স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে আমন্ত্রিত নেতাদের জন্য রাখা উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্দিষ্ট স্থানে আসেন তিনি।
এরপর প্রতিটি টেবিল ঘুরে ঘুরে নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন সরকারপ্রধান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু হয়।
ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে শরিক ৪১টি দলের নেতাদের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এর মধ্যে গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২-দলীয় জোট, সমমনা জাতীয়তাবাদী জোট, গণতান্ত্রিক বাম জোট, ইসলামী ঐক্যজোটসহ ইসলামী দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, আন্দোলনের সময়ে গঠিত লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত আছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে সরকার গঠনের পর এটি আন্দোলনে শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রীর। সন্ধ্যায় যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শরিক দলগুলোর নেতাদের একে একে যমুনায় প্রবেশ করেন।
বৈঠকে অংশ নিতে যাওয়া নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। তবে নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোর সঙ্গে বিএনপির বর্তমান সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
যমুনায় যাওয়া নেতাদের মধ্যে আছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল এবং দলটির নেতা ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক প্রমুখ।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, ‘দাওয়াতপত্রে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ উল্লেখ রয়েছে। টুকটাক আলোচনা হয়তো হবে। প্রতিটি দল থেকে পাঁচজন করে আমন্ত্রণ জানানোয় অনেক লোক হবে। ফলে এই ধরনের বড় বৈঠকে সিরিয়াস রাজনৈতিক আলাপের সুযোগ খুব একটা থাকে না। তারপরও আমার ধারণা, কিছু আলাপ-আলোচনা হবে।’

ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে আমন্ত্রিত নেতাদের জন্য রাখা উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্দিষ্ট স্থানে আসেন তিনি।
এরপর প্রতিটি টেবিল ঘুরে ঘুরে নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন সরকারপ্রধান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু হয়।
ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে শরিক ৪১টি দলের নেতাদের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এর মধ্যে গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২-দলীয় জোট, সমমনা জাতীয়তাবাদী জোট, গণতান্ত্রিক বাম জোট, ইসলামী ঐক্যজোটসহ ইসলামী দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, আন্দোলনের সময়ে গঠিত লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত আছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে সরকার গঠনের পর এটি আন্দোলনে শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রীর। সন্ধ্যায় যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শরিক দলগুলোর নেতাদের একে একে যমুনায় প্রবেশ করেন।
বৈঠকে অংশ নিতে যাওয়া নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। তবে নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোর সঙ্গে বিএনপির বর্তমান সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
যমুনায় যাওয়া নেতাদের মধ্যে আছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল এবং দলটির নেতা ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক প্রমুখ।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, ‘দাওয়াতপত্রে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ উল্লেখ রয়েছে। টুকটাক আলোচনা হয়তো হবে। প্রতিটি দল থেকে পাঁচজন করে আমন্ত্রণ জানানোয় অনেক লোক হবে। ফলে এই ধরনের বড় বৈঠকে সিরিয়াস রাজনৈতিক আলাপের সুযোগ খুব একটা থাকে না। তারপরও আমার ধারণা, কিছু আলাপ-আলোচনা হবে।’

ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটকে নিয়েই ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
সরকার গঠনের প্রায় পাঁচ মাস পর যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে বসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক হবে।
১৯ জুলাই ২০২৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীর নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিধান সংযোজনের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা সংশোধনে দলটির পক্ষ থেকে মতামত জানিয়ে এটিসহ ৯ দফা দাবির চিঠি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দেওয়া হয়েছে।
১৯ জুলাই ২০২৬জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংসদে দাবি আদায়ের চেষ্টা করবে বিরোধী দল। আদায় না হলে রাজপথে লড়াই হবে, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
১৯ জুলাই ২০২৬