ভারতের আন্দোলনটি অভ্যুত্থানের দিকে যাবে কি না সন্দেহ সারজিসের

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
জামালপুর

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ২০: ৫০
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় ছাত্র শক্তি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন সারজিস আলম। স্ট্রিম ছবি

ভারতে চলমান আন্দোলনটি অভ্যুত্থানের দিকে যাবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যুত্থান দিনে দিনে বড় হয়েছে, কিন্তু ওইখানেরটা (ভারত) একটু কমার সম্ভাবনা দেখতেছি।’

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় ছাত্র শক্তি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সারজিস আলম বলেন, ভারতের আন্দোলনটি অভ্যুত্থানের দিকে যাবে কি না, তা নিয়ে আমি সন্দিহান। বিজেপি একটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল এবং ডানপন্থী রাজনৈতিক দল। তাদের অবস্থাটা কী? যেমন রাহুল গান্ধীকে যেভাবে চ্যাংদোলা করে নিয়ে গেল, এটার ইমপ্যাক্ট পজিটিভ হবে না নেগেটিভ হবে, এই বিষয়গুলো নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অথবা চায়ের দোকান বা অন্য কোথাও তর্ক করতে গিয়ে ধাক্কাধাক্কির পর্যায়ে চলে যাচ্ছে।

এ ছাড়া বিএনপি সরকারের বিশ্ববিদ্যালয় পলিসি নিয়েও কথা বলেন সারজিস আলম। তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের একটি পলিসি নেওয়া উচিত। যেখানে সেখানে দোকান খোলার মতো এত বিশ্ববিদ্যালয় না খুলে, যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বর্তমানে আছে সেগুলোকে কীভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করা যায়, গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা যায়, সেদিকে তাদের নজর দেওয়া উচিত।

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে এখানে প্রায় ১ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। অথচ ছেলেদের এবং মেয়েদের জন্য রয়েছে মাত্র একটি করে হল, যেখানে ছেলেদের হলে মাত্র ১২০-১৫০ জন এবং মেয়েদের হলে ২০০ জনের মতো থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের যদি সকালে ক্লাস শেষে আবার শহরের মেসে গিয়ে গাদাগাদি করে থাকতে হয়, তবে একটি সাধারণ স্কুল-কলেজের সঙ্গে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের তফাত কোথায় রইল?

অনুষ্ঠানে জাতীয় ছাত্র শক্তি ও এনসিপির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Ad 300x250

সম্পর্কিত