বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের পরিবর্তনের অংশ হিসেবে পাঁচটি দুর্বল ইসলামিক ব্যাংক একীভূত করে গঠন করা হয়েছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। এই মার্জারের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে এসব ব্যাংকের আমানতকারীরা ২০২৪ ও ২০২৫ সালের কোনো মুনাফা পাবেন না। এতে আমানতকারীদের প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য আয়ের ক্ষতি হয়েছে। পুরো উদ্যোগটি দেশের ব্যাংকিং সেক্টরের সংকট মোকাবিলা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা ফেরানোর চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক একীভূত হয়ে এই নতুন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকটি তৈরি হয়েছে। ব্যাংক রেজোলিউশন অর্ডিন্যান্স ২০২৫ এর আওতায় সম্পন্ন এই প্রক্রিয়ায় নতুন ব্যাংকটি দেশের সবচেয়ে বড় শরিয়াহভিত্তিক ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন টাকা এবং পেইড আপ ক্যাপিটাল ৩৫ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে সরকারের অবদান ২০ হাজার কোটি টাকা।
দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যাংকগুলো খেলাপি ঋণ, দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও তারল্য সংকটে ভুগছিল, যার ফলে আমানতকারীরা সময়মতো টাকা তুলতে পারছিলেন না এবং আস্থা কমে যায়। এই বাস্তবতায় ২০২৫ সালের জুলাইয়ে মার্জার প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং বোর্ড ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের মধ্য দিয়ে নভেম্বর মাসে তা চূড়ান্ত হয়।
মার্জারের পটভূমি: দুর্বল ব্যাংকগুলোর সংকট
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত দীর্ঘদিন ধরে নন পারফর্মিং লোন, তারল্য সংকট এবং দুর্বল ব্যবস্থাপনার সমস্যায় ভুগছে। বিশেষ করে ইসলামিক ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে এই সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করে, যেখানে খেলাপি ঋণের হার অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ এবং সেই ঋণ আদায়ে ব্যর্থতার কারণে এসব ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে।
এই প্রেক্ষাপটে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মার্জারের আগে এই পাঁচটি ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ২ দশমিক ১৯৬ ট্রিলিয়ন টাকা, যা একীভূত হওয়ার পর নতুন ব্যাংকটিকে দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের নেতৃত্বে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে এই সংকট মোকাবিলায় মার্জার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্যাংকগুলোর স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, আমানতকারীদের অর্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং পুরো ব্যাংকিং সেক্টরে সংস্কার আনা।
এই প্রক্রিয়া ২০২৫ সালের জুলাই মাসে প্রস্তাবনার মাধ্যমে শুরু হয় এবং নভেম্বর মাসে চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। একই সঙ্গে শেয়ারহোল্ডারদের পেইড আপ ক্যাপিটাল সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়, ফলে তারা কোনো ক্ষতিপূরণ পাননি। কর্তৃপক্ষের মতে, এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ব্যাংকিং সেক্টরের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং আমানতকারীদের অর্থ সুরক্ষার স্বার্থে।
মার্জারের প্রক্রিয়া এবং নতুন ব্যাংকের গঠন
মার্জার প্রক্রিয়াটি ছিল সরকার নিয়ন্ত্রিত এবং নজিরবিহীন। বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড ৩০ নভেম্বর ২০২৫ সালে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় এবং এর মাধ্যমে নতুন ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নামে লাইসেন্স পায়। শুরুতে ব্যাংকটির নাম ইউনাইটেড ইসলামী ব্যাংক নির্ধারণ করা হলেও পরে তা পরিবর্তন করা হয়। নতুন ব্যাংকের পেইড আপ ক্যাপিটাল ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা।
পুরোনো পাঁচটি ব্যাংকের সব সম্পদ, দায় এবং জনবল নতুন ব্যাংকের অধীনে আনা হয়েছে। কর্মচারীদের চাকরি বহাল থাকলেও বেতন ও সুযোগ–সুবিধা সমন্বয়ের মাধ্যমে কিছুটা কমানো হলে শুরুতেই সবার মনে প্রশ্ন জাগে—এতে কি গ্রাহক সেবার মানে কিছুটা ভাটা পড়বে? নতুন ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হয়েছে ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে। আমানতকারীরা টাকা তুলতে পারছেন, তবে নির্ধারিত সীমার মধ্যে।
এই মার্জারের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ব্যাংকটির মালিকানা সরকারের হাতে থাকবে এবং পরবর্তী সময়ে কৌশলগত বিনিয়োগকারী খোঁজা হবে। শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষেত্রে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, পুরোনো ব্যাংকগুলোর পেইড আপ ক্যাপিটাল শূন্যে নামিয়ে আনা হয়েছে, ফলে তারা কোনো ক্ষতিপূরণ পাননি। এতে বিতর্ক তৈরি হলেও কর্তৃপক্ষ বলছে, পুরো উদ্যোগটি ব্যাংকিং সেক্টরের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে।
মুনাফার হেয়ারকাট: কারণ ও প্রক্রিয়া
মার্জারের সঙ্গে যুক্ত সবচেয়ে আলোচিত সিদ্ধান্ত হলো আমানতকারীদের মুনাফা হেয়ারকাট। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীরা ২০২৪ ও ২০২৫ সালের কোনো মুনাফা পাবেন না। অডিটে দেখা গেছে, ওই দুই বছরে ব্যাংকগুলো প্রকৃত অর্থে কোনো লাভ করতে পারেনি। উচ্চ খেলাপি ঋণ ও তীব্র তারল্য সংকটের কারণে মুনাফা বিতরণ করা সম্ভব ছিল না। এর ফলে আমানতকারীরা আনুমানিক ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য আয়ের ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক রেজোলিউশন ডিপার্টমেন্ট ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের হিসাব অনুযায়ী আমানত পুনর্গণনা করেছে, যেখানে ১ জানুয়ারি ২০২৪ থেকে কোনো লাভ যোগ করা হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রায় ৬৬ লাখ পরিবারের মূল আমানত সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে আমানতকারীদের মধ্যে ব্যাপক শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
প্রায় ৭৫ লাখ গ্রাহক দুই বছরের মুনাফা না পাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক চাপের মধ্যে পড়েছেন। অনেক বয়স্ক মানুষ এই আয়ের ওপর নির্ভর করে জীবনযাপন করতেন, আবার ছোট ব্যবসায়ীরা দৈনন্দিন খরচ চালাতেন এই টাকার মাধ্যমে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্বেগ ও হতাশার কথা প্রকাশ পাচ্ছে। কেউ লিখেছেন, সন্তানের পড়াশোনার জন্য রাখা টাকা এখন কার্যত অচল হয়ে গেছে। আবার কেউ বলেছেন, কষ্ট হলেও ব্যাংক টিকে থাকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতে এই সিদ্ধান্ত গ্রাহকদের জন্য কষ্টকর হলেও পরিস্থিতির বাস্তবতায় তা অনিবার্য ছিল। মুনাফা হেয়ারকাট না করলে তারল্য সংকট আরও তীব্র হতো এবং শেষ পর্যন্ত মূল আমানত ঝুঁকির মুখে পড়তে পারত। বাংলাদেশ ব্যাংক বারবার আশ্বস্ত করেছে যে আমানতকারীদের মূল অর্থ নিরাপদ থাকবে এবং এই কঠোর পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকিং সেক্টরে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে।
প্রভাব ও সমালোচনা
এই মার্জার এবং হেয়ারকাটের প্রভাব বহুমুখী। ইতিবাচক দিক থেকে, এটি ব্যাংকিং সেক্টরের স্থিতিশীলতা বাড়াবে এবং একটি বড় ইসলামিক ব্যাংক তৈরি করে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করবে। সরকারের ২০,২০০ কোটি টাকার ইনজেকশন (প্রথমে ২০,০০০ কোটি বলা হলেও পরে সামান্য বাড়ানো হয়েছে) সেক্টরকে সহায়তা করবে। তবে নেতিবাচক দিকে, ডিপোজিটরদের লোকসান এবং শেয়ারহোল্ডারদের অধিকারহানি আস্থা হ্রাস করতে পারে। সমালোচকরা বলছেন, এটি একটি 'বেলআউট' যা করদাতাদের টাকায় দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলোকে বাঁচাচ্ছে। এছাড়া, সেক্টরের অন্যান্য সমস্যা সমাধানের জন্য আরও ৭০,০০০ কোটি টাকা দরকার, যা সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করবে। গ্রাহকদের উদ্বেগ এখনও কাটেনি, কিন্তু সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন যে এই কষ্ট স্বল্পমেয়াদি: দীর্ঘমেয়াদে এটি ব্যাংকিং সেক্টরকে শক্তিশালী করবে। যেমন, নতুন ব্যাংকের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ কমবে, তারল্য বাড়বে এবং শরিয়াহ-ভিত্তিক ব্যাংকিংয়ের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার হবে। গ্রাহকদের এই আপাতত কষ্ট হলেও, ব্যাংকটা টিকে থাকার জন্য এবং বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রিতে সুসাধন ফিরে আসার জন্য এই সিদ্ধান্ত অপরিহার্য ছিল। কারণ, যদি এই পদক্ষেপ না নেওয়া হতো, তাহলে পুরো সেক্টরে সংকট ছড়িয়ে পড়ত এবং আরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতো। এই মার্জারের মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টর আরও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যদিও এটি গ্রাহক এবং কর্মচারীদের জন্য স্বল্পমেয়াদি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। গ্রাহকদের মনের অবস্থা বিবেচনায়, এই প্রক্রিয়া তাদের কষ্ট বাড়িয়েছে, কিন্তু এটি ব্যাংকিং সেক্টরের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য। শেষকথায়, এই ব্যাংকগুলোকে বাঁচাতে গেলে এই পদক্ষেপের বাইরে সরকারের কোনো উপায় ছিল না, কারণ এটি সামগ্রিক অর্থনীতির সুরক্ষা এবং শরিয়াহ-ভিত্তিক ব্যাংকিংয়ের বিশ্বাস পুনরুদ্ধারের জন্য জরুরি ছিল।
পাঁচটি ইসলামিক ব্যাংকের মার্জার ও মুনাফা হেয়ারকাট বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরের একটি গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট। এটি সংকটময় অবস্থা থেকে উত্তরণের চেষ্টা হলেও এর সফলতা নির্ভর করবে নতুন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা দক্ষতা, খেলাপি ঋণ হ্রাস এবং গ্রাহকদের আস্থা পুনর্গঠনের ওপর। ভবিষ্যতে যেন এমন সংকট আবার না তৈরি হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকেই আরও বেশি স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি দেশের আর্থিক সংস্কারের একটি অংশ, যা দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক ফল দিতে পারে।
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক বারবার আশ্বস্ত করেছে যে কোনো আমানতকারীর মূল অর্থ হারাবে না এবং সব আমানত সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত থাকবে। এই একীভূতকরণের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেক্টরে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে, শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিংয়ের প্রতি মানুষের আস্থা পুনর্গঠিত হবে এবং ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে। গ্রাহকদের স্বল্পমেয়াদি কষ্ট থাকা সত্ত্বেও, এই ব্যাংকগুলোকে টিকিয়ে রাখতে বাস্তবতায় এর বাইরে আর কোনো কার্যকর পথ ছিল না। সামগ্রিক অর্থনীতির সুরক্ষা এবং লাখো মানুষের আমানত রক্ষার স্বার্থে এই কঠিন সিদ্ধান্ত অপরিহার্য হয়ে উঠেছিল।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন ব্যাংকের কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে গ্রাহকদের মধ্যেও আবার আশা ও স্থিরতা ফিরে আসবে বলে বিশ্বাস করা হচ্ছে। যারা এই কঠিন সময় পার করছেন, তারা যদি ধৈর্য ধরে পরিস্থিতির উন্নতি প্রত্যক্ষ করেন, তবে দেখা যাবে এই সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ব্যাংকিং শিল্পকে আরও সুসংহত, নিরাপদ এবং টেকসই পথে এগিয়ে নিতে সহায়ক হয়েছে।
সূত্র:
১. শেয়ারবীজ, “সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা” - প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর ২০২৫।
২. বিবিসি বাংলা, "পাঁচ ইসলামি ব্যাংক একত্রিত হলে গ্রাহকদের দুশ্চিন্তা কতখানি কাটবে? ” - প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৩. Observer Bangla, "একীভূত পাঁচ ইসলামী ব্যাংক: সম্ভাবনা নাকি শঙ্কা”, - প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
৪. Bangla Tribune, “ এখনই টাকা পাচ্ছেন না একীভূত ব্যাংকের আমানতকারীরা”- প্রকাশিত: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫।
৫. bdnews24.com, “ মার্জার: লাইসেন্স পেল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক” - প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০২৫।
লেখক: অর্থনৈতিক বিশ্লেষক
ইমেইল: shammo4n@gmail.com