স্ট্রিম প্রতিবেদক

নুতন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই দেশের ৮ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পরিবর্তনকে অস্বাভাবিক ও উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। কোন যুক্তিতে এবং কী অপরাধের ভিত্তিতে আগের অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগ করা উপাচার্যদের অপসারণ করা হয়েছে সরকারের কাছে তা জানতে চেয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৮ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সরকারি সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, ঈদের ছুটিতে যখন দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কার্যত বন্ধ; শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পরিবার-পরিজনের সঙ্গে কাটাচ্ছেন– এমন সময়ে গত ১৬ মার্চ শিক্ষামন্ত্রী হঠাৎ ঘোষণা দিয়ে দেশের আটটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তন করেছেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘দলীয় বিবেচনায় এই পদক্ষেপ দেশের উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে এক অস্বাভাবিক, নজিরবিহীন ও উদ্বেগজনক ঘটনা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জাতির বিবেক গঠনের কেন্দ্র। অথচ উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের পরিবর্তে দলীয় আনুগত্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মর্যাদাকেই ক্ষুণ্ন করে না, বরং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থাকেও মারাত্মকভাবে নষ্ট করে।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আমরা মনে করি, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার কঠোর অনুসরণ অপরিহার্য। আমরা জানতে চাই, কোন যুক্তিতে এবং কী অপরাধের ভিত্তিতে পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগ দেওয়া উপাচার্যদের অপসারণ করা হলো? যেখানে তুলনামূলক বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, নিয়োগ পাওয়া ৮ উপাচার্যের মধ্যে সাতজনই শিক্ষা ও গবেষণায় পূর্ববর্তীদের চেয়ে পিছিয়ে এবং প্রায় সবাই সরকারি দল এবং তার অঙ্গসংগঠনের পদধারী।’
চার বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্যদের মেয়াদ পূর্ণ করার সুযোগ দিতে হবে জানিয়ে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘যদি সরকার একান্তই পরিবর্তন করতে চায়, তবে তা অবশ্যই সংসদে আলোচনা সাপেক্ষে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য সার্চ কমিটির মাধ্যমে করতে হবে। যেই কমিটিতে সরকার ও বিরোধীদল উভয়ের প্রতিনিধিত্ব থাকবে।’

নুতন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই দেশের ৮ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পরিবর্তনকে অস্বাভাবিক ও উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। কোন যুক্তিতে এবং কী অপরাধের ভিত্তিতে আগের অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগ করা উপাচার্যদের অপসারণ করা হয়েছে সরকারের কাছে তা জানতে চেয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৮ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সরকারি সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, ঈদের ছুটিতে যখন দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কার্যত বন্ধ; শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পরিবার-পরিজনের সঙ্গে কাটাচ্ছেন– এমন সময়ে গত ১৬ মার্চ শিক্ষামন্ত্রী হঠাৎ ঘোষণা দিয়ে দেশের আটটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তন করেছেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘দলীয় বিবেচনায় এই পদক্ষেপ দেশের উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে এক অস্বাভাবিক, নজিরবিহীন ও উদ্বেগজনক ঘটনা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জাতির বিবেক গঠনের কেন্দ্র। অথচ উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের পরিবর্তে দলীয় আনুগত্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মর্যাদাকেই ক্ষুণ্ন করে না, বরং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থাকেও মারাত্মকভাবে নষ্ট করে।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আমরা মনে করি, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার কঠোর অনুসরণ অপরিহার্য। আমরা জানতে চাই, কোন যুক্তিতে এবং কী অপরাধের ভিত্তিতে পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগ দেওয়া উপাচার্যদের অপসারণ করা হলো? যেখানে তুলনামূলক বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, নিয়োগ পাওয়া ৮ উপাচার্যের মধ্যে সাতজনই শিক্ষা ও গবেষণায় পূর্ববর্তীদের চেয়ে পিছিয়ে এবং প্রায় সবাই সরকারি দল এবং তার অঙ্গসংগঠনের পদধারী।’
চার বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্যদের মেয়াদ পূর্ণ করার সুযোগ দিতে হবে জানিয়ে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘যদি সরকার একান্তই পরিবর্তন করতে চায়, তবে তা অবশ্যই সংসদে আলোচনা সাপেক্ষে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য সার্চ কমিটির মাধ্যমে করতে হবে। যেই কমিটিতে সরকার ও বিরোধীদল উভয়ের প্রতিনিধিত্ব থাকবে।’

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে