স্ট্রিম প্রতিবেদক

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির ১৯৭১ সালের বিতর্কিত ভূমিকা অস্বীকার করে এবং জাতির কাছে ক্ষমা না চেয়ে উল্টো একটি নতুন বয়ান দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। তেমনি ভবিষ্যতে অন্য কোনো রাজনৈতিক শক্তিও জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নিজেদের মতো করে ভিন্ন বয়ান দাঁড় করানোর চেষ্টা করতে পারে—যার লক্ষণ আমরা ইতোমধ্যেই দেখতে পাচ্ছি।’
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সাড়ে ৮টায় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে সকালে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রাকিবুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় জীবনে যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, সেই স্বাধীনতার প্রকৃত প্রত্যাশা আজও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি বলে আমরা মনে করি। একটি ক্ষুধামুক্ত, বৈষম্যহীন, সত্যিকারের স্বাধীন এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের যে স্বপ্ন ছিল, তা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে একটি ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বিদায় জানাতে গিয়ে ২ হাজারেরও অধিক ছাত্র-জনতাকে জীবন দিতে হয়েছে। এরপরও আমরা সেই পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতার স্বাদ পুরোপুরি অর্জন করতে পারিনি। নতুন নতুন বাস্তবতা ও সংকট দেশে প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হচ্ছে।’
জাতীয় স্মৃতিসৌধে জামায়াতের শ্রদ্ধা নিবেদনের ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘একটি বিষয় অত্যন্ত পরিতাপের—ইতিহাস বিকৃতি। আমরা লক্ষ্য করছি, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল, যাদের ১৯৭১ সালে ভূমিকা ছিল বিতর্কিত, তারা আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করছে, স্লোগান দিচ্ছে এবং বক্তব্য দিচ্ছে। কিন্তু ২৫ মার্চের সেই কালরাত্রি নিয়ে তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে আমাদের মা-বোনদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে, অসংখ্য মানুষ শহীদ হয়েছেন—সেসবের পেছনে রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনীর ভূমিকা ছিল, যার ইতিহাস আজ বিকৃত করার চেষ্টা চলছে।’
তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এই ইতিহাস বিকৃত করে যদি কেউ নতুন করে বয়ান তৈরি করতে চায় এবং মনে করে ১৯৭১ বা ২৬ মার্চকে নিজেদের মতো করে উপস্থাপন করবে—তাহলে আমি মনে করি, তা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থী।’
ভবিষ্যতে অন্য কোনো রাজনৈতিক শক্তিও জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নিজেদের মতো করে ভিন্ন বয়ান দাঁড় করানোর চেষ্টা করতে পারে— আশঙ্কা প্রকাশ করে ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, ‘এভাবে একটি রাষ্ট্র যুগের পর যুগ চলতে পারে না। তাই আমি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানাই— তারা যেন ইতিহাসের প্রতি নিজেদের দায় স্বীকার করে, সত্যকে মেনে নেয়। এরপর তারা রাজনীতি করুক, এতে কোনো সমস্যা নেই। যদি এই বিকৃতি অব্যাহত থাকে, তাহলে আমার আশঙ্কা-ভবিষ্যতে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান নিয়েও ইতিহাস বিকৃতির আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।‘

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির ১৯৭১ সালের বিতর্কিত ভূমিকা অস্বীকার করে এবং জাতির কাছে ক্ষমা না চেয়ে উল্টো একটি নতুন বয়ান দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। তেমনি ভবিষ্যতে অন্য কোনো রাজনৈতিক শক্তিও জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নিজেদের মতো করে ভিন্ন বয়ান দাঁড় করানোর চেষ্টা করতে পারে—যার লক্ষণ আমরা ইতোমধ্যেই দেখতে পাচ্ছি।’
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সাড়ে ৮টায় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে সকালে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রাকিবুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় জীবনে যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, সেই স্বাধীনতার প্রকৃত প্রত্যাশা আজও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি বলে আমরা মনে করি। একটি ক্ষুধামুক্ত, বৈষম্যহীন, সত্যিকারের স্বাধীন এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের যে স্বপ্ন ছিল, তা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে একটি ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বিদায় জানাতে গিয়ে ২ হাজারেরও অধিক ছাত্র-জনতাকে জীবন দিতে হয়েছে। এরপরও আমরা সেই পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতার স্বাদ পুরোপুরি অর্জন করতে পারিনি। নতুন নতুন বাস্তবতা ও সংকট দেশে প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হচ্ছে।’
জাতীয় স্মৃতিসৌধে জামায়াতের শ্রদ্ধা নিবেদনের ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘একটি বিষয় অত্যন্ত পরিতাপের—ইতিহাস বিকৃতি। আমরা লক্ষ্য করছি, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল, যাদের ১৯৭১ সালে ভূমিকা ছিল বিতর্কিত, তারা আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করছে, স্লোগান দিচ্ছে এবং বক্তব্য দিচ্ছে। কিন্তু ২৫ মার্চের সেই কালরাত্রি নিয়ে তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে আমাদের মা-বোনদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে, অসংখ্য মানুষ শহীদ হয়েছেন—সেসবের পেছনে রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনীর ভূমিকা ছিল, যার ইতিহাস আজ বিকৃত করার চেষ্টা চলছে।’
তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এই ইতিহাস বিকৃত করে যদি কেউ নতুন করে বয়ান তৈরি করতে চায় এবং মনে করে ১৯৭১ বা ২৬ মার্চকে নিজেদের মতো করে উপস্থাপন করবে—তাহলে আমি মনে করি, তা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থী।’
ভবিষ্যতে অন্য কোনো রাজনৈতিক শক্তিও জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নিজেদের মতো করে ভিন্ন বয়ান দাঁড় করানোর চেষ্টা করতে পারে— আশঙ্কা প্রকাশ করে ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, ‘এভাবে একটি রাষ্ট্র যুগের পর যুগ চলতে পারে না। তাই আমি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানাই— তারা যেন ইতিহাসের প্রতি নিজেদের দায় স্বীকার করে, সত্যকে মেনে নেয়। এরপর তারা রাজনীতি করুক, এতে কোনো সমস্যা নেই। যদি এই বিকৃতি অব্যাহত থাকে, তাহলে আমার আশঙ্কা-ভবিষ্যতে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান নিয়েও ইতিহাস বিকৃতির আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।‘

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কুচকাওয়াজের শুরুতে সনাতনীদের ধর্মগ্রন্থ গীতা থেকে পাঠ না করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান বলেছেন, ‘এবার রাজাকাররা স্মৃতিসৌধে আসছে। এটা মনে হচ্ছে যে আমরা একটা লজ্জাজনক অবস্থায় পড়ে গেছি। একটা বেইজ্জতির মধ্যে পড়ে গেছি।’
২ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্র সংস্কার যদি সংসদ বা পার্লামেন্টে বাস্তবায়ন না হয়, তবে তা রাজপথে বা মাঠে গড়াবে এবং অপরাধীদের বিচার হতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
৫ ঘণ্টা আগে
অসাম্প্রদায়িক এবং শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন এখনও পর্যন্ত অধরা রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স।
৫ ঘণ্টা আগে