
মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেরিটাইম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিআইএমআরএডি)

সামরিক শক্তিতে পিছিয়ে থাকলেও একটি ছোট রাষ্ট্র তার ভূ-কৌশলগত অবস্থান, অর্থনীতি, মানবসম্পদ ও বহুমাত্রিক কূটনীতির মাধ্যমে শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে, যার উৎকৃষ্ট উদাহরণ সিঙ্গাপুর। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বঙ্গোপসাগর, ভৌগোলিক অবস্থান ও বিশাল বাজার হলো প্রধান কৌশলগত সম্পদ।
২২ আগস্ট ২০২৬
চুক্তির আসল উদ্দেশ্য যদি মুসলিম দেশগুলোর নিরাপত্তা, প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্থিতিশীলতা বাড়ানো হয়, তবে তা শুধু স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। এর লক্ষ্য হওয়া উচিত আরও বড়। এমন একটি কাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন, যেখানে যেকোনো মুসলিম দেশ বাইরের শত্রুর অবৈধ হামলার শিকার হলে সাহায্য পায়।
২০ আগস্ট ২০২৬
২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট বাংলাদেশের নিরাপত্তা ইতিহাসের একটি কালো অধ্যায়। মাত্র আধা ঘণ্টার মধ্যে দেশের ৬৩টি জেলায় ৪৫৯টি বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছিল। ঘটনাটির দায় জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) স্বীকার করে এবং পরবর্তী তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্বের সম্পৃক্ততা জানা যায়। সেই ঘটনার ২১ বছ
১৭ আগস্ট ২০২৬
কোনো মিথ্যা, ভ্রান্ত ধারণা কিংবা সুবিধাজনক বয়ান যদি সত্যের মুখোমুখি হয়ে টিকে থাকতে না পারে, তাহলে তাকে বাঁচিয়ে রাখার কোনো রাষ্ট্রনৈতিক মূল্য নেই। বরং যে জাতি সত্যকে যতদিন এড়িয়ে যাবে, বাস্তবতার মূল্য তাকে তত বেশি দিতে হবে। বাংলাদেশের জন্য আজ তাই সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন—আমরা কি নিজেদের সম্পর্কে সত্য
১১ আগস্ট ২০২৬
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অন্যতম প্রভাবশালী তত্ত্ববিদ জন জে মিয়ারশাইমারের অফেনসিভ রিয়ালিজম ব্যাখ্যা করে কেন দীর্ঘ ও সতর্ক কূটনৈতিক আলোচনার পরও কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সম্পাদিত অনেক চুক্তি শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে।
২৩ জুলাই ২০২৬
বর্ষা আমাদের নিয়তি। কিন্তু মানবিক বিপর্যয় কোনো নিয়তি নয়। বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি বন্যাপ্রবণ। তাই বন্যা অনিবার্য। কিন্তু বন্যাকে জাতীয় বিপর্যয়ে পরিণত করা অনিবার্য নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা অথবা তার অভাবের প্রতিফলন।
১৯ জুলাই ২০২৬
১৭৮৯ সালের ১৪ই জুলাই। দমবন্ধ করা মধ্যগ্রীষ্মের দাবদাহে প্যারিস তখন স্থবির। চরম হতাশা, পদ্ধতিগত অনাহার আর পুঞ্জীভূত অপমানের তীব্র ক্ষোভে সাধারণ নাগরিকের এক বিশাল জনস্রোত ধেয়ে চলল বাস্তিল দুর্গের পানে।
১৪ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এমনই একটি মুহূর্ত। যা শুধু আমেরিকার ইতিহাসের একটি মাইলফলক নয়; এ হলো সেই আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার জন্যও একটি সংকেত, যা দীর্ঘদিন আমেরিকান শক্তিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এবং এখন একটি রূপান্তরের পর্যায়ে—কক্ষপথে প্রবেশ করছে।
০৫ জুলাই ২০২৬
দুই বছর আগে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস এক নতুন মোড় নিয়েছিল। যে গণঅভ্যুত্থানকে অনেকে আজ ‘বর্ষা-বিপ্লব’ নামে অভিহিত করেন, তা কেবল একটি সরকার পতনের ঘটনা ছিল না। এটি ছিল রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের পুনর্নির্ধারণ।
০১ জুলাই ২০২৬
যদি রাজনীতি সত্যিই নীতির রাজা হয়, তবে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হবে সত্য, ন্যায়, জবাবদিহি ও জনকল্যাণ। আর যদি রাজনীতি রাজার নীতিতে পরিণত হয়, তবে ক্ষমতাই হয়ে উঠবে একমাত্র সত্য।
২৯ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের একটি ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির ঐতিহ্য আছে। আমরা বিভিন্ন বৈশ্বিক শক্তির সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক বজায় রেখেছি। আঞ্চলিক বিরোধে সংযম দেখিয়েছি। কিন্তু সামনের কৌশলগত পরিবেশ হয়তো এই ভারসাম্যকে আরও সুপরিকল্পিত রূপ দেওয়ার দাবি জানাবে।
২৮ জুন ২০২৬
বাংলাদেশে সুনীল অর্থনীতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হলেও এর ভিত্তি হলো নির্ভরযোগ্য সমুদ্র-উপাত্ত। মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা, অফশোর জ্বালানি অনুসন্ধান, সাবমেরিন কেবল স্থাপন, সামুদ্রিক গবেষণা এবং ভবিষ্যৎ গভীর সমুদ্র সম্পদ উন্নয়নের জন্য উচ্চমানের হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য অপরিহার্য।
২১ জুন ২০২৬
আমরা এমন এক সময়ের মধ্যে বাস করছি, যখন মানহানি আলোর গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। একসময় কারও সুনাম নষ্ট করতে হলে সংবাদপত্র, সম্পাদক, যাচাই-বাছাই এবং সময়ের প্রয়োজন হতো। আজ একটি টুইট, একটি বিকৃত স্ক্রিনশট, একটি বিভ্রান্তিকর ভিডিও ক্লিপ কিংবা একটি বেপরোয়া অভিযোগই যথেষ্ট।
১৭ জুন ২০২৬
দীর্ঘ উপকূলরেখায় গড়ে ওঠা এবং ঐতিহাসিক আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে অর্জিত বিশাল একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের অধিকারী একটি দেশের জন্য সমুদ্র সংরক্ষণ কেবল পরিবেশগত বিলাসিতা নয়। এটি জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা, খাদ্য নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় সমৃদ্ধির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
০৮ জুন ২০২৬
আমাদের নিরাপত্তা ও সামরিক পরিকল্পনা দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো বা প্রচলিত ধারণার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত তো বটেই, সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধও প্রমাণ করেছে যে, ভবিষ্যতের যুদ্ধ হবে বহুমাত্রিক বা 'হাইব্রিড', প্রযুক্তি ও নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক এবং মনস্তাত্ত্বিক।
০৬ জুন ২০২৬
ইবনে খালদুন সতর্ক করেছিলেন যে, শাসক শ্রেণী প্রায়শই শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে তাদের যাত্রা শুরু করে, কিন্তু ধীরে ধীরে তারা অহংকার, বিলাসিতা, আত্মরক্ষা এবং সাধারণ নাগরিকদের থেকে বিচ্ছিন্নতার দিকে ধাবিত হয়। রাজনৈতিক এলিটরা যখন ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে মগ্ন হয়ে পড়ে তখন...
০৪ জুন ২০২৬.png)