জুলাইয়ের দুই বছর: বিপ্লবের চেয়ে বড় এখন রাষ্ট্র নির্মাণ

প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ১০: ৫৪
জুলাই আন্দোলন ছিল গণমানুষের। ছবি: সংগৃহীত

দুই বছর আগে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস এক নতুন মোড় নিয়েছিল। যে গণঅভ্যুত্থানকে অনেকে আজ ‘বর্ষা-বিপ্লব’ নামে অভিহিত করেন, তা কেবল একটি সরকার পতনের ঘটনা ছিল না। এটি ছিল রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের পুনর্নির্ধারণ।

দীর্ঘদিনের ভয়, নীরবতা ও রাজনৈতিক একচেটিয়াত্বের বিরুদ্ধে জনগণের সম্মিলিত প্রত্যাখ্যান ছিল এই অভ্যুত্থান। সেই অর্থে জুলাই ছিল একটি রাজনৈতিক ঘটনার চেয়েও বড়—এটি ছিল নাগরিক চেতনার পুনর্জন্ম।

কিন্তু ইতিহাস আমাদের আরেকটি শিক্ষা দেয়। বিপ্লবের উত্তাপ যত দ্রুত সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র নির্মাণের কাজ ততই ধীর, কঠিন এবং জটিল। ক্ষমতা পরিবর্তন তুলনামূলক সহজ; কিন্তু ব্যক্তি বা দলের ঊর্ধ্বে উঠে প্রজাতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখার মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারাটাই প্রকৃত পরীক্ষা।

আজ জুলাইয়ের দুই বছর পর বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—কে ক্ষমতায় আছে, তা নয়; বরং রাষ্ট্র কোন পথে এগোচ্ছে। এই সময় তাই আবেগের নয়, আত্মসমীক্ষার। প্রতিশোধের নয়, প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠনের।

সবচেয়ে বড় অর্জন: নাগরিকের জাগরণ

জুলাইয়ের সবচেয়ে বড় অর্জন কোনো রাজনৈতিক দলের নয়; এটি বাংলাদেশের মানুষের। যে তরুণ সমাজকে দীর্ঘদিন রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন বলে মনে করা হতো, তারাই প্রমাণ করেছে যে জনগণের সম্মিলিত ইচ্ছাশক্তির কাছে দীর্ঘস্থায়ী কর্তৃত্ববাদও পরাজিত হতে পারে। রাষ্ট্র পরিচালনার এক মৌলিক সমীকরণ তাই বদলে গেছে। ভয় আর রাষ্ট্রক্ষমতার নির্ভরযোগ্য হাতিয়ার নয়। নাগরিক আর নীরব দর্শক নন; তিনি রাষ্ট্রের সক্রিয় অংশীদার।

এই পরিবর্তন শুধু রাজনৈতিক নয়; এটি সাংস্কৃতিকও। জনগণ এখন জানে, রাষ্ট্র জনগণের জন্য, জনগণ রাষ্ট্রের জন্য নয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলো প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের বিরল সুযোগ। বহু বছর ধরে বিচার বিভাগ, নির্বাচন ব্যবস্থা, আর্থিক নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার যে দাবি ছিল, জুলাই সেই দাবিকে নতুন বৈধতা দিয়েছে। জবাবদিহি, স্বচ্ছতা এবং মেধাভিত্তিক প্রশাসন এখন আর কেবল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়; এগুলো জনগণের ন্যায্য প্রত্যাশা।

অর্জনের মূল্যও ছিল রক্তে লেখা

পৃথিবীতে কোনো বিপ্লবই বিনামূল্যে আসে না। আমাদের ভাইবোনদের, সন্তান-সন্ততিদের রক্তে লেখা জুলাই বিপ্লব শুধু শত শত শহীদের আত্মত্যাগ এবং হাজারো আহত–পঙ্গু মানুষের আজীবনের বেদনা রেখে ম্লান হয়ে যাবে না। কারণ তাদের আত্মত্যাগ আমাদের এবং আমাদের প্রিয় এই রাষ্ট্রের ওপর এক অনিবার্য নৈতিক ঋণ রেখে গেছে। এই ঋণ কেবল অর্থ দিয়ে শোধ করা যাবে না। এই ঋণের মর্যাদা, ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ নির্মাণের মাধ্যমে রক্ষা করা যাবে।

জুলাই বিপ্লব শাসনব্যবস্থার আকস্মিক পরিবর্তন প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক অভিঘাতও সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিনের অর্থপাচার, দুর্বল ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়মের ওপর নতুন রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা যুক্ত হওয়ায় অর্থনীতি অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ে। মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগের অনিশ্চয়তা এবং কর্মসংস্থানের সংকট সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার সাময়িক দুর্বলতা বা ফাঁকের সুযোগে, ভিনদেশী দালালদের অপতৎপরতা কোথাও কোথাও প্রতিশোধপরায়ণতা, সামাজিক উত্তেজনা এমনকি রাজনৈতিক মেরুকরণ উৎসাহিত করেছে। ফলে রাষ্ট্র এখনও এমন এক সূক্ষ্ম ভারসাম্যের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত নতুন সংকট ডেকে আনতে পারে।

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সতর্কবার্তা

ইতিহাসের একটি নির্মম সত্য হলো—অনেক বিপ্লব শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবস্থারই প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে, যাকে উৎখাত করার জন্য তারা জন্ম নিয়েছিল। এই কারণেই বর্তমান নেতৃত্বের সামনে তিনটি মৌলিক সতর্কবার্তা রয়েছে।

প্রথমত, কর্তৃত্ববাদের পদ্ধতি কখনো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। ভিন্নমত দমন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব করা, প্রশাসনকে দলীয় আনুগত্যের যন্ত্রে পরিণত করা কিংবা আইনের প্রয়োগে বৈষম্য—এসবই পূর্ববর্তী শাসনব্যবস্থার পতনের অন্যতম কারণ ছিল। নতুন নামে, নতুন যুক্তিতে কিংবা অন্তর্বর্তী ন্যায়বিচারের অজুহাতে যদি একই পদ্ধতি ফিরে আসে, তবে পরিবর্তন হবে কেবল দৃশ্যপটের মানুষের; রাষ্ট্রের নয়।

দ্বিতীয়ত, জনগণের ধৈর্যেরও সীমা আছে। মানুষ সংস্কার চায়, কিন্তু একই সঙ্গে বাজারদর নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা এবং দক্ষ প্রশাসনও চায়। দীর্ঘ আলোচনার চেয়ে কার্যকর প্রশাসন এবং দৃশ্যমান সংস্কার জনগণের কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তৃতীয়ত, জুলাই কোনো ব্যক্তি, দল বা মতাদর্শের একক সম্পত্তি নয়। শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ, নারী, পেশাজীবী, নাগরিক সমাজ—অগণিত মানুষের সম্মিলিত আত্মত্যাগ এই অভ্যুত্থানকে সম্ভব করেছে। এর উত্তরাধিকার দখলের চেষ্টা নতুন বিভাজনের জন্ম দেবে এবং জাতীয় ঐকমত্যকে দুর্বল করবে।

তাহলে রাষ্ট্রের করণীয় কী

জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। আর ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ একটি নির্বাচিত সরকারের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেছে। ফলে এখন আর পরিবর্তনের রাজনীতি নয়; এখন রাষ্ট্র বিনির্মাণের রাজনীতি। গণঅভ্যুত্থানের শক্তিকে স্থায়ী রাষ্ট্রিক অর্জনে রূপ দিতে হলে সরকারকে কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

প্রথমত, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, আর্থিক নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এমন আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা দিতে হবে, যাতে কোনো বর্তমান বা ভবিষ্যৎ সরকারই দলীয় বা ব্যক্তিগত স্বার্থে সেগুলোকে ব্যবহার করতে না পারে। গণতন্ত্রের স্থায়িত্ব ব্যক্তির সদিচ্ছার ওপর নয়, প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতার ওপর নির্ভর করে।

দ্বিতীয়ত, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এখন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান সাফল্য অর্জনই জনগণের আস্থা সুদৃঢ় করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় শিক্ষা এখানেই—কোনো ব্যক্তি, কোনো দল কিংবা কোনো সরকার রাষ্ট্রের চেয়ে বড় নয়। রাষ্ট্র টিকে থাকে তখনই, যখন প্রতিষ্ঠান ব্যক্তির চেয়ে শক্তিশালী হয়; যখন আইন ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করে, ক্ষমতা আইনকে নয়।

তৃতীয়ত, জুলাইয়ের চেতনাকে জীবন্ত রাখতে শিক্ষার্থী, তরুণ প্রজন্ম, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী সমাজ এবং নাগরিক সমাজের সঙ্গে নিয়মিত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংলাপ অব্যাহত রাখতে হবে। গণতন্ত্র কেবল পাঁচ বছর পরপর ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা নয়; এটি জনগণ ও রাষ্ট্রের মধ্যে অব্যাহত আস্থা, অংশগ্রহণ এবং জবাবদিহির একটি চলমান প্রক্রিয়া।

চতুর্থত, পতিত স্বৈরাচারী সরকারের সর্বব্যাপী বিস্তৃত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আইনের শাসন, জাতীয় পুনর্মিলন, এবং সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করার উদ্যোগ নিতে হবে। জনগণ দুর্নীতি, বিদেশ তোষণ, প্রতিশোধের রাজনীতি নয়; ন্যায়বিচার,পরমতসহিষ্ণুতা, স্থিতিশীলতা,এবং উন্নয়নের রাজনীতি প্রত্যাশা করে। নির্বাচনে বিজয় সরকার গঠনের সাংবিধানিক বৈধতা দেয়, কিন্তু ন্যায়ভিত্তিক শাসনই সেই বৈধতাকে দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতায় রূপ দেয়।

রাষ্ট্রক্ষমতা ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো বিশেষ অধিকার নয়; এটি একটি আমানত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন:

‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দেন, তোমরা যেন আমানত তার হকদারের কাছে পৌঁছে দাও; আর যখন মানুষের মধ্যে বিচার করবে, তখন ন্যায়ভিত্তিক ফয়সালা করবে…।’ (সূরা আন-নিসা, ৪:৫৮)। এই একটি আয়াতেই রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দর্শন নিহিত রয়েছে—ক্ষমতা জনগণের আমানত, আর ন্যায়বিচার রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্ব।

এই আদর্শেরই বাস্তব প্রতিফলন আমরা দেখি খলিফা হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর শাসনে। তাঁর সেই বহুল উদ্ধৃত ঐতিহাসিক উক্তি আজও রাষ্ট্রনায়কদের বিবেককে নাড়া দেয়—‘ফোরাত নদীর তীরে একটি খচ্চরও যদি অনাহারে মারা যায়, তবে আমি আশঙ্কা করি, আল্লাহ উমরের কাছে তারও জবাব চাইবেন।’

এই সত্যই পরবর্তী সময়ে আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তাতেও প্রতিধ্বনিত হয়েছে। মার্কিন সংবিধানের অন্যতম প্রধান রূপকার জেমস ম্যাডিসন লিখেছিলেন, ‘মানুষ যদি ফেরেশতা হতো, তবে কোনো সরকারের প্রয়োজন হতো না।’ অর্থাৎ মানুষ অপূর্ণ বলেই রাষ্ট্রের প্রয়োজন; আর রাষ্ট্রকে ন্যায়ভিত্তিক রাখতে প্রয়োজন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, সংবিধান, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং কার্যকর জবাবদিহি।

একইভাবে ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ লর্ড অ্যাক্টন সতর্ক করেছিলেন—‘ক্ষমতা মানুষকে কলুষিত করার প্রবণতা সৃষ্টি করে; আর নিরঙ্কুশ ক্ষমতা মানুষকে সম্পূর্ণরূপে কলুষিত করে।’ ইতিহাসের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাঁর এই সতর্কবাণীকেই সত্য প্রমাণ করেছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় শিক্ষা এখানেই—কোনো ব্যক্তি, কোনো দল কিংবা কোনো সরকার রাষ্ট্রের চেয়ে বড় নয়। রাষ্ট্র টিকে থাকে তখনই, যখন প্রতিষ্ঠান ব্যক্তির চেয়ে শক্তিশালী হয়; যখন আইন ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করে, ক্ষমতা আইনকে নয়। যখন পরমতসহিষ্ণুতা রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হয়ে ওঠে এবং যখন জনগণের আস্থা রাষ্ট্রের সবচেয়ে মূল্যবান মূলধনে পরিণত হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ একটি নতুন সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছে। এই গণরায় কেবল সরকার পরিচালনার সাংবিধানিক বৈধতা দেয়নি; এটি একটি ঐতিহাসিক দায়িত্বও অর্পণ করেছে। সেই দায়িত্ব হলো—জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে দলীয় বিজয়ে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি ন্যায়ভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় রূপান্তরিত করা।

বাংলাদেশের সংবিধান ঘোষণা করে—‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।’ আর ইসলাম আমাদের শিক্ষা দেয়, ক্ষমতা একটি আমানত, যার হিসাব একদিন আল্লাহর কাছেই দিতে হবে।

জুলাই একটি সরকারকে বিদায় দেওয়ার জন্য ঘটেনি; জুলাই ঘটেছিল রাষ্ট্রকে নতুন করে গড়ে তোলার জন্য। নির্বাচন সেই যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কিন্তু গন্তব্য নয়। প্রকৃত গন্তব্য হলো এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে শাসক নয়, শাসনব্যবস্থা হবে শক্তিশালী; ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠান হবে স্থায়ী; ক্ষমতা নয়, ন্যায়বিচার হবে রাষ্ট্রের পরিচয়।

কারণ বিপ্লব ইতিহাসের সূচনা করতে পারে; কিন্তু ইতিহাসে স্থায়ী সম্মান অর্জন করে কেবল সেই জাতি, যে বিপ্লবের আবেগকে রূপ দেয় ন্যায়, সুশাসন এবং শক্তিশালী রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠানে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত