রোববারের আগে স্বস্তি নেই গ্যাস সরবরাহে

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৬, ২৩: ৪২
কক্সবাজারের মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারের মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত

এলএনজির অভাবে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় দেশের গ্যাস সরবরাহে এখনও উন্নতি হয়নি। পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, এ টার্মিনালের জন্য নতুন কার্গো আসতে পারে আগামী রোববার। এর আগে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহে স্বস্তির সম্ভাবনা নেই।

শুক্রবার রাত ৮টায় পেট্রোবাংলার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ সময় জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২২০ কোটি ঘনফুট। এরমধ্যে দেশীয় ক্ষেত্র থেকে সরবরাহ ছিল প্রায় ১৬২ কোটি ঘনফুট। আর সামিটের এলএনজি টার্মিনালের সরবরাহ ছিল ৫৮ কোটি ঘনফুট।

পেট্রোবাংলার একজন কর্মকর্তা স্ট্রিমকে বলেন, আগামী রোববার এক্সিলারেটের এলএনজি টার্মিনালের জন্য কার্গো আসবে। এরপর এলএনজি খালাস করে গ্যাসে রূপান্তরের কাজ শুরু হলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা যাবে।

এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে সামিটের টার্মিনালে একটি এলএনজি কার্গো আসে। ফলে এ টার্মিনালের এলএনজি মজুত বেড়েছে। আগে থেকেই সামিটের টার্মিনাল সর্বোচ্চ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ করছে।

গত বুধবার বিকালে এক্সিলারেটের টার্মিনালে এলএনজির মজুত শেষ হয়ে যায়। এরপর সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস দেওয়া বন্ধ হয়।

দেশীয় গ্যাসের মজুত কমে আসায় ২০১৮ সাল থেকে এলএনজি আমদানি করে চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করছে জ্বালানি বিভাগ। বিগত কয়েক বছর থেকে চাহিদার ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ মেটানো হয় আমদানি করা এলএনজি রূপান্তর করে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে থাকা দুই ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে এই গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। শুক্রবার রাতে ঘাটতি ছিল প্রায় ১৬০ কোটি ঘনফুট। দুটি টার্মিনাল চালু থাকলে প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা যেত। এতে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া যায়।

তবে গত ২১ জুলাই আগুনে এক্সিলারেটের টার্মিনালে ত্রুটি দেখা দেয়। এতে সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। দুই সপ্তাহের বেশি সময় পর ৫ আগস্ট দিবাগত রাতে টার্মিনালটি আংশিক চালু হয়। কিন্তু এলএনজি ঘাটতির কারণে এই টার্মিনালের সুবিধা এখন পাওয়া যাচ্ছে না।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত

রোববারের আগে স্বস্তি নেই গ্যাস সরবরাহে