স্ট্রিম সংবাদদাতা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন (শাকসু) নিয়ে ছাত্রদলের অবস্থানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে ছাত্রশিবিরসহ শিক্ষার্থীরা। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় শাবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবন-১ এর সামনে এ কর্মসূচি করেন তারা।
ছাত্রদলের নাম না নিয়ে এ সময় শাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ২০ জানুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে শাকসু নির্বাচন হওয়ার কথা। অথচ একটি মহল এটি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করছে। তাদের শাখা সংগঠন নির্বাচনের কথা বললেও কেন্দ্রীয় সংগঠন বিপক্ষে। এটি দ্বিচারিতা ছাড়া কিছুই নয়।
রোববার সকালে শাকসু নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ‘বিতর্কিত সিদ্ধান্ত’ প্রত্যাহারসহ তিন দাবিতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবন ঘেরাও করে ছাত্রদল। এই কর্মসূচির পরিপ্রেক্ষিতে শাবিপ্রবিতে প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়।
গত ১২ জানুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রজ্ঞাপন দিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচন স্থগিত করে। পরে ১৫ জানুয়ারি রাতে ইসি সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা আরেক প্রজ্ঞাপনে শাকসু নির্বাচনের অনুমতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ছাত্রদলের অভিযোগ, বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাব এবং হস্তক্ষেপে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন বিষয়ে নির্বাচন কমিশন নজিরবিহীন ও বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অশনিসংকেত।
তাদের বাকি দুই দাবির মধ্যে রয়েছে– পোস্টাল ব্যালট-সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত, যা নির্বাচনপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর সংশয় সৃষ্টি করেছে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপের মুখে দায়িত্বশীল ও যৌক্তিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে হঠকারী ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ, যা কমিশনের স্বাধীনতা ও পেশাদারিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে অবস্থান ও ঘেরাও কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচিতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরসহ সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের কমিটির কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ সময় নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে একটি শ্রেণি দেশে খারাপ পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা করছে। ছাত্রদল এই অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
পরে সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে বৈঠকে বসে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংগঠন বিক্ষোভ করলেও শাবিপ্রবি ছাত্রদল বলেছে, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল থেকে তাদের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্রদল প্যানেলের এজিএস পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘কেন্দ্র সংগঠন থেকে আমাদের কিছু বলা হয়নি। তাই আমরা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছি।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন (শাকসু) নিয়ে ছাত্রদলের অবস্থানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে ছাত্রশিবিরসহ শিক্ষার্থীরা। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় শাবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবন-১ এর সামনে এ কর্মসূচি করেন তারা।
ছাত্রদলের নাম না নিয়ে এ সময় শাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ২০ জানুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে শাকসু নির্বাচন হওয়ার কথা। অথচ একটি মহল এটি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করছে। তাদের শাখা সংগঠন নির্বাচনের কথা বললেও কেন্দ্রীয় সংগঠন বিপক্ষে। এটি দ্বিচারিতা ছাড়া কিছুই নয়।
রোববার সকালে শাকসু নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ‘বিতর্কিত সিদ্ধান্ত’ প্রত্যাহারসহ তিন দাবিতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবন ঘেরাও করে ছাত্রদল। এই কর্মসূচির পরিপ্রেক্ষিতে শাবিপ্রবিতে প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়।
গত ১২ জানুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রজ্ঞাপন দিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচন স্থগিত করে। পরে ১৫ জানুয়ারি রাতে ইসি সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা আরেক প্রজ্ঞাপনে শাকসু নির্বাচনের অনুমতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ছাত্রদলের অভিযোগ, বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাব এবং হস্তক্ষেপে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন বিষয়ে নির্বাচন কমিশন নজিরবিহীন ও বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অশনিসংকেত।
তাদের বাকি দুই দাবির মধ্যে রয়েছে– পোস্টাল ব্যালট-সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত, যা নির্বাচনপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর সংশয় সৃষ্টি করেছে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপের মুখে দায়িত্বশীল ও যৌক্তিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে হঠকারী ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ, যা কমিশনের স্বাধীনতা ও পেশাদারিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে অবস্থান ও ঘেরাও কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচিতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরসহ সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের কমিটির কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ সময় নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে একটি শ্রেণি দেশে খারাপ পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা করছে। ছাত্রদল এই অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
পরে সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে বৈঠকে বসে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংগঠন বিক্ষোভ করলেও শাবিপ্রবি ছাত্রদল বলেছে, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল থেকে তাদের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্রদল প্যানেলের এজিএস পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘কেন্দ্র সংগঠন থেকে আমাদের কিছু বলা হয়নি। তাই আমরা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছি।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে