ১৯৬৯ সাল থেকে চারটি সংসদীয় আসনে নির্বাচন হয়ে আসছে বাগেরহাটে। এবার ইসির চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী প্রতিটি আসনের অধীনে তিনটি করে উপজেলাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়ছে। এতে বাগেরহাট ১ আসনে সদর, চিতলমারী ও মোল্লাহাট; বাগেরহাট ২ আসনে ফকিরহাট রামপাল ও মোংলা এবং বাগেরহাট ৩ আসনে কচুয়া, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলাকে অন্তর্ভূক্ত করে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর প্রতিবাদে আন্দোলন করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীসহ স্থানীয় লোকজন।

বাগেরহাটে জাতীয় সংসদীয় আসন চারটি বহালের দাবিতে শুরু হওয়া ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ও সড়ক অবরোধে অচল হয়ে পড়ে মোংলা সমুদ্রবন্দরসহ পুরো জেলা। এর প্রথম দিন বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিএনপি-জামায়াতসহ সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির ডাকা এই কর্মসূচিতে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে জেলার জীবনযাত্রা।
তবে হরতালকেন্দ্র করে বিকাল পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা শহরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ছিল।
সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, বুধ ও বৃহস্পতিবার (১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর) জেলা জুড়ে টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল পালিত হবে। তবে অ্যাম্বুলেন্স, শিক্ষার্থীদের বহনকারী গাড়ি ও জরুরি সেবার যানবাহন হরতালের আওতামুক্ত থাকবে বলে জানানো হয়।
এদিকে সর্বাত্মক হারতালের প্রথম দিনে বুধবার সকাল থেকেই বাগেরহাট থেকে ঢাকা, খুলনা চট্টগ্রামসহ দেশের সব দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। থেমে যায় দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর মোংলায় আমদানি-রপ্তানির পণ্য পরিবহনও।

এ দিন হরতালকারীরা জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় ও নির্বাচন অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় কর্মকর্তারা তাঁদের দপ্তরে ঢুকতে পারেননি। বন্ধ ছিল শহরের দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম।
চিকিৎসার প্রয়োজনে বের হওয়া রোগীরাও পড়েন বিপাকে। শহরে ফার্মেসি ছাড়া অন্যান্য দোকানপাট বন্ধ থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতেও ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে।
জেলার শতাধিক স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে, গাছ ফেলে ও মাছ ধরার জাল টানিয়ে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে পিকেটাররা। ফলে মোংলা বন্দরসহ বাগেরহাট কার্যত সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এ ছাড়া হরতালে বন্ধ রয়েছে জেলার মোরেলগঞ্জের পানগুছি ও মোংলা নদীতে ফেরি চলাচল। দীর্ঘ দূরপাল্লার যাত্রীদের অনেকেই বাস টার্মিনাল বা সড়কের পাশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও যানবাহন পাননি।
খুলনায় চিকিৎসার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া যাত্রী রাবেয়া বেগম বলেন, ‘সকালে বের হয়েছি, কিন্তু বাস নেই। রিকশা-ভ্যানেও দূরে যাওয়া যায় না। মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারছি না, অসহায় লাগছে।’
হরতালে বন্দনের পণ্য আটকা পড়ায় ক্ষতির শঙ্কা জানিয়ে ব্যবসায়ী শওকত হোসেন বলেন, ‘মোংলা বন্দরে মাল আটকে আছে, পরিবহন না চলায় সময় মতো পণ্য সরবরাহ করতে পারছি না। এতে ব্যবসায় বড় ক্ষতি হবে।’

নির্বাচন কমিশন বাগেরহাটের একটি সংসদীয় আসন কমিয়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করেছেন বলে মন্তব্য করেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম। তিনি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা, মোংলা বন্দর, ইপিজেড-শিল্পাঞ্চল ও দুটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের গুরুত্ব বিবেচনায় জেলায় চারটি আসন বহাল রাখা জরুরি।
জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রেজাউল করিম বলেন, ‘এই আন্দোলন কোনো দলের নয়, এটি জনস্বার্থের আন্দোলন। নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে, নইলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চলতি বছরের ৩০ জুলাই বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি কমিয়ে তিনটি রাখার খসড়া প্রস্তাব দেয় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিশেষ কারিগরি কমিটি। পরে ওই প্রস্তাবের ওপরই বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে ইসি।
ইসির গেজেড অনুযায়ী, ১৯৬৯ সাল থেকে চারটি সংসদীয় আসনে নির্বাচন হয়ে আসছে বাগেরহাটে। এবার ইসির চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী প্রতিটি আসনের অধীনে তিনটি করে উপজেলাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়ছে। এতে বাগেরহাট ১ আসনে সদর, চিতলমারী ও মোল্লাহাট; বাগেরহাট ২ আসনে ফকিরহাট রামপাল ও মোংলা এবং বাগেরহাট ৩ আসনে কচুয়া, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলাকে অন্তর্ভূক্ত করে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর প্রতিবাদে আন্দোলন করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীসহ স্থানীয় লোকজন।

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুর পর পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা। গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার পোল্লাপুকুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ সময় সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও (ওসি) অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
৬ মিনিট আগে
দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালট বিতরণ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনি হেফাজতে থাকা নিবন্ধিত ভোটার– এই তিন শ্রেণির মানুষের হাতে সোমবার থেকে পোস্টাল ব্যালট দেওয়া হচ্ছে।
৩৫ মিনিট আগে
গতকাল রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ওই ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠের দক্ষিণ-পূর্ব কোনায় প্রায় ৩০ জন কিশোর-তরুণ সারিতে দাঁড়িয়ে কান ধরে উঠবস করছেন। তাঁদের সামনে একটি লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন সর্বমিত্র চাকমা।
১ ঘণ্টা আগে
ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন (ইডিসি) প্রকল্পের আওতায় দেশের ১০০টি উপজেলায় ‘উপজেলা সেবা ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে