স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে আট প্রার্থী থাকলেও লড়াই হবে দ্বিমুখী। নবাগত হলেও শাপলা কলির দিলশানা পারুল চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন ধানের শীষের প্রার্থী প্রবীন দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকে।
ভোটাররা বলছেন, পরিচিতি ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে বিএনপি নেতা দেওয়ান সালাউদ্দিন এগিয়ে রয়েছেন। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মুখ ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমর্থনে ভর করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দিলশানা পারুল শক্ত অবস্থান গড়েছেন। শিল্পাঞ্চল হওয়ায়, যে প্রার্থী শ্রমিকদের কাছে টানতে সক্ষম হবেন, ভোটের ফলাফলে তাঁর পাল্লাই ভারী হবে।
ঢাকা-১৯ আসনে মোট ভোটার ৭ লাখ ৪৭ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ৩ লাখ ৭৯ হাজার ও নারী ভোটার ৩ লাখ ৬৭ হাজার।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহপরিবার কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান সালাউদ্দিন ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে তৎকালীন ঢাকা-১২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তৃণমূল থেকে উঠে আসায় তাঁর দলীয় ভোটব্যাংক রয়েছে। বিপরীতে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী দিলশানা পারুল রাজনীতিতে নতুন মুখ। এজন্য শুরু থেকেই তাঁকে প্রচারে বেগ পেতে হচ্ছে।
সাভারের কাঠগড়া এলাকার ভোটার কফিল উদ্দিন স্ট্রিমকে বলেন, এখানে দেওয়ান সালাউদ্দিনকে সবাই চেনে। ভোটাররা হয়তো তাঁর প্রতিই আস্থা রাখবেন। জামায়াতে ইসলামীর আফজাল হোসাইন থাকলে লড়াই জমতো। জামায়াতের লোকজন পারুলকে সহায়তা করছেন। শেষ পর্যন্ত কী হবে, এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না।
শুরুতে জামায়াতের ঢাকা জেলা সেক্রেটারি আফজাল হোসাইন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও, ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অংশ হিসেবে প্রত্যাহার করে নেন। এখানে ১১ দলীয় ঐক্যের একক প্রার্থী দিলশানা পারুল।
অবশ্য শুরুতে এনসিপির প্রার্থী নিয়ে দলটির ভেতরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল। এখানে প্রাথমিক মনোনয়ন পান দলের যুগ্ম সদস্যসচিব ফয়সাল মাহমুদ শান্ত। শেষ মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী দিলশানা পারুলকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়। হঠাৎ পরিবর্তনে স্থানীয় নেতাকর্মীর মধ্যে প্রভাব পড়ে।
এ ব্যাপারে ফয়সাল মাহমুদ শান্ত বলেন, ‘আমি পুরোপুরি সমর্থন দিয়েছি। আমার নেতাকর্মী মাঠে কাজ করছে। দলের অন্যান্য কাজে ব্যস্ত থাকায় আমি হয়তো মাঠে খুব একটা সময় দিতে পারছি না।’
শাপলা কলির প্রার্থী দিলশানা পারুল বলেন, সাভার-আশুলিয়ায় জামায়াতের সাংগঠনিক ভিত্তি খুবই শক্তিশালী। তাদের নারী কর্মীরা আমার জন্য বড় শক্তি, নিরলসভাবে কাজ করছেন। আমার দল এনসিপিসহ সবার ঐক্যবদ্ধ চেষ্টায় জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী। নিজেকে নারী ও শ্রমিকের প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এখানে আগে কখনো নারী প্রার্থী দাঁড়াননি। নারী ও শ্রমিকদের ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছি। ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালট বিপ্লব হবে।’
বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান সালাউদ্দিন বলেন, ‘তৃণমূলের নেতাকর্মী নিয়ে আমরা দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। নির্বাচিত হলে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, চাঁদাবাজমুক্ত এবং বাসযোগ্য সাভার গড়ে তোলাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।’

ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে আট প্রার্থী থাকলেও লড়াই হবে দ্বিমুখী। নবাগত হলেও শাপলা কলির দিলশানা পারুল চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন ধানের শীষের প্রার্থী প্রবীন দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকে।
ভোটাররা বলছেন, পরিচিতি ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে বিএনপি নেতা দেওয়ান সালাউদ্দিন এগিয়ে রয়েছেন। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মুখ ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমর্থনে ভর করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দিলশানা পারুল শক্ত অবস্থান গড়েছেন। শিল্পাঞ্চল হওয়ায়, যে প্রার্থী শ্রমিকদের কাছে টানতে সক্ষম হবেন, ভোটের ফলাফলে তাঁর পাল্লাই ভারী হবে।
ঢাকা-১৯ আসনে মোট ভোটার ৭ লাখ ৪৭ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ৩ লাখ ৭৯ হাজার ও নারী ভোটার ৩ লাখ ৬৭ হাজার।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহপরিবার কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান সালাউদ্দিন ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে তৎকালীন ঢাকা-১২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তৃণমূল থেকে উঠে আসায় তাঁর দলীয় ভোটব্যাংক রয়েছে। বিপরীতে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী দিলশানা পারুল রাজনীতিতে নতুন মুখ। এজন্য শুরু থেকেই তাঁকে প্রচারে বেগ পেতে হচ্ছে।
সাভারের কাঠগড়া এলাকার ভোটার কফিল উদ্দিন স্ট্রিমকে বলেন, এখানে দেওয়ান সালাউদ্দিনকে সবাই চেনে। ভোটাররা হয়তো তাঁর প্রতিই আস্থা রাখবেন। জামায়াতে ইসলামীর আফজাল হোসাইন থাকলে লড়াই জমতো। জামায়াতের লোকজন পারুলকে সহায়তা করছেন। শেষ পর্যন্ত কী হবে, এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না।
শুরুতে জামায়াতের ঢাকা জেলা সেক্রেটারি আফজাল হোসাইন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও, ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অংশ হিসেবে প্রত্যাহার করে নেন। এখানে ১১ দলীয় ঐক্যের একক প্রার্থী দিলশানা পারুল।
অবশ্য শুরুতে এনসিপির প্রার্থী নিয়ে দলটির ভেতরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল। এখানে প্রাথমিক মনোনয়ন পান দলের যুগ্ম সদস্যসচিব ফয়সাল মাহমুদ শান্ত। শেষ মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী দিলশানা পারুলকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়। হঠাৎ পরিবর্তনে স্থানীয় নেতাকর্মীর মধ্যে প্রভাব পড়ে।
এ ব্যাপারে ফয়সাল মাহমুদ শান্ত বলেন, ‘আমি পুরোপুরি সমর্থন দিয়েছি। আমার নেতাকর্মী মাঠে কাজ করছে। দলের অন্যান্য কাজে ব্যস্ত থাকায় আমি হয়তো মাঠে খুব একটা সময় দিতে পারছি না।’
শাপলা কলির প্রার্থী দিলশানা পারুল বলেন, সাভার-আশুলিয়ায় জামায়াতের সাংগঠনিক ভিত্তি খুবই শক্তিশালী। তাদের নারী কর্মীরা আমার জন্য বড় শক্তি, নিরলসভাবে কাজ করছেন। আমার দল এনসিপিসহ সবার ঐক্যবদ্ধ চেষ্টায় জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী। নিজেকে নারী ও শ্রমিকের প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এখানে আগে কখনো নারী প্রার্থী দাঁড়াননি। নারী ও শ্রমিকদের ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছি। ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালট বিপ্লব হবে।’
বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান সালাউদ্দিন বলেন, ‘তৃণমূলের নেতাকর্মী নিয়ে আমরা দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। নির্বাচিত হলে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, চাঁদাবাজমুক্ত এবং বাসযোগ্য সাভার গড়ে তোলাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।’

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
১ ঘণ্টা আগে
শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে বলে অভিযোগ করেছে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)। এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবির পাশাপাশি নির্বাচনের আগে দমন-পীড়ন বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বানও জানিয়েছে সংগঠনটি।
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনার পরিবারকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার যেকোনো চিন্তাকে শহীদের রক্তের সঙ্গে প্রতারণা বলে জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
৩ ঘণ্টা আগে
সীমানা সংক্রান্ত আইনি জটিলতা শেষে উৎসবের আমেজ ফিরেছে পাবনা-১ (সাঁথিয়া ও বেড়ার একাংশ) আসনে। প্রচারণার শেষ মুহূর্তে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা সমাধানের একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
৩ ঘণ্টা আগে