স্ট্রিম প্রতিবেদক

পবিত্র কোরআনের বিধান অনুযায়ী পুরুষরাই নারীদের ‘পরিচালক’—এই নীতির কথা উল্লেখ করে দলের শীর্ষ পদে নারী আমির হওয়ার সুযোগ না থাকার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ। জামায়াত নেত্রীদের মতে, দলের শীর্ষ পদে যাওয়াটা তাদের কাছে ‘মুখ্য’ বিষয় নয়।
আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে দলটির নারী নেত্রীরা এমন যুক্তি তুলে ধরেন। এর আগে বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক করে। এই প্রতিনিধিদলে দলটির মহিলা বিভাগের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রিফিংয়ে মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, ইসলামি আদর্শ অনুসরণ করার কারণেই জামায়াতে ইসলামীতে নারীদের শীর্ষ নেতৃত্বে আসার সুযোগ নেই। সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো নারী প্রার্থী না দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এটি সংগঠনের একটি অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত।
দলগত অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি ইসলামি আদর্শভিত্তিক সংগঠন। ফলে ইসলাম মেনে চলাই তাদের জন্য স্বাভাবিক। কোরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “পবিত্র কোরআনে পুরুষকে নারীদের পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি ইসলামের একটি নির্দেশ এবং ফরজ। সে অনুযায়ী কোনো ইসলামি সংগঠনে নারীরা শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে পারেন না। এই নীতিকে মেনেই আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি এবং সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”
নূরুন্নিসা সিদ্দিকা মন্তব্য করেন, শীর্ষ পদে নারী থাকা তাদের কাছে বড় কোনো বিষয় নয়। তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো নারীদের অধিকার আদায় হচ্ছে কি না এবং তারা যথাযথ সম্মান ও নিরাপত্তা পাচ্ছেন কি না। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশে দুজন নারী দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু তাতে নারীদের সব সমস্যার সমাধান হয়েছে কি না কিংবা সহিংসতা কমেছে কি না—সে প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, শুধু শীর্ষ পদে নারী থাকলেই অবস্থার পরিবর্তন হয়—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। নারী বা পুরুষ যেই নেতৃত্বে থাকুক না কেন, তাকে মানবিক হতে হবে। নারী-পুরুষ সবার মর্যাদা নিশ্চিত করলেই সমাজে প্রকৃত পরিবর্তন আসতে পারে। এ কারণেই জামায়াতে ইসলামীতে ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠাই তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
জামায়াতে ইসলামীর নারী উইংয়ের প্রধান হাবিবা চৌধুরী বলেন, দেশের মোট ভোটারের প্রায় ৫০ শতাংশ নারী। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। তাঁর দাবি, আসন্ন নির্বাচন নারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে একটি ‘গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে’ নারীদের ভয় দেখিয়ে ভোট থেকে দূরে রাখার চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন জেলায় জামায়াত সংশ্লিষ্ট নারী কর্মীদের ওপর হামলার অন্তত ১৫টি ঘটনার তথ্য তাঁরা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন। এসব ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কাজ করছে বলে তিনি দাবি করেন।
জামায়াতের নারী নেত্রীরা দাবি করেন, তাঁদের সংগঠন নারীদের সম্মান ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংগঠনের উপদেষ্টা ও নির্বাহী কমিটিতে ৪০ শতাংশের বেশি নারী প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। এছাড়া নারী নেতৃত্ব তৈরিতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে তাঁরা অভিযোগ করেন, মাঠপর্যায়ে এখনো ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত হয়নি। সাম্প্রতিক কয়েকটি হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পথে বড় বাধা। জামায়াত নেত্রীরা নির্বাচন কমিশনের প্রতি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তাঁরা বলেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কিছু ‘অযৌক্তিক অভিযোগ’ তোলা হচ্ছে।

পবিত্র কোরআনের বিধান অনুযায়ী পুরুষরাই নারীদের ‘পরিচালক’—এই নীতির কথা উল্লেখ করে দলের শীর্ষ পদে নারী আমির হওয়ার সুযোগ না থাকার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ। জামায়াত নেত্রীদের মতে, দলের শীর্ষ পদে যাওয়াটা তাদের কাছে ‘মুখ্য’ বিষয় নয়।
আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে দলটির নারী নেত্রীরা এমন যুক্তি তুলে ধরেন। এর আগে বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক করে। এই প্রতিনিধিদলে দলটির মহিলা বিভাগের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রিফিংয়ে মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, ইসলামি আদর্শ অনুসরণ করার কারণেই জামায়াতে ইসলামীতে নারীদের শীর্ষ নেতৃত্বে আসার সুযোগ নেই। সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো নারী প্রার্থী না দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এটি সংগঠনের একটি অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত।
দলগত অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি ইসলামি আদর্শভিত্তিক সংগঠন। ফলে ইসলাম মেনে চলাই তাদের জন্য স্বাভাবিক। কোরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “পবিত্র কোরআনে পুরুষকে নারীদের পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি ইসলামের একটি নির্দেশ এবং ফরজ। সে অনুযায়ী কোনো ইসলামি সংগঠনে নারীরা শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে পারেন না। এই নীতিকে মেনেই আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি এবং সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”
নূরুন্নিসা সিদ্দিকা মন্তব্য করেন, শীর্ষ পদে নারী থাকা তাদের কাছে বড় কোনো বিষয় নয়। তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো নারীদের অধিকার আদায় হচ্ছে কি না এবং তারা যথাযথ সম্মান ও নিরাপত্তা পাচ্ছেন কি না। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশে দুজন নারী দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু তাতে নারীদের সব সমস্যার সমাধান হয়েছে কি না কিংবা সহিংসতা কমেছে কি না—সে প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, শুধু শীর্ষ পদে নারী থাকলেই অবস্থার পরিবর্তন হয়—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। নারী বা পুরুষ যেই নেতৃত্বে থাকুক না কেন, তাকে মানবিক হতে হবে। নারী-পুরুষ সবার মর্যাদা নিশ্চিত করলেই সমাজে প্রকৃত পরিবর্তন আসতে পারে। এ কারণেই জামায়াতে ইসলামীতে ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠাই তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
জামায়াতে ইসলামীর নারী উইংয়ের প্রধান হাবিবা চৌধুরী বলেন, দেশের মোট ভোটারের প্রায় ৫০ শতাংশ নারী। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। তাঁর দাবি, আসন্ন নির্বাচন নারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে একটি ‘গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে’ নারীদের ভয় দেখিয়ে ভোট থেকে দূরে রাখার চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন জেলায় জামায়াত সংশ্লিষ্ট নারী কর্মীদের ওপর হামলার অন্তত ১৫টি ঘটনার তথ্য তাঁরা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন। এসব ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কাজ করছে বলে তিনি দাবি করেন।
জামায়াতের নারী নেত্রীরা দাবি করেন, তাঁদের সংগঠন নারীদের সম্মান ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংগঠনের উপদেষ্টা ও নির্বাহী কমিটিতে ৪০ শতাংশের বেশি নারী প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। এছাড়া নারী নেতৃত্ব তৈরিতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে তাঁরা অভিযোগ করেন, মাঠপর্যায়ে এখনো ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত হয়নি। সাম্প্রতিক কয়েকটি হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পথে বড় বাধা। জামায়াত নেত্রীরা নির্বাচন কমিশনের প্রতি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তাঁরা বলেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কিছু ‘অযৌক্তিক অভিযোগ’ তোলা হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৫ আসনে (ফুলতলা-ডুমুরিয়া) বিএনপির প্রার্থী আলি আসগার লবির কাছে হেরে গেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেতে চলেছে বিএনপি। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টা পর্যন্ত ১৮৯ আসনের বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে। এতে বিএনপি এককভাবে ১২৭ আসনে জয় পেয়েছে। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৪৯টিতে বিজয়ী হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জমা দেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনের ফলাফল গণনায় অস্বাভাবিক বিলম্ব এবং ফল পরিবর্তনের অভিযোগে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রাত প্রায় ৪টার দিকে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
৪ ঘণ্টা আগে