স্ট্রিম প্রতিবেদক

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে বলে অভিযোগ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)। এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবির পাশাপাশি নির্বাচনের আগে দমন-পীড়ন বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বানও জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে এনপিএর মুখপাত্র নাজিফা জান্নাত, তুহিন খান ও ফেরদৌস আরা রুমী এসব দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার ওসমান হাদির বিচারের দাবিতে সমবেত আন্দোলনকারী ও সাংবাদিকদের লাঠিচার্জের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে। এটি গভীর উদ্বেগের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংযম ও সংলাপের সুযোগ থাকলেও বলপ্রয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যা প্রশাসনের কৌশল ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে।
এনপিএ মুখপাত্ররা বলেন, নির্বাচনের মাত্র ৫ দিন আগে এ ধরনের সহিংসতা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তোলে এবং অযথা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এতে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। পরিস্থিতি ঘোলাটে করে নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টার অভিযোগ উঠছে। এতে যে সরকারের ভেতরের কোনো অংশের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা নেই, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।
শহীদ ওসমান হাদির বিচারের দাবিকে সংকীর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, যারা এই হত্যার বিচার চান, তাদের সজাগ থাকতে হবে যেন এই ন্যায়সংগত দাবি কোনো গোষ্ঠীগত রাজনৈতিক স্বার্থের হাতিয়ারে পরিণত না হয়।
বিবৃতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি জনসমক্ষে প্রকাশ এবং দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এনপিএ সহিংসতা নয়, আইনের শাসন চায়। একই সঙ্গে তৃতীয় কোনো শক্তির ষড়যন্ত্রে নির্বাচন বানচালের সুযোগ যেন তৈরি না হয়, সে জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সতর্কতা ও সহনশীলতা অবলম্বনের আহ্বানও জানানো হয়।

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে বলে অভিযোগ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)। এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবির পাশাপাশি নির্বাচনের আগে দমন-পীড়ন বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বানও জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে এনপিএর মুখপাত্র নাজিফা জান্নাত, তুহিন খান ও ফেরদৌস আরা রুমী এসব দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার ওসমান হাদির বিচারের দাবিতে সমবেত আন্দোলনকারী ও সাংবাদিকদের লাঠিচার্জের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে। এটি গভীর উদ্বেগের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংযম ও সংলাপের সুযোগ থাকলেও বলপ্রয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যা প্রশাসনের কৌশল ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে।
এনপিএ মুখপাত্ররা বলেন, নির্বাচনের মাত্র ৫ দিন আগে এ ধরনের সহিংসতা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তোলে এবং অযথা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এতে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। পরিস্থিতি ঘোলাটে করে নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টার অভিযোগ উঠছে। এতে যে সরকারের ভেতরের কোনো অংশের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা নেই, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।
শহীদ ওসমান হাদির বিচারের দাবিকে সংকীর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, যারা এই হত্যার বিচার চান, তাদের সজাগ থাকতে হবে যেন এই ন্যায়সংগত দাবি কোনো গোষ্ঠীগত রাজনৈতিক স্বার্থের হাতিয়ারে পরিণত না হয়।
বিবৃতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি জনসমক্ষে প্রকাশ এবং দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এনপিএ সহিংসতা নয়, আইনের শাসন চায়। একই সঙ্গে তৃতীয় কোনো শক্তির ষড়যন্ত্রে নির্বাচন বানচালের সুযোগ যেন তৈরি না হয়, সে জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সতর্কতা ও সহনশীলতা অবলম্বনের আহ্বানও জানানো হয়।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল গোছাচ্ছে বিএনপি। দলীয় প্রতীকবিহীন নির্বাচনে দলটি একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে স্থানীয় নেতাদের দলের পদ অথবা জনপ্রতিনিধি– দুটির যেকোনো একটি বেছে নিতে বলা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বিএনপিকে যারা ফ্যাসিবাদী বলেন, তাদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে। তাদের মাইনসেটটাই সেভাবে তৈরি হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এখন সেই জায়গা বিএনপি দখল করেছে।
২৬ জুলাই ২০২৬
দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২৫ জুলাই ২০২৬