স্ট্রিম প্রতিবেদক

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ১৯৭২ সালের সংবিধানের আইনি ও কাঠামোগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বলেছেন, ‘স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া এই সংবিধান চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এটি মূলত ভারতীয় সংবিধানের একটি অনুলিপি যা বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে না।’
তিনি বলেন, ‘এই সংবিধানের মাধ্যমেই বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে বিরোধী দল দমন এবং পাহাড়ের আদিবাসীদের ওপর বাঙালি পরিচয় চাপিয়ে দেওয়ার মতো অন্যায্য কাজ করা হয়েছে।’
আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব মন্তব্য করেন। ‘গণভোটের আলোকে জনরায় বাস্তবায়নে গড়িমসি: সরকারের দায় ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম।
সেমিনারে আলোকচিত্রী ও লেখক শহিদুল আলম বলেন, ‘জুলাই সনদ আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু জায়গায় দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্র মেরামতের বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের এই সনদকে আঁকড়ে ধরতে হবে।’
তিনি ২০১৮ সালের ‘রাষ্ট্র মেরামত’ আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘এই লড়াই দীর্ঘদিনের।’ তবে তিনি ছাত্রশিবিরের এ আয়োজনে নারী বক্তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন এবং সাংবাদিকদের প্রোপাগান্ডা এড়িয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির সরকারের আচরণের সমালোচনা করে বলেন, ‘সংবিধান নিজেই জানে তার ভেতরে কী আছে আর কী নেই। কিন্তু সরকারের স্টেকহোল্ডাররা কখনো সংবিধানের দোহাই দিচ্ছেন, আবার কখনো পরিবর্তনের কথা বলছেন। সরকার গণভোটের রায়কে আন্ডা পর্যায়ে রাখতে চায়, কিন্তু ৫ কোটি মানুষের জনরায় ইতোমধ্যে বাচ্চার রূপ নিয়েছে, যা অস্বীকার করার আর কোনো সুযোগ নেই।’
সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘৭২-এর সংবিধান বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও ক্যাম্পাসে নির্যাতনের বৈধতা দিয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ছাত্র-জনতা যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছে, তা বাস্তবায়নে এই ফ্যাসিবাদী সংবিধানের আমূল সংস্কার প্রয়োজন। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও এখন সরকারের মধ্যে জনরায় বাস্তবায়নে গড়িমসি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা অনভিপ্রেত।’
সেমিনারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব তাহসিন রিয়াজ বলেন, ‘হাসিনা রেজিমের ১৬ বছরের ইতিহাস ছিল সংবিধানকে ব্যবহার করে মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী এই সময়ে রাষ্ট্রকে আনসেটেল্ড রেখে একটি বিশেষ মহল পুনরায় ফ্যাসিবাদ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।’
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার ইমরান আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী, জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসানসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিরা।

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ১৯৭২ সালের সংবিধানের আইনি ও কাঠামোগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বলেছেন, ‘স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া এই সংবিধান চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এটি মূলত ভারতীয় সংবিধানের একটি অনুলিপি যা বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে না।’
তিনি বলেন, ‘এই সংবিধানের মাধ্যমেই বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে বিরোধী দল দমন এবং পাহাড়ের আদিবাসীদের ওপর বাঙালি পরিচয় চাপিয়ে দেওয়ার মতো অন্যায্য কাজ করা হয়েছে।’
আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব মন্তব্য করেন। ‘গণভোটের আলোকে জনরায় বাস্তবায়নে গড়িমসি: সরকারের দায় ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম।
সেমিনারে আলোকচিত্রী ও লেখক শহিদুল আলম বলেন, ‘জুলাই সনদ আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু জায়গায় দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্র মেরামতের বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের এই সনদকে আঁকড়ে ধরতে হবে।’
তিনি ২০১৮ সালের ‘রাষ্ট্র মেরামত’ আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘এই লড়াই দীর্ঘদিনের।’ তবে তিনি ছাত্রশিবিরের এ আয়োজনে নারী বক্তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন এবং সাংবাদিকদের প্রোপাগান্ডা এড়িয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির সরকারের আচরণের সমালোচনা করে বলেন, ‘সংবিধান নিজেই জানে তার ভেতরে কী আছে আর কী নেই। কিন্তু সরকারের স্টেকহোল্ডাররা কখনো সংবিধানের দোহাই দিচ্ছেন, আবার কখনো পরিবর্তনের কথা বলছেন। সরকার গণভোটের রায়কে আন্ডা পর্যায়ে রাখতে চায়, কিন্তু ৫ কোটি মানুষের জনরায় ইতোমধ্যে বাচ্চার রূপ নিয়েছে, যা অস্বীকার করার আর কোনো সুযোগ নেই।’
সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘৭২-এর সংবিধান বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও ক্যাম্পাসে নির্যাতনের বৈধতা দিয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ছাত্র-জনতা যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছে, তা বাস্তবায়নে এই ফ্যাসিবাদী সংবিধানের আমূল সংস্কার প্রয়োজন। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও এখন সরকারের মধ্যে জনরায় বাস্তবায়নে গড়িমসি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা অনভিপ্রেত।’
সেমিনারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব তাহসিন রিয়াজ বলেন, ‘হাসিনা রেজিমের ১৬ বছরের ইতিহাস ছিল সংবিধানকে ব্যবহার করে মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী এই সময়ে রাষ্ট্রকে আনসেটেল্ড রেখে একটি বিশেষ মহল পুনরায় ফ্যাসিবাদ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।’
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার ইমরান আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী, জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসানসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিরা।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল গোছাচ্ছে বিএনপি। দলীয় প্রতীকবিহীন নির্বাচনে দলটি একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে স্থানীয় নেতাদের দলের পদ অথবা জনপ্রতিনিধি– দুটির যেকোনো একটি বেছে নিতে বলা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বিএনপিকে যারা ফ্যাসিবাদী বলেন, তাদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে। তাদের মাইনসেটটাই সেভাবে তৈরি হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এখন সেই জায়গা বিএনপি দখল করেছে।
২৬ জুলাই ২০২৬
দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২৫ জুলাই ২০২৬