স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটকে নিয়েই ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলো যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, স্বাক্ষর করেছে, তা প্রধানমন্ত্রী অক্ষরে অক্ষরে পালন করার কথা বলেছেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন যুগপৎ সঙ্গীদের নিয়ে বিএনপি করবে কিনা– প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের যে আইন হয়েছে, তাতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয়ভাবে প্রার্থী দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ফলে আমার মনে হয়, এটি নিয়ে এখন আলোচনা না করলেও পারি। তবে প্রতিটি বিষয় আমরা পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে করব।’
গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোট, সমমনা জাতীয়তাবাদী জোট, গণতান্ত্রিক বাম জোট, ইসলাম ঐক্যজোটসহ ৪১টি দলের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠকে অংশ নেন। সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে যমুনায় আমন্ত্রিত নেতাদের জন্য রাখা উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্দিষ্ট স্থানে আসেন সরকারপ্রধান। এরপর প্রতিটি টেবিল ঘুরে ঘুরে নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। পরে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ২০২৪ সালে জুলাইয়ে রক্তক্ষয়ী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা ফ্যাসিবাদ হাসিনা সরকারকে সরিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করার সুযোগ পেয়েছি। আমরা আন্তরিকভাবে সেই সব শহীদদের স্মরণ করতে চাই, যাঁরা তাদের জীবন দিয়ে, আহত হয়ে, চোখ হারিয়ে আমাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছেন।
তিনি বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রী এই আন্দোলনে বিএনপির সঙ্গে যারা ছিলেন, যারা একসঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করেছেন দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর, তাদের নেতাদের আহ্বান জানিয়েছিলেন কথা বলার জন্য; একসঙ্গে সামান্য ডাল-ভাত খাওয়ার জন্য।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর যাবৎ একসঙ্গে আন্দোলন করেছি। আমরা কেউ কারাগারে গেছি, কেউ মামলার মধ্যে পড়েছি, কেউ গুম-খুন হয়েছে– এ রকম অনেকেই আছেন। এখানে আজ এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী তাদের সবার সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে দেখা করেন, প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলেন। আমাদের অনেকগুলো রাজনৈতিক দল, তারা কথা বলেছে। সবাই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকারের প্রশংসা করেছেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন– ‘সরকারের পাঁচ মাসের মধ্যে সম্ভব হয়নি বিভিন্ন কাজের তাড়াহুড়ার জন্য বা কাজের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সব দলগুলোর সঙ্গে কথা বলার। কিন্তু এর মধ্যে সরকার যে কাজগুলো করেছে, সেগুলো ছিল জনগণের একদম কাছাকাছি যাওয়ার’। সবচেয়ে বড় কথা, সরকারকে গুছিয়ে জনগণের কাছে নিয়ে যাওয়ার কাজটা প্রধানমন্ত্রী শুরু করেছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে, একটা ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে আমরা কাজ শুরু করেছি। একেবারেই অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে, লুট করে নিয়ে গেছে সমস্ত ব্যাংকগুলো, সব জায়গায় একটা নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছিল, সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেঙে ফেলেছিল। সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবার প্রধানমন্ত্রী গড়ে তোলবার জন্য কাজ শুরু করেছেন। এ কথাগুলোই আজকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বলেছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যত দ্রুত সম্ভব বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসবেন। রাজনৈতিক দলগুলো আবার কাজ করবে একসঙ্গে। সবচেয়ে বড় জিনিস তিনি বলেছেন– ‘যে ৩১ দফা কর্মসূচি আমরা একসঙ্গে দিয়েছিলাম, সেগুলো বাস্তবায়িত হবে। জুলাই সনদ যেটা আমরা সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করেছি, সেই জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে’।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, সরকার গঠনের পাঁচ মাস পরে একটা বড় ঘটনা প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছেন, তাদের সবার সঙ্গে বসলেন, কথা বললেন এবং ভবিষ্যতের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করলেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে সরকার গঠনের পর এটি আন্দোলনে শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর। সন্ধ্যায় যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শরিক দলগুলোর নেতাদের একে একে যমুনায় প্রবেশ করেন।
যমুনায় যাওয়া নেতাদের মধ্যে আছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল এবং দলটির নেতা ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক প্রমুখ।

ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটকে নিয়েই ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলো যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, স্বাক্ষর করেছে, তা প্রধানমন্ত্রী অক্ষরে অক্ষরে পালন করার কথা বলেছেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন যুগপৎ সঙ্গীদের নিয়ে বিএনপি করবে কিনা– প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের যে আইন হয়েছে, তাতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয়ভাবে প্রার্থী দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ফলে আমার মনে হয়, এটি নিয়ে এখন আলোচনা না করলেও পারি। তবে প্রতিটি বিষয় আমরা পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে করব।’
গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোট, সমমনা জাতীয়তাবাদী জোট, গণতান্ত্রিক বাম জোট, ইসলাম ঐক্যজোটসহ ৪১টি দলের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠকে অংশ নেন। সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে যমুনায় আমন্ত্রিত নেতাদের জন্য রাখা উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্দিষ্ট স্থানে আসেন সরকারপ্রধান। এরপর প্রতিটি টেবিল ঘুরে ঘুরে নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। পরে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ২০২৪ সালে জুলাইয়ে রক্তক্ষয়ী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা ফ্যাসিবাদ হাসিনা সরকারকে সরিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করার সুযোগ পেয়েছি। আমরা আন্তরিকভাবে সেই সব শহীদদের স্মরণ করতে চাই, যাঁরা তাদের জীবন দিয়ে, আহত হয়ে, চোখ হারিয়ে আমাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছেন।
তিনি বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রী এই আন্দোলনে বিএনপির সঙ্গে যারা ছিলেন, যারা একসঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করেছেন দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর, তাদের নেতাদের আহ্বান জানিয়েছিলেন কথা বলার জন্য; একসঙ্গে সামান্য ডাল-ভাত খাওয়ার জন্য।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর যাবৎ একসঙ্গে আন্দোলন করেছি। আমরা কেউ কারাগারে গেছি, কেউ মামলার মধ্যে পড়েছি, কেউ গুম-খুন হয়েছে– এ রকম অনেকেই আছেন। এখানে আজ এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী তাদের সবার সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে দেখা করেন, প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলেন। আমাদের অনেকগুলো রাজনৈতিক দল, তারা কথা বলেছে। সবাই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকারের প্রশংসা করেছেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন– ‘সরকারের পাঁচ মাসের মধ্যে সম্ভব হয়নি বিভিন্ন কাজের তাড়াহুড়ার জন্য বা কাজের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সব দলগুলোর সঙ্গে কথা বলার। কিন্তু এর মধ্যে সরকার যে কাজগুলো করেছে, সেগুলো ছিল জনগণের একদম কাছাকাছি যাওয়ার’। সবচেয়ে বড় কথা, সরকারকে গুছিয়ে জনগণের কাছে নিয়ে যাওয়ার কাজটা প্রধানমন্ত্রী শুরু করেছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে, একটা ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে আমরা কাজ শুরু করেছি। একেবারেই অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে, লুট করে নিয়ে গেছে সমস্ত ব্যাংকগুলো, সব জায়গায় একটা নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছিল, সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেঙে ফেলেছিল। সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবার প্রধানমন্ত্রী গড়ে তোলবার জন্য কাজ শুরু করেছেন। এ কথাগুলোই আজকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বলেছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যত দ্রুত সম্ভব বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসবেন। রাজনৈতিক দলগুলো আবার কাজ করবে একসঙ্গে। সবচেয়ে বড় জিনিস তিনি বলেছেন– ‘যে ৩১ দফা কর্মসূচি আমরা একসঙ্গে দিয়েছিলাম, সেগুলো বাস্তবায়িত হবে। জুলাই সনদ যেটা আমরা সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করেছি, সেই জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে’।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, সরকার গঠনের পাঁচ মাস পরে একটা বড় ঘটনা প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছেন, তাদের সবার সঙ্গে বসলেন, কথা বললেন এবং ভবিষ্যতের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করলেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে সরকার গঠনের পর এটি আন্দোলনে শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর। সন্ধ্যায় যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শরিক দলগুলোর নেতাদের একে একে যমুনায় প্রবেশ করেন।
যমুনায় যাওয়া নেতাদের মধ্যে আছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল এবং দলটির নেতা ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে শরিক দলের নেতারা তাদের প্রতি সরকারের অবমূল্যায়ন, যোগাযোগের ঘাটতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে উপেক্ষিত হওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জবাবে প্রধানমন্ত্রী আগামীতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলার বিষয়ে আশ্বাস দেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি ঘটনার খোঁজখবর নিয়ে সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
তরুণীর সঙ্গে সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও ফাঁস হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) রাতে ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে আসার পরে ওই তরুণীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেছেন গাজী নজরুল।
২০ ঘণ্টা আগে
ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে আমন্ত্রিত নেতাদের জন্য রাখা উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্দিষ্ট স্থানে আসেন তিনি।
২০ জুলাই ২০২৬