জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

যানবাহনে তেলের সীমা বেঁধে দিল সরকার

মোটরসাইকেলে দৈনিক ২ লিটার ও প্রাইভেটকারে ১০ লিটারের বেশি তেল নেওয়া যাবে না।

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬, ১৭: ৫৮
ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সরবরাহের প্রতীকী ছবি

মধ‍্যপ্রাচ্যের সংঘাতে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ফিলিং স্টেশনে ভিড় ও বেশি বেশি তেল কিনছেন। এমন পরিস্থিতিতে ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিপিসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, একটি মোটরসাইকেলে গ্রাহক দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। প্রাইভেটকারের ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার।

স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাসে দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল নেওয়া যাবে। এছাড়া পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিপিসি জানায়, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটে দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধগ্রস্ত বা বিলম্বিত হয়। চলমান বৈশ্বিক সংকটে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হওয়ায় ভোক্তা ও গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এই অতিরিক্ত চাহিদা পূরণে ডিলাররা বিগত সময়ের তুলনায় অতিরিক্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। তাছাড়া কিছু কিছু ভোক্তা ডিলার/ফিলিং স্টেশন হতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুদ করার চেষ্টা করছেন– এমন খবর প্রকাশ হচ্ছে, যা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বিপিসিসহ সংশ্লিষ্ট সবার নজরে এসেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের জনগণের ভয় ও আতঙ্ক হ্রাস করার লক্ষ্যে জানানো যাচ্ছে– দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে আমদানি কার্যক্রম/সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপনা হতে সারা দেশের সব ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগন/ট্যাংকারের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে।

বিপিসির আশা, স্বল্পসময়ের মধ্যে দেশে জ্বালানি তেলের বাফার স্টক (পর্যাপ্ত মজুদ) গড়ে উঠবে। জনগণের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসি এই সীমা ঠিক করেছে।

সম্পর্কিত