স্ট্রিম ডেস্ক

ঢাকার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘বর্ণ এআই’ কিনে নিয়েছে টাইগার মিডিয়া। ‘বর্ণ এআই’ মূলত একটি এআই টিউটরিং অ্যাপ, যা কিন্ডারগার্টেন থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি। এটি বাংলাদেশের এনসিটিবি কারিকুলাম মেনে শিক্ষার্থীদের নিজের মতো করে পড়াশোনা করতে, অনুশীলন করতে এবং বিষয়গুলো ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
এই অধিগ্রহণের পর ‘বর্ণ এআই’ এখন পুরোপুরি টাইগার মিডিয়ার অধীনে চলে এসেছে। এতে ‘বর্ণ এআই’-এর শিক্ষা-প্রযুক্তি (এডটেক) দক্ষতা আর টাইগার মিডিয়ার কনটেন্ট তৈরি, বিতরণ ও প্রযুক্তিগত শক্তি একসঙ্গে মিলে যাবে।
টাইগার মিডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইবনুল ইরফান বলেন, সবসময় তাদের মূল শক্তি ছিল দর্শকদের সঙ্গে কনটেন্টের সংযোগ তৈরি করা। এখন ‘বর্ণ এআই’-এর মাধ্যমে সেই শক্তি তারা শিক্ষাখাতে নিয়ে আসছে। তাদের লক্ষ্য—প্ল্যাটফর্মটিকে আরও উন্নত করা, বেশি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষামূলক তথ্য সবার জন্য সহজলভ্য করা।
টাইগার মিডিয়ার নিজস্ব মিডিয়া উইংয়ে রয়েছে ‘নাটশেল টুডে’ ও ‘ক্যাবলগ্রাম’। এ ছাড়া তাদের এজেন্সি কার্যক্রমের মাধ্যমে আরও অনেক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ও ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলে প্রবেশের সুযোগ আছে। তাদের প্রযুক্তি বিভাগ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি ও পরিচালনায় বিশেষ দক্ষ, যার লক্ষ্য কাজের দক্ষতা বাড়ানো এবং কনটেন্ট বিতরণের খরচ কমানো।
এই অধিগ্রহণের মাধ্যমে টাইগার মিডিয়া তাদের এসব সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ‘বর্ণ এআই’-কে আরও বেশি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেবে এবং শিক্ষামূলক কনটেন্ট তৈরি, প্যাকেজিং ও সরবরাহের মান উন্নত করবে।
টাইগার মিডিয়ার সিইও আনজুম মাহমুদ মোস্তফা বলেন, ‘বর্ণ এআই’ এআই আর এনসিটিবি কারিকুলাম ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ভালো প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এখন তাদের লক্ষ্য সেই প্ল্যাটফর্মকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বর্ণ এআই বড় পরিসরে ছড়িয়ে দিতে এবং এর মান আরও ভালো করতে যে ডিস্ট্রিবিউশন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দরকার, তা টাইগার মিডিয়া দিতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তামজিদ রহমান বলেন, ‘বর্ণ এআই’ তৈরির মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের কাজে লাগার মতো একটি শেখার মাধ্যম বানানো। তিনি বিশ্বাস করেন, টাইগার মিডিয়ার ডিস্ট্রিবিউশন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এই প্ল্যাটফর্মকে পরের ধাপে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। তিনি তার পরবর্তী প্রজেক্ট নিয়ে কাজ শুরু করতে আগ্রহী।
তামজিদ রহমান ২০২৫ সালের ১ জুলাই ‘বর্ণ এআই’ প্রতিষ্ঠা করেন। অধিগ্রহণের পর থেকে ‘বর্ণ এআই’-এর সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার দায়িত্ব নেবে টাইগার মিডিয়া।
‘বর্ণ এআই’ হলো ঢাকা-ভিত্তিক একটি প্রযুক্তি স্টার্টআপ, যারা কিন্ডারগার্টেন থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য এআই-চালিত টিউটরিং অ্যাপ তৈরি করেছে। এটি এনসিটিবি কারিকুলামের সঙ্গে মিল রেখে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগতকৃত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পড়াশোনা, অনুশীলন এবং বিষয় বোঝাপড়ায় সহায়তা করে।

ঢাকার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘বর্ণ এআই’ কিনে নিয়েছে টাইগার মিডিয়া। ‘বর্ণ এআই’ মূলত একটি এআই টিউটরিং অ্যাপ, যা কিন্ডারগার্টেন থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি। এটি বাংলাদেশের এনসিটিবি কারিকুলাম মেনে শিক্ষার্থীদের নিজের মতো করে পড়াশোনা করতে, অনুশীলন করতে এবং বিষয়গুলো ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
এই অধিগ্রহণের পর ‘বর্ণ এআই’ এখন পুরোপুরি টাইগার মিডিয়ার অধীনে চলে এসেছে। এতে ‘বর্ণ এআই’-এর শিক্ষা-প্রযুক্তি (এডটেক) দক্ষতা আর টাইগার মিডিয়ার কনটেন্ট তৈরি, বিতরণ ও প্রযুক্তিগত শক্তি একসঙ্গে মিলে যাবে।
টাইগার মিডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইবনুল ইরফান বলেন, সবসময় তাদের মূল শক্তি ছিল দর্শকদের সঙ্গে কনটেন্টের সংযোগ তৈরি করা। এখন ‘বর্ণ এআই’-এর মাধ্যমে সেই শক্তি তারা শিক্ষাখাতে নিয়ে আসছে। তাদের লক্ষ্য—প্ল্যাটফর্মটিকে আরও উন্নত করা, বেশি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষামূলক তথ্য সবার জন্য সহজলভ্য করা।
টাইগার মিডিয়ার নিজস্ব মিডিয়া উইংয়ে রয়েছে ‘নাটশেল টুডে’ ও ‘ক্যাবলগ্রাম’। এ ছাড়া তাদের এজেন্সি কার্যক্রমের মাধ্যমে আরও অনেক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ও ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলে প্রবেশের সুযোগ আছে। তাদের প্রযুক্তি বিভাগ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি ও পরিচালনায় বিশেষ দক্ষ, যার লক্ষ্য কাজের দক্ষতা বাড়ানো এবং কনটেন্ট বিতরণের খরচ কমানো।
এই অধিগ্রহণের মাধ্যমে টাইগার মিডিয়া তাদের এসব সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ‘বর্ণ এআই’-কে আরও বেশি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেবে এবং শিক্ষামূলক কনটেন্ট তৈরি, প্যাকেজিং ও সরবরাহের মান উন্নত করবে।
টাইগার মিডিয়ার সিইও আনজুম মাহমুদ মোস্তফা বলেন, ‘বর্ণ এআই’ এআই আর এনসিটিবি কারিকুলাম ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ভালো প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এখন তাদের লক্ষ্য সেই প্ল্যাটফর্মকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বর্ণ এআই বড় পরিসরে ছড়িয়ে দিতে এবং এর মান আরও ভালো করতে যে ডিস্ট্রিবিউশন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দরকার, তা টাইগার মিডিয়া দিতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তামজিদ রহমান বলেন, ‘বর্ণ এআই’ তৈরির মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের কাজে লাগার মতো একটি শেখার মাধ্যম বানানো। তিনি বিশ্বাস করেন, টাইগার মিডিয়ার ডিস্ট্রিবিউশন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এই প্ল্যাটফর্মকে পরের ধাপে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। তিনি তার পরবর্তী প্রজেক্ট নিয়ে কাজ শুরু করতে আগ্রহী।
তামজিদ রহমান ২০২৫ সালের ১ জুলাই ‘বর্ণ এআই’ প্রতিষ্ঠা করেন। অধিগ্রহণের পর থেকে ‘বর্ণ এআই’-এর সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার দায়িত্ব নেবে টাইগার মিডিয়া।
‘বর্ণ এআই’ হলো ঢাকা-ভিত্তিক একটি প্রযুক্তি স্টার্টআপ, যারা কিন্ডারগার্টেন থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য এআই-চালিত টিউটরিং অ্যাপ তৈরি করেছে। এটি এনসিটিবি কারিকুলামের সঙ্গে মিল রেখে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগতকৃত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পড়াশোনা, অনুশীলন এবং বিষয় বোঝাপড়ায় সহায়তা করে।
.png)

বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ক্যানসারকে ধরা হতো এমন একটা রোগ, যার কোনো প্রতিকার নেই। পরে ধীরে ধীরে চিকিৎসাবিজ্ঞানে আসে কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি ও অস্ত্রোপচারের মতো পদ্ধতি। প্রতিষেধক হিসেবে আবিষ্কার হয় ভ্যাকসিনও। কিন্তু এত কিছুর পরও বিজ্ঞানীদের অনুসন্ধান থামেনি। ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ই
৩০ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাজ্যে বিশ্বের প্রথম রোগী হিসেবে লাইভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সহায়তায় মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচার করিয়েছেন রাইস হিবার্ট। সফলভাবে তাঁর টিউমার অপসারণ করা হয়েছে। বেডফোর্ডশায়ারের দুই সন্তানের বাবা রাইস হিবার্ট অস্ত্রোপচারটি না করালে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারতেন বলে
২৭ আগস্ট ২০২৬
কাজাখস্তানের বিস্তীর্ণ তৃণভূমি। দিগন্তজোড়া খোলা প্রান্তর, গাছপালা কম, কোথাও শুধু ঘাস আর শুকনো মাটি। এই বিশাল ভূখণ্ডের আকাশে প্রায়ই দেখা মেলে শিকারি পাখি ‘স্টেপ ঈগল’। হাজার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাতায়াত করে এই ঈগল। কাজাখস্তানকে বলা হয় স্টেপ ঈগলের আবাসভূমি। এর প্রধান কার
২৩ আগস্ট ২০২৬
১৯৫০ সালে লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে দুপুরের খাবারের সময় সহকর্মী পদার্থবিদদের সঙ্গে ‘ফ্লাইং সসার’ বা উড়ন্ত চাকতি নিয়ে আলোচনা করছিলেন ম্যানহাটন প্রকল্পের অন্যতম স্থপতি এনরিকো ফার্মি। হঠাৎ তিনি প্রশ্ন করেন, ‘সবাই কোথায়?’ প্রশ্নটি ছিল সরল, কিন্তু এর মধ্যেই লুকিয়ে ছিল মহাবিশ্বের অন্যতম বড় রহস্য—‘
১৭ আগস্ট ২০২৬