স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার প্রশ্নের উত্তরে সংসদ নেতা কিছুই বলছেন না অভিযোগ করে জামায়াতে ইসলাম বলছে, ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর বদলে ‘অন্য একজন’ কথা বলছেন।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টরাল সিস্টেমস (আইএফইএস) বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন দলটির নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।
সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, ‘আমরা ওয়েস্ট মিনিস্টার সিস্টেম ফলো করি। এই সিস্টেমে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিরোধী দলীয় নেতা কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করলে বিপরীতে পার্লামেন্ট নেতা উত্তর দেন। কিন্তু সংসদ অধিবেশনের প্রথম দুদিন আমরা দেখলাম প্রধানমন্ত্রী কিছুই বলছেন না। তিনি মোটামুটি চুপচাপই থাকছেন। অন্য একজন বলছেন। এটা আসলে পার্লামেন্টের গুড প্র্যাকটিস না।’
বর্তমান সংসদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা জানিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমরা দেখেছি প্রথম দিন থেকেই ভিন্ন দিকে সরকারি দল হাঁটা শুরু করেছে। সংস্কার পরিষদের তারা শপথ নেয়নি। গণভোটের অধ্যাদেশকে বাতিলের প্রস্তাব তারা নিয়ে আসতে যাচ্ছে। জুলাই সনদ অনুযায়ী সংসদের বিভিন্ন কমিটিতে বিরোধীদলীয় সংসদদের প্রধান করার কথা সেগুলোও বাস্তবায়ন হয় নাই।’
সংসদের কার্যপ্রণালিতে (রুলস অব প্রসিডিউর) পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার জুলাই সনদের ব্যাপারে প্রত্যাশিত উদ্যোগ না নিয়ে গণভোট-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্যোগ নিচ্ছে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, সংসদে ভালো ভূমিকা পালনের জন্য ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ গুরুত্বপূর্ণ। ছায়া মন্ত্রিসভার মাধ্যমে এটা সম্ভব হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশে এর কোনো লিগ্যাল সুযোগ নাই। জামায়াত প্রথম থেকেই মনে করছে, ছায়া মন্ত্রিসভার আইনি সুযোগ থাকা উচিত। যাতে করে আমরা মিনিস্ট্রিতে প্রয়োজনীয় ইনফরমেশনগুলো পেতে পারি এবং সংসদের ভেতরে বিষয়গুলো নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আলোচনা করতে পারি। কারণ অন্ধকারে তো আসলে কোনো কিছু করা যায় না।
সাইফুল আলম খান মিলন জানান, আইএফইএসও ইতিমধ্যে সরকারের সঙ্গে কয়েক দফা মিটিং করেছে। বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে কথা বলেছে। যেসব বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেসব বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করা হবে।
মতবিনিময় সভায় সাইফুল আলম খান মিলন ছাড়াও জামায়াতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট শিশির মনির ও জামায়াতের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী।

জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার প্রশ্নের উত্তরে সংসদ নেতা কিছুই বলছেন না অভিযোগ করে জামায়াতে ইসলাম বলছে, ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর বদলে ‘অন্য একজন’ কথা বলছেন।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টরাল সিস্টেমস (আইএফইএস) বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন দলটির নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।
সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, ‘আমরা ওয়েস্ট মিনিস্টার সিস্টেম ফলো করি। এই সিস্টেমে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিরোধী দলীয় নেতা কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করলে বিপরীতে পার্লামেন্ট নেতা উত্তর দেন। কিন্তু সংসদ অধিবেশনের প্রথম দুদিন আমরা দেখলাম প্রধানমন্ত্রী কিছুই বলছেন না। তিনি মোটামুটি চুপচাপই থাকছেন। অন্য একজন বলছেন। এটা আসলে পার্লামেন্টের গুড প্র্যাকটিস না।’
বর্তমান সংসদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা জানিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমরা দেখেছি প্রথম দিন থেকেই ভিন্ন দিকে সরকারি দল হাঁটা শুরু করেছে। সংস্কার পরিষদের তারা শপথ নেয়নি। গণভোটের অধ্যাদেশকে বাতিলের প্রস্তাব তারা নিয়ে আসতে যাচ্ছে। জুলাই সনদ অনুযায়ী সংসদের বিভিন্ন কমিটিতে বিরোধীদলীয় সংসদদের প্রধান করার কথা সেগুলোও বাস্তবায়ন হয় নাই।’
সংসদের কার্যপ্রণালিতে (রুলস অব প্রসিডিউর) পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার জুলাই সনদের ব্যাপারে প্রত্যাশিত উদ্যোগ না নিয়ে গণভোট-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্যোগ নিচ্ছে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, সংসদে ভালো ভূমিকা পালনের জন্য ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ গুরুত্বপূর্ণ। ছায়া মন্ত্রিসভার মাধ্যমে এটা সম্ভব হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশে এর কোনো লিগ্যাল সুযোগ নাই। জামায়াত প্রথম থেকেই মনে করছে, ছায়া মন্ত্রিসভার আইনি সুযোগ থাকা উচিত। যাতে করে আমরা মিনিস্ট্রিতে প্রয়োজনীয় ইনফরমেশনগুলো পেতে পারি এবং সংসদের ভেতরে বিষয়গুলো নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আলোচনা করতে পারি। কারণ অন্ধকারে তো আসলে কোনো কিছু করা যায় না।
সাইফুল আলম খান মিলন জানান, আইএফইএসও ইতিমধ্যে সরকারের সঙ্গে কয়েক দফা মিটিং করেছে। বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে কথা বলেছে। যেসব বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেসব বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করা হবে।
মতবিনিময় সভায় সাইফুল আলম খান মিলন ছাড়াও জামায়াতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট শিশির মনির ও জামায়াতের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে যারা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল, তারা নতুন চেহারা নিয়ে হাজির হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় ওয়াজ-কীর্তন যেমন হবে, তেমনি বাউল গানের আসরও বসবে। এসবে কারও বাধা বরদাশত করব না।
৭ ঘণ্টা আগে
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বিএনপি। বেলা আড়াইটায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এই সভা শুরু হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামকে দ্বিতীয় সারিতে রাখা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে