ওলিউর রহমান

রমজান বিদায় নিয়েছে। কিন্তু ইবাদতের দরজা তো বন্ধ হয়নি। একজন মুমিনের জন্য ইবাদত কোনো নির্দিষ্ট মাসে সীমাবদ্ধ নয়। বছরজুড়েই তা অব্যাহত থাকে। শাওয়ালের ৬ রোজা, জিলহজের আরাফার রোজা, মুহাররমের আশুরার রোজা, প্রতি মাসের আইয়ামে বীজ– এসব নফল রোজা যেন মুমিনের জীবনে তাকওয়ার ধারা সচল রাখার বিভিন্ন ধাপ।
ঈদের আনন্দ শেষে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসার এই সময়ে শাওয়ালের ৬ রোজা আমাদের জন্য এক বিশেষ সুযোগ হয়ে আসে, যা রমজানের অর্জনকে ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং ইবাদতের ধারাবাহিকতা অটুট রাখে।
হাদিসের আলোকে শাওয়ালের রোজা
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল, তারপর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন সারা বছর রোজা রাখল।’ (সহিহ মুসলিম)
সারা বছর রোজা রাখা কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু শাওয়াল মাসে ৬ রোজা রাখতে পারলে আল্লাহ তাআলা সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব প্রদান করবেন। এটি আল্লাহ তাআলার অনেক বড় অনুগ্রহ।
কেন এই রোজা গুরুত্বপূর্ণ
শাওয়ালের ৬ রোজা শুধু একটি নফল ইবাদত নয়; এটি একটি আধ্যাত্মিক ধারাবাহিকতা।
১. রমজানের গ্রহণযোগ্যতার আলামত
উলামায়ে কেরাম বলেন, কোনো নেক আমলের পর আরেকটি নেক আমল করার তাওফিক পাওয়া, পূর্ববর্তী আমল কবুল হওয়ার একটি সুসংবাদ।
২. ইবাদতের ধারাবাহিকতা রক্ষা
রমজানে আমরা তাকওয়া ও সংযমের যে অভ্যাস গড়ে তুলি, তা যেন হঠাৎ করেই থেমে না যায়। এই ছয়টি রোজা সেই ধারাকে সচল রাখে।
৩. আত্মসংযমের প্রশিক্ষণ
ঈদের পর যখন মানুষ আবার ভোগ-বিলাসে ফিরে যায়, তখন এই রোজাগুলো একজন মুমিনকে স্মরণ করিয়ে দেয়– তাঁর জীবনের উদ্দেশ্য কেবল ভোগ নয়, বরং আত্মশুদ্ধি।
কীভাবে রাখবেন
শাওয়ালের এই ছয় রোজা একটানা রাখা জরুরি নয়। পুরো মাসে আলাদা আলাদা দিনেও রাখা যায়। ধারাবাহিকভাবেও রাখা যায়। তবে ঈদের পরপরই রাখা উত্তম। অবশ্য মাসের যেকোনো সময় রাখা যাবে।
এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো– কারও ওপর রমজানের কাজা রোজা থাকলে আগে সেটি আদায় করে নেওয়া উত্তম। এরপর শাওয়ালের রোজা। কেন না নফলের গুরুত্ব ফরজের চেয়ে বেশি নয়।
একটি সূক্ষ্ম বার্তা
রমজান আমাদের জীবনে একটি ঋতুর মতো, যা এসে হৃদয়কে সবুজ করে দেয়। কিন্তু একজন মুমিনের কাজ হলো সেই সবুজতাকে বছর ধরে রাখা। শাওয়ালের ছয় রোজা সেই চেষ্টার একটি ছোট কিন্তু অর্থবহ পদক্ষেপ।
ঈদের আনন্দের পর যে শূন্যতা অনেক সময় মনে দোলা দেয়, শাওয়ালের এই রোজাগুলো তা পূরণ করতে পারে এক গভীর প্রশান্তিতে। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়– ইবাদত কোনো এক মাসের জন্য নয়। বরং এটি অবিরাম একটি যাত্রা।

রমজান বিদায় নিয়েছে। কিন্তু ইবাদতের দরজা তো বন্ধ হয়নি। একজন মুমিনের জন্য ইবাদত কোনো নির্দিষ্ট মাসে সীমাবদ্ধ নয়। বছরজুড়েই তা অব্যাহত থাকে। শাওয়ালের ৬ রোজা, জিলহজের আরাফার রোজা, মুহাররমের আশুরার রোজা, প্রতি মাসের আইয়ামে বীজ– এসব নফল রোজা যেন মুমিনের জীবনে তাকওয়ার ধারা সচল রাখার বিভিন্ন ধাপ।
ঈদের আনন্দ শেষে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসার এই সময়ে শাওয়ালের ৬ রোজা আমাদের জন্য এক বিশেষ সুযোগ হয়ে আসে, যা রমজানের অর্জনকে ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং ইবাদতের ধারাবাহিকতা অটুট রাখে।
হাদিসের আলোকে শাওয়ালের রোজা
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল, তারপর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন সারা বছর রোজা রাখল।’ (সহিহ মুসলিম)
সারা বছর রোজা রাখা কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু শাওয়াল মাসে ৬ রোজা রাখতে পারলে আল্লাহ তাআলা সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব প্রদান করবেন। এটি আল্লাহ তাআলার অনেক বড় অনুগ্রহ।
কেন এই রোজা গুরুত্বপূর্ণ
শাওয়ালের ৬ রোজা শুধু একটি নফল ইবাদত নয়; এটি একটি আধ্যাত্মিক ধারাবাহিকতা।
১. রমজানের গ্রহণযোগ্যতার আলামত
উলামায়ে কেরাম বলেন, কোনো নেক আমলের পর আরেকটি নেক আমল করার তাওফিক পাওয়া, পূর্ববর্তী আমল কবুল হওয়ার একটি সুসংবাদ।
২. ইবাদতের ধারাবাহিকতা রক্ষা
রমজানে আমরা তাকওয়া ও সংযমের যে অভ্যাস গড়ে তুলি, তা যেন হঠাৎ করেই থেমে না যায়। এই ছয়টি রোজা সেই ধারাকে সচল রাখে।
৩. আত্মসংযমের প্রশিক্ষণ
ঈদের পর যখন মানুষ আবার ভোগ-বিলাসে ফিরে যায়, তখন এই রোজাগুলো একজন মুমিনকে স্মরণ করিয়ে দেয়– তাঁর জীবনের উদ্দেশ্য কেবল ভোগ নয়, বরং আত্মশুদ্ধি।
কীভাবে রাখবেন
শাওয়ালের এই ছয় রোজা একটানা রাখা জরুরি নয়। পুরো মাসে আলাদা আলাদা দিনেও রাখা যায়। ধারাবাহিকভাবেও রাখা যায়। তবে ঈদের পরপরই রাখা উত্তম। অবশ্য মাসের যেকোনো সময় রাখা যাবে।
এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো– কারও ওপর রমজানের কাজা রোজা থাকলে আগে সেটি আদায় করে নেওয়া উত্তম। এরপর শাওয়ালের রোজা। কেন না নফলের গুরুত্ব ফরজের চেয়ে বেশি নয়।
একটি সূক্ষ্ম বার্তা
রমজান আমাদের জীবনে একটি ঋতুর মতো, যা এসে হৃদয়কে সবুজ করে দেয়। কিন্তু একজন মুমিনের কাজ হলো সেই সবুজতাকে বছর ধরে রাখা। শাওয়ালের ছয় রোজা সেই চেষ্টার একটি ছোট কিন্তু অর্থবহ পদক্ষেপ।
ঈদের আনন্দের পর যে শূন্যতা অনেক সময় মনে দোলা দেয়, শাওয়ালের এই রোজাগুলো তা পূরণ করতে পারে এক গভীর প্রশান্তিতে। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়– ইবাদত কোনো এক মাসের জন্য নয়। বরং এটি অবিরাম একটি যাত্রা।
.png)

গোটা আব্বাসী খেলাফতজুড়েই ছোট-বড় অনেক মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আব্বাসী খলীফাগণ শিক্ষা প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তবে ছত্রিশতম আব্বাসী খলিফা মুস্তানসির বিল্লাহ ছিলেন এ ক্ষেত্রে প্রবাদতুল্য ব্যক্তিত্ব।
০৩ জুলাই ২০২৬
ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম। আরবিতে এ মাসকে সম্মানিত মাস বলা হয়। আর এই মাসের ১০ তারিখকে বলা হয় আশুরা যা মুসলমানদের কাছে এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ দিন। শতাব্দীর পর শতাব্দী এই আশুরা একদিকে আল্লাহর রহমত, সাহায্য এবং ঐতিহাসিক নানা ঘটনার সাক্ষ্য বহন করে আসছে।
২৬ জুন ২০২৬
আজ শুক্রবার (২৬ জুন) পবিত্র আশুরা। হিজরি ১৪৪৮ সনের মহররম মাসের ১০ তারিখ। মুসলিম উম্মাহর জন্য দিনটি ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ববহ এবং একই সঙ্গে গভীর শোকের দিন।
২৬ জুন ২০২৬
মক্কার সভাগৃহ দারুন নদওয়াতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছে৷ আলোচনার বিষয় মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যাপারে চূড়ান্ত ফায়সালা গ্রহণ করা। শোনা যাচ্ছে, যেকোনো মুহূর্তে তিনি মক্কা ছেড়ে মদিনায় চলে যাবেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হলো, মুহাম্মদ (সা.)-কে হত্যা করা হবে। কোরায়শের সকল শাখা গোত্র এই হত্যা মিশনে শামিল হবে৷
১৬ জুন ২০২৬