স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসন থেকে ‘রিকশা’ প্রতীকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির এবং ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হক। তিনি বলেছেন, ‘আসন্ন নির্বাচনে মুনাফেকি করে আগামীর বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। যারা গোপনে “না” ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছে, তারা মুনাফেকি করছে।’
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শহীদ পার্ক মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশের মধ্য দিয়ে তিনি নির্বাচনি কার্যক্রমের সূচনা করেন।
মামুনুল হকের সমর্থনে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হোসাইন ও জামায়াতের প্রতিনিধি শফিউর রহমানসহ ১০ দলীয় জোটের নেতারা।
সমাবেশে মামুনুল হক বলেন, ‘এই নির্বাচন শুধু সংসদ নির্বাচন নয়; এটি জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠার গণভোট। দুর্ভাগ্যজনকভাবে একটি মহল প্রকাশ্যে জুলাই সনদের পক্ষে কথা বললেও গোপনে “না” ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছে। পরিষ্কার বলতে চাই, এমন দ্বিচারিতা ও মুনাফেকি করে আগামীর বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না।’
মোহাম্মদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের সহযাত্রী হিসেবে নিজেকে উল্লেখ করেন মামুনুল হক। তিনি বলেন, ‘আমি মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগরকে সন্ত্রাস, জুলুম, চাঁদাবাজ এবং মাদকের হাত থেকে মুক্ত করার স্লোগান নিয়ে মাঠে নেমেছি। ইনশাআল্লাহ এই জনপদকে চাঁদাবাজ ও আধিপত্যবাদমুক্ত করে ছাড়ব।’
মামুনুল হক আরও বলেন, ‘আজকের এই মঞ্চে ৭১, ২৪ এবং ১৩-এর শহীদদের উত্তরাধিকারীরা উপস্থিত হয়েছেন। আমরা সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে চাই। ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও মোহাম্মদপুরে আমার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। এটি ঢাকা-১৩ আসনে একটি “আইকনিক ঐক্যের” রূপরেখা তৈরি করেছে।’
বিগত ৫৪ বছরেও মানুষ স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল ঘরে তুলতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে দেশকে জিম্মি করে রেখেছিল। তার বিরুদ্ধেই ২০২৪-এর ছাত্র-জনতা ফুঁসে উঠেছিল। ৭১-এর কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার ফসল ঘরে তুলতেই ২৪-এর জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।’
নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে শান্তিপূর্ণ প্রচারণার প্রতিশ্রুতি দেন মামুনুল হক। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধান শক্তি হলো সত্যবাদিতা ও নীতি-নৈতিকতা। আমরা বাইরে এক আর ভেতরে আরেক রকম করব না। যা বলব, জীবন দিয়ে হলেও তা বাস্তবায়ন করব।’ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ষড়যন্ত্রকারীরা প্রত্যাখ্যাত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসন থেকে ‘রিকশা’ প্রতীকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির এবং ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হক। তিনি বলেছেন, ‘আসন্ন নির্বাচনে মুনাফেকি করে আগামীর বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। যারা গোপনে “না” ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছে, তারা মুনাফেকি করছে।’
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শহীদ পার্ক মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশের মধ্য দিয়ে তিনি নির্বাচনি কার্যক্রমের সূচনা করেন।
মামুনুল হকের সমর্থনে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হোসাইন ও জামায়াতের প্রতিনিধি শফিউর রহমানসহ ১০ দলীয় জোটের নেতারা।
সমাবেশে মামুনুল হক বলেন, ‘এই নির্বাচন শুধু সংসদ নির্বাচন নয়; এটি জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠার গণভোট। দুর্ভাগ্যজনকভাবে একটি মহল প্রকাশ্যে জুলাই সনদের পক্ষে কথা বললেও গোপনে “না” ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছে। পরিষ্কার বলতে চাই, এমন দ্বিচারিতা ও মুনাফেকি করে আগামীর বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না।’
মোহাম্মদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের সহযাত্রী হিসেবে নিজেকে উল্লেখ করেন মামুনুল হক। তিনি বলেন, ‘আমি মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগরকে সন্ত্রাস, জুলুম, চাঁদাবাজ এবং মাদকের হাত থেকে মুক্ত করার স্লোগান নিয়ে মাঠে নেমেছি। ইনশাআল্লাহ এই জনপদকে চাঁদাবাজ ও আধিপত্যবাদমুক্ত করে ছাড়ব।’
মামুনুল হক আরও বলেন, ‘আজকের এই মঞ্চে ৭১, ২৪ এবং ১৩-এর শহীদদের উত্তরাধিকারীরা উপস্থিত হয়েছেন। আমরা সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে চাই। ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও মোহাম্মদপুরে আমার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। এটি ঢাকা-১৩ আসনে একটি “আইকনিক ঐক্যের” রূপরেখা তৈরি করেছে।’
বিগত ৫৪ বছরেও মানুষ স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল ঘরে তুলতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে দেশকে জিম্মি করে রেখেছিল। তার বিরুদ্ধেই ২০২৪-এর ছাত্র-জনতা ফুঁসে উঠেছিল। ৭১-এর কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার ফসল ঘরে তুলতেই ২৪-এর জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।’
নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে শান্তিপূর্ণ প্রচারণার প্রতিশ্রুতি দেন মামুনুল হক। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধান শক্তি হলো সত্যবাদিতা ও নীতি-নৈতিকতা। আমরা বাইরে এক আর ভেতরে আরেক রকম করব না। যা বলব, জীবন দিয়ে হলেও তা বাস্তবায়ন করব।’ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ষড়যন্ত্রকারীরা প্রত্যাখ্যাত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অধিবেশন শুরুর আগেই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সংসদ ভবনের প্রবেশপথে তিন দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
১২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার। এদিন সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে বসছে নতুন সরকারের প্রথম অধিবেশন। অধিবেশন ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছে সংসদ সচিবালয়।
২১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রাথমিক সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
১ দিন আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ এবং রাষ্ট্রপতির অপসারণ ইস্যুতে দল-মত নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে