সামুদ্রিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশ-জাপান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কেন জরুরি

লেখা:
লেখা:
বদিরুজ্জামান

প্রকাশ : ২৮ মে ২০২৬, ২২: ২৩
স্ট্রিম গ্রাফিক

বৈশ্বিক বাণিজ্য, যোগাযোগ ও জ্বালানি প্রবাহের এক সম্মিলন বিন্দুতে বঙ্গোপসাগরের অবস্থান। এই জলরাশি কেবল বাংলাদেশের নয়; বরং গোটা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানির সিংহভাগই এই উপসাগর নির্ভর, যা একইসঙ্গে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক যোগাযোগের এক সহজ ও বিকল্প মাধ্যম।

অন্যদিকে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৃহৎ শক্তি জাপানের প্রায় ৮০ শতাংশ জ্বালানি এই জলপথ ধরেই পরিবাহিত হয়। ফলে, বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে বাংলাদেশ ও জাপানের যেমন যৌথ স্বার্থ রয়েছে, তেমনি এই জলপথকে নিরাপদ রাখতে উভয়ের যৌথ দায়বদ্ধতাও রয়েছে। এই দায়বদ্ধতাকে সামনে রেখেই বাংলাদেশ-জাপান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রও প্রসারিত হচ্ছে।

বঙ্গোপসাগর নানাবিদ নিরাপত্তা সঙ্কটে ভুগছে। যেমন অবৈধ মৎস্য আহরণ ও অভিবাসন, মানব ও মাদক পাচার, অপরাধী-চক্র ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কর্তৃক অবৈধ অস্ত্রের চোরাচালান। বঙ্গোপসাগরের অবাধ সমুদ্রযাত্রা, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এরূপ নিরাপত্তা সঙ্কটের দরুন চ্যালঞ্জের সম্মুখীন হয়। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়— অর্থাৎ, বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সম্ভাবনা ও উপযোগিতা দৃশ্যমান।

এই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ-জাপান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সম্ভাবনা ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়টি পর্যালোচনা

বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় জাপানের অংশীদারিত্ব সেই ১৯৭২ সাল থেকে। ১৯৭৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের জাপান যাত্রার প্রেক্ষাপটে এই অংশীদারত্বের সূচনা হয়। পরে জাপান সরকারের আমন্ত্রিত প্রথম বাংলাদেশি রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে ১৯৭৮ সালে এবং তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাপান সফর করেন।

দ্বিতীয়-বিশ্বযুদ্ধোত্তর জাপানের অভাবনীয় অগ্রগতিতে অনুপ্রাণিত হয়ে রাষ্ট্রপতি জিয়া বাংলাদেশের কৌশলগত রাডার পশ্চিমমুখী করেন, এবং তিনি পূর্ব-এশিয়ার রপ্তানি-নির্ভর উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের ন্যায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো নির্মাণের প্রচেষ্টা চালান। এই সরকারি সফরের মধ্যদিয়ে ১৯৮০ সালে “জাপান-বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্স এন্ড ইকোনোমিক কো-অপারেশন”-এর সূচনা হয়, যার বদৌলতে বাংলাদেশ প্রথমবারের মত জাপানের ‘অফিশিয়াল ডেভেলপমেন্ট এসিস্টেন্স (ওডিএ)’ লাভ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনেকে জিয়াউর রহমানের এই জাপানযাত্রা দুটিকে বিএনপি’র ‘লুক ইস্ট পলিসি’-এর ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন, যার মূল লক্ষ্য ছিলো জাপানের সাথে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি।

প্রতিরক্ষা সহায়তার এ ধরনের বিকল্প উৎস প্রতিরক্ষা খাতে চীনের ওপর বাংলাদেশের অধিক নির্ভরশীলতা কমাবে। উল্লেখ্য, ওএসএ- প্রোগ্রামের পূর্বেই, ২০২১ সালে, জাপান সরকারের সহায়তার স্মারক হিসেবে চারটি ২০ মিটার এবং বিশটি ১০ মিটারের রেস্কিউ বোট বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বহরে যুক্ত হয়। এই সহায়তার প্রধান উদ্দেশ্য ছিলো বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপর্যয়ে কোস্ট গার্ডের উদ্ধার কার্য ত্বরান্বিত করা।

এই অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের যাত্রা ২০১৪ সালে গিয়ে ‘কম্প্রেহেনসিভ পার্টনারশিপ’-এ রূপ নেয়। এই সময় জাপান বাংলাদেশ সম্পর্কে অর্থনীতির বাহিরেও কৌশলগত দিক গুরুত্ব পেতে শুরু করে। যার ফলে, ২০২৩ সালে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে তার ‘স্ট্রাটেজি পার্টনার’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। কৌশলগত অংশীদারত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ জাপান তার ‘অফিশিয়াল সিকিউরিটি এসিস্ট্যান্স (ওএসএ)’ প্রোগ্রামের প্রথম গ্রহীতা রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে গণ্য করে।

ওএসএ প্রোগ্রামের অধীনে বাংলাদেশকে এরূপ সহায়তাকরণকে অনেক বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি, এই সহায়তা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল, বিশেষত বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে জাপানের কৌশলগত অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে। কারণ, এ অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক উপস্থিতির বিপরীতে জাপানের কেবল অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জাপানকে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নতুন করে সামরিক ও কূটনীতি নির্ভর কৌশলগত অংশীদারত্ব বৃদ্ধিতে উদ্যোগী করে তোলে, যার অন্যতম অনুষঙ্গ তার ‘ফ্রি এন্ড ওপেন ইন্দো-প্যাসিফিক’ ভিশন। এই ভিশনের অংশ হিসেবে জাপান বাংলাদেশের সাথে নতুন আঙ্গিকে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষত, ওএসএ প্রোগ্রামের অধীনে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতে সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রদানে জাপান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।

প্রতিরক্ষা সহায়তার এ ধরনের বিকল্প উৎস প্রতিরক্ষা খাতে চীনের ওপর বাংলাদেশের অধিক নির্ভরশীলতা কমাবে। উল্লেখ্য, ওএসএ- প্রোগ্রামের পূর্বেই, ২০২১ সালে, জাপান সরকারের সহায়তার স্মারক হিসেবে চারটি ২০ মিটার এবং বিশটি ১০ মিটারের রেস্কিউ বোট বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বহরে যুক্ত হয়। এই সহায়তার প্রধান উদ্দেশ্য ছিলো বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপর্যয়ে কোস্ট গার্ডের উদ্ধার কার্য ত্বরান্বিত করা। এছাড়াও কূটনীতি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা উদ্যোগ হিসেবে ‘জাপান মেরিটাইম সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স (জেএমএসডিএফ)’ বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় নোঙর করে। যেমন ২০২২ সালে জাপানের জেএস সামিদারে ও জেএস কাগা নামের দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ভেড়ে।

বাংলাদেশের সামরিক খাতকে আরও আধুনিকায়ন করা এবং উভয় রাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে ত্বরান্বিত করার লক্ষে এগ্রিমেন্টটি স্বাক্ষরিত হয়। জাতিসংঘের সনদের অনুসরণে রচিত এই এগ্রিমেন্টটি উভয় রাষ্ট্রের মাঝে সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তার একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ প্রদান করবে।

বাংলাদেশে জেএমএসডিএফ এ জাতীয় নোঙর ভিড়ানোকে জাপান ‘বাংলাদেশ-জাপান গুডউইল এক্সারসাইস’ হিসেবে বিবেচনা করে। তবে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা প্রসারে ও বঙ্গোপসাগরের অ-প্রথাগত নিরাপত্তা হুমকি প্রতিরোধে এরূপ ‘গুডউইল এক্সারসাইজ’-এর পাশাপাশি বাংলাদেশ-জাপান নৌ-মহড়ার মতো প্রশিক্ষণ কর্মসূচিরও সূচনা করা যেতে পারে।

২০২৩ সালে, বাংলাদেশের সাথে কৌশলগত অংশীদারত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ, জাপান তার ওএসএ-প্রোগ্রামের অধীনে বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীকে পাঁচটি পেট্রোল বোট প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়, যাতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সামুদ্রিক নজরদারির সক্ষমতা আরও উন্নত হয় এবং উভয় দেশের মাঝে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্র বিস্তৃত হয়। তবে, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, ওএসএ প্রোগ্রামের সাহায্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে রয়েছে ইন্দো-প্যাসিফিক, বিশেষত বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে জাপানের ভূ-রাজনৈতিক হিসেবনিকেশ। অর্থাৎ, এ অঞ্চলে চীনের উপস্থিতির বিপরীতে কৌশলগত ভারসাম্য আনয়ন।

উল্লেখ্য, জাপানের অবাধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশনের অধীনে প্রতিরক্ষা সহায়তা কেবল সমমনা দেশগুলোকেই দেওয়া হয়, বাংলাদেশ যাদের অন্তর্ভুক্ত। জাপান মনে করে, এ ধরনের সহায়তা দ্বারা জাপানের অবাধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশনের মূল লক্ষ্য এ অঞ্চলে আইনের শাসন প্রসার, অবাধ সমুদ্রযাত্রার সুযোগ সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ইত্যাদি পূর্ণ হবে।

২০২৫ সালে বাংলাদেশের সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনুসের জাপান সফর বাংলাদেশ-জাপান প্রতিরক্ষা খাতের এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। ড. ইউনুসের এই সফরের মধ্য দিয়ে, ২০২৩ সাল অবধি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি (ডিল) নিয়ে চলমান আলোচনা-পর্যালোচনা একটি কাঠামোগত রূপ লাভ করে, যার ফলে ২০২৬ সালের ০৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ‘ট্র্যান্সফার অব ডিফেন্স ইকুইপমেন্ট এন্ড টেকনোলোজি’ শীর্ষক একটি এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের সামরিক খাতকে আরও আধুনিকায়ন করা এবং উভয় রাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে ত্বরান্বিত করার লক্ষে এগ্রিমেন্টটি স্বাক্ষরিত হয়। জাতিসংঘের সনদের অনুসরণে রচিত এই এগ্রিমেন্টটি উভয় রাষ্ট্রের মাঝে সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তার একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ প্রদান করবে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাত উন্নয়নে যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নের সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেয়। এই এগ্রিমেন্টটি বর্তমানে কার্যকর রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেন যে, এই এগ্রিমেন্টটি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে, বিশেষত বঙ্গপসাগরে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন রাখতে পারে। তাদের ভাষায়, এই এগ্রিমেন্টের যথাযথ প্রয়োগে একদিকে বাংলাদেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সচেতনতা যেমন প্রসারিত হবে, অন্যদিকে বাংলাদেশের সামুদ্রিক বাহিনীগুলোর উন্নত প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি-নির্ভর নজরদারির সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

উল্লেখ্য, এই এগ্রিমেন্টের আলোকে বাংলাদেশ-জাপান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ভিত্তি রচিত হওয়া নির্ভর করছে নব-নির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারের উপর। যেমন মিডিয়ার রিপোর্ট অনুসারে, সম্প্রতি বাংলাদেশের নব-নিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূত এম্বাসেডর সাইদা শিনইচি প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে জাপান সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র প্রদান করেন এবং পাশাপাশি প্রতিরক্ষা এগ্রিমেন্টের বিষয়টিও উল্লেখ করেন। বিপরীতে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, এই এগ্রিমেন্টের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা, কৌশলগত সার্বভৌমত্ব অটুট থাকা এবং প্রতিরক্ষা খাতে বিশেষত সামুদ্রিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি বিষয়গুলো বর্তমান সরকার বিবেচনা করবে।

সম্প্রতি ২১ মে ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে জাপানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা এগ্রিমেন্টের অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। ফলে বাংলাদেশ-জাপান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সম্ভাবনা আরও প্রসারিত হয়েছে, বিশেষত সামুদ্রিক নিরাপত্তার পরিপ্রেক্ষিতে।

এভাবে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশ-জাপান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও প্রতিরক্ষা চুক্তিটি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এটি একদিকে যেমন বাংলাদেশের সামুদ্রিক নজরদারি ও উন্নত প্রযুক্তি সম্বলিত উন্নত প্রশিক্ষণের সম্ভাবনাকে বৃদ্ধি করবে, অন্যদিকে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের অবাধ সমুদ্রযাত্রা, আইনের শাসন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পথকে প্রশস্ত করবে, যেমনটি জাপান তার ‘ফ্রি এন্ড ওপেন ইন্দো-প্যাসিফিক’ ভিশনে জোর দেয়।

লেখক: বদিরুজ্জামান, গবেষণা কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিটাইম রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট (বিমরাড)

সম্পর্কিত