স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অবহেলার অভিযোগ তুলে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এই আদেশ দেন। মামলা গ্রহণ করার মতো 'উপাদান না থাকায়' বিচারক আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আদালতের প্রসেস সার্ভার শাহাদাত হোসেন।
সকালে মামলার আবেদন করেন মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ওই বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন এবং বিকেলে তা খারিজ করে দেন।
মামলার আবেদনে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ছাড়াও আরও যাঁদের আসামি করার আবেদন করা হয়েছিল, তাঁরা হলেন—সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক শিক্ষা সচিব সিদ্দিক জুবায়ের, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, এয়ার ভাইস মার্শাল মোরশেদ মোহাম্মদ খায়ের উল আফসার এবং গ্রুপ ক্যাপ্টেন রিফাত আক্তার জিকু। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরনবী, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম, প্রিন্সিপাল (প্রশাসন) মাসুদ আলম, স্কুল শাখার প্রিন্সিপাল রিফাত নবী, রাজউক চেয়ারম্যান এবং রাজউকের ফিল্ড সুপারভাইজারকে (উত্তরা) আসামি করতে চাওয়া হয়েছিল।
মামলার আবেদনে বলা হয়, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা গত বছরের (২০২৫) ২১ জুলাই স্কুলে গিয়েছিল। সেদিন দুপুর ১টা ১৮ মিনিটের দিকে আসামিদের সরাসরি দায়িত্বে ও তত্ত্বাবধানে থাকা ত্রুটিযুক্ত প্রশিক্ষণ বিমান এফ-৭ বিজিআই-কে উড্ডয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। একজন নবীন পাইলট একা ওই যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করলে ত্রুটিজনিত কারণে তা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিধ্বস্ত হয়।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় ২৮ জন শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষিকা, তিনজন অভিভাবক এবং একজন পরিচালকসহ মোট ৩৫ জন মারা যান। এ ছাড়া ১৭২ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। মামলার আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকায় এবং ভবনটি যথাযথ বিধি মোতাবেক নির্মাণ না করায় দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে চরম ব্যাঘাত ঘটে। এই কারণে উদ্ধারকর্মীরা কাজ শুরু করলেও হাসপাতালে নেওয়ার আগেই অনেক শিক্ষার্থী মারা যায়।

ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অবহেলার অভিযোগ তুলে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এই আদেশ দেন। মামলা গ্রহণ করার মতো 'উপাদান না থাকায়' বিচারক আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আদালতের প্রসেস সার্ভার শাহাদাত হোসেন।
সকালে মামলার আবেদন করেন মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ওই বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন এবং বিকেলে তা খারিজ করে দেন।
মামলার আবেদনে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ছাড়াও আরও যাঁদের আসামি করার আবেদন করা হয়েছিল, তাঁরা হলেন—সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক শিক্ষা সচিব সিদ্দিক জুবায়ের, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, এয়ার ভাইস মার্শাল মোরশেদ মোহাম্মদ খায়ের উল আফসার এবং গ্রুপ ক্যাপ্টেন রিফাত আক্তার জিকু। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরনবী, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম, প্রিন্সিপাল (প্রশাসন) মাসুদ আলম, স্কুল শাখার প্রিন্সিপাল রিফাত নবী, রাজউক চেয়ারম্যান এবং রাজউকের ফিল্ড সুপারভাইজারকে (উত্তরা) আসামি করতে চাওয়া হয়েছিল।
মামলার আবেদনে বলা হয়, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা গত বছরের (২০২৫) ২১ জুলাই স্কুলে গিয়েছিল। সেদিন দুপুর ১টা ১৮ মিনিটের দিকে আসামিদের সরাসরি দায়িত্বে ও তত্ত্বাবধানে থাকা ত্রুটিযুক্ত প্রশিক্ষণ বিমান এফ-৭ বিজিআই-কে উড্ডয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। একজন নবীন পাইলট একা ওই যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করলে ত্রুটিজনিত কারণে তা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিধ্বস্ত হয়।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় ২৮ জন শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষিকা, তিনজন অভিভাবক এবং একজন পরিচালকসহ মোট ৩৫ জন মারা যান। এ ছাড়া ১৭২ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। মামলার আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকায় এবং ভবনটি যথাযথ বিধি মোতাবেক নির্মাণ না করায় দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে চরম ব্যাঘাত ঘটে। এই কারণে উদ্ধারকর্মীরা কাজ শুরু করলেও হাসপাতালে নেওয়ার আগেই অনেক শিক্ষার্থী মারা যায়।

রাজধানী থেকে দোহার উপজেলার নন্দলালপুর চরের দূরত্ব মাত্র ৪৫ কিলোমিটার। তবে উপজেলার মূল ভূখণ্ড থেকে এই দ্বীপে যেতে পাড়ি দিতে হয় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ নৌপথ। এখানে খোলা ছাউনির ইঞ্জিনচালিত নৌকাই চরের বাসিন্দাদের একমাত্র ভরসা।
২১ মিনিট আগে
রংপুরে একই দিনে দুই কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার জেলার পীরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর থেকে তাঁদের লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত এসব ঘটনা কোনো মামলা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় থানা-পুলিশ। এর আগে বুধবার রাতে পৃথক এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশন আগামী ৭ জুন থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই অধিবেশন আহ্বান করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) জন্য ১৬৩টি গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
১ ঘণ্টা আগে