রংপুরে ১১ দলের লংমার্চের সমাপনী সমাবেশ, আসছে নেতাকর্মীরা

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
রংপুর

রংপুরে ১১ দলের লংমার্চের সমাপনী সমাবেশের জন্য প্রস্তুত করা মঞ্চ। ছবি: সংগৃহীত
রংপুরে ১১ দলের লংমার্চের সমাপনী সমাবেশের জন্য প্রস্তুত করা মঞ্চ। ছবি: সংগৃহীত

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচারসহ আট দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলের ঢাকা-রংপুর লং মার্চের সমাপনী সমাবেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশকে কেন্দ্র করে মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। দুপুর থেকে সমাবেশস্থল ও নগরীর বিভিন্ন সড়কে লং মার্চে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের আনাগোনা বাড়তে থাকে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সমাপনী সমাবেশে ১১ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেবেন। বিকেল পাঁচটায় সমাবেশের মূল কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। রংপুর বিভাগের আট জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি আশা করছে ১১ দল।

সমাবেশে যোগ দিতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে রংপুরে এসেছেন ইউসুফ আলী। তিনি বলেন, সমাবেশে অংশ নিতে সকালে রংপুরে এসেছি। কর্মসূচিতে বড় পরিসরে মানুষের অংশগ্রহণ হবে বলে আশা করছি।

গঙ্গাচড়া থেকে আসা মিলটন ইসলাম বলেন, অনেক দূর থেকে সমাবেশে যোগ দিতে এসেছি। দাবিগুলো নিয়ে নেতাদের বক্তব্য শুনতে এসেছি। বিশেষ করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সমাবেশের সাউন্ড সিস্টেমের দায়িত্বে থাকা নাজমুল ডেকোরেটরের কর্মী অমূল্য চন্দ্র রায় জানান, মাঠে ৮০টি এবং মাঠের বাইরে বিভিন্ন সড়কে ১২০টি মাইক টাঙানো হয়েছে। মঞ্চ তৈরি ও মাইক স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে।

সমাপনী সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির রংপুর মহানগরের সদস্যসচিব আব্দুল মালেক বলেন, সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে লং মার্চ রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। সমাপনী সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন। তিনি আট জেলার অন্তত পাঁচ লাখ নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সমাগমের প্রত্যাশা করেন।

১১ দল ঘোষিত দাবির মধ্যে রয়েছে- গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন।

এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চে ছয় দফা দাবি সামনে রেখেছিল ১১ দল। রংপুরের কর্মসূচিতে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধের পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি যুক্ত হয়েছে। জাতীয় দাবির সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের তিস্তা ইস্যুও এবারের কর্মসূচিতে গুরুত্ব পেয়েছে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত