ওলিউর রহমান

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক পীরকে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা। কয়েক মাস আগে পার্শ্ববর্তী জেলা রাজবাড়িতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় মাজারে হামলার খবর এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়।
উত্তেজিত জনতা কর্তৃক কোনো ঘটনার বিচারের ভার নিজেদের কাঁধে তুলে নেওয়ার এই অন্যায় প্রবণতাকেই বলা হয় ‘মব’। মব জাস্টিস বা জনতার বিচার মূলত তাৎক্ষণিক প্রতিশোধের একটি রূপ—যেখানে যুক্তির জায়গা নেয় আবেগ, প্রমাণের জায়গা নেয় গুজব, আর বিচারের জায়গা নেয় প্রতিহিংসা।
এটি কোনোভাবেই ইসলামসম্মত পদ্ধতি হতে পারে না। ইসলাম কোনো ঘটনার বিচারের দায়িত্ব জনতার কাঁধে অর্পণ করেনি। ইসলামের নির্দেশ হলো—সুস্পষ্ট প্রমাণের আলোকে কোনো ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হলে রাষ্ট্রই তার উপযুক্ত বিচার করবে।
ইসলাম বিচারকে কখনোই আবেগের হাতে ছেড়ে দেয়নি। বরং বিচার হলো দায়িত্বশীলতা এবং আল্লাহভীতির উপর প্রতিষ্ঠিত একটি প্রক্রিয়া।
কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখানোর আগে তার সত্যতা, বাস্তবতা এবং প্রেক্ষাপট যাচাই করে নেওয়ার বিষয়ে পবিত্র কোরআনের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। আল্লাহ বলেন—
‘হে মুমিনগণ, যদি কোনো ফাসিক ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তোমরা তা যাচাই করে নাও…।’
(সূরা হুজুরাত: ৬)
অর্থাৎ, যাচাই ছাড়া কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না। ব্যক্তিগত আক্রোশ বা গোষ্ঠীগত বিদ্বেষ যেন ন্যায়বিচার থেকে বিচ্যুতির কারণ না হয়—সে বিষয়েও কোরআন সতর্ক করেছে। আল্লাহ বলেন—
‘কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ যেন তোমাদেরকে ন্যায়বিচার থেকে বিরত না রাখে। তোমরা ন্যায়বিচার করো—এটাই তাকওয়ার নিকটবর্তী।’
(সূরা মায়েদা: ৮)
একটি সমাজে নানা মত, শ্রেণি, ধর্ম ও আদর্শের মানুষ বসবাস করে। কেউ যদি অন্যের ধর্ম বা অনুভূতিতে আঘাত হানে, তবে তাকে বিচারের মুখোমুখি করা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই বিচার কে করবে?
ইসলামে শাস্তি প্রদানের অধিকার ব্যক্তির নয়, বরং রাষ্ট্রের। কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নির্ধারিত বিচারক সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করে রায় প্রদান করবেন। বিচার হবে কোরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা অনুযায়ী—ব্যক্তিগত মতামতের ভিত্তিতে নয়।
শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রেও ইসলামের নির্দেশ অত্যন্ত সতর্কতাপূর্ণ। মদ্যপান, ব্যভিচার বা হত্যার মতো গুরুতর অপরাধে কঠোর শাস্তির বিধান থাকলেও—সামান্য সন্দেহ থাকলেও তা স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাদিসে এসেছে—‘সন্দেহ থাকলে হদ (দণ্ড) প্রয়োগ থেকে বিরত থাকো।’
ইসলাম যেখানে শাস্তিপ্রদানের ক্ষেত্রেও ন্যায়, ইনসাফ ও সত্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেয় সেখানে উত্তেজিত জনতা কর্তৃক কাউকে পিটিয়ে মারা কিংবা পুড়িয়ে হত্যা করার ঘটনা কখনোই সমর্থনযোগ্য হতে পারে না। হত্যার মোটিভ যাই হোক।
অন্যায়ভাবে একজন মানুষকে হত্যা করাকে কোরআনে গোটা মানবজাতির হত্যার সমান অপরাধ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। হত্যাকারীর দুনিয়াতে শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড। আর পরকালে রয়েছে ভয়াবহ পরিণতি।
তবে এটাও সত্য যে, মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। ধর্মের অপব্যাখ্যা বা কটূক্তি সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে। কিন্তু সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে কাউকে হত্যা করা নিঃসন্দেহে মারাত্মক অপরাধ।
একইসঙ্গে এটাও প্রশ্ন থেকে যায়—কেন বারবার ধর্ম অবমাননার ঘটনা সামনে আসছে? রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো, এ ধরনের ঘটনার দ্রুত ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করে জনতার ক্ষোভকে প্রশমন করা। কিন্তু একই ঘটনা বারবার ঘটতে দেখলে মানুষের মাঝে রাষ্ট্রের প্রতি অনাস্থা সৃষ্টি হয়। ফলে মানুষের মধ্যে আইন হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
এদেশে ইসলাম প্রচারের ক্ষেত্রে মাজার এবং পীর-বুযুর্গদের অবদান অনস্বীকার্য। তবে একইসঙ্গে এটাও সত্য, দেশে নাম সর্বস্ব অনেক মাজার গড়ে উঠেছে এবং সেগুলোতে ইসলামের নামে অনাকাঙ্ক্ষিত ও শরিয়তবিরোধী কর্মকাণ্ডও ঘটে থাকে।
এই বাস্তবতা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু মাজার ভাঙচুর এই সমস্যা সমাধানের কোনো পদ্ধতি হতে পারে না। কারণ ভুল সংশোধনের জন্য সঠিক পদ্ধতি আছে—জ্ঞান, দাওয়াত এবং প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ। সহিংসতা কখনোই সংস্কারের পথ হতে পারে না।
মাজার বা দরবারে হামলার ঘটনাগুলোকে কেবল ধর্মীয় উগ্রতা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। বরং এটি দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিরই একটি প্রতিফলন। এখানে গ্রহণযোগ্য ধর্মীয় নেতৃত্বের কোনো সমর্থন নেই।
কারণ সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখেছি—ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে ধরা সন্দেহে গণপিটুনি, এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবঘুরে সন্দেহে হত্যার মতো ভয়ঙ্কর ঘটনাও ঘটেছে।
ফলে মব কিংবা উত্তেজিত জনতার আক্রোশকে কেবল ধর্মীয় উত্তেজনা হিসেবে না দেখে রাষ্ট্রের সার্বিক আইনশৃঙ্খলার অবনতি হিসেবে দেখাই নিরাপদ। এই মানসিকতা সমাজের বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে।
একটি সভ্য সমাজে বিচার যদি জনতার হাতে চলে যায়, তবে সেখানে ন্যায়বিচার টিকে থাকতে পারে না। আর যেখানে ন্যায়বিচার টিকে না, সেখানে নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা এবং মানবিকতা—সবই হুমকির মুখে পড়ে।
ধর্মীয় দায়িত্বশীলদের উচিত সম্ভাব্য সকল উপায়ে এসব ঘটনার ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করা। কেননা ইসলাম আমাদেরকে উত্তেজিত জনতা নয়; বরং ন্যায়ের সাক্ষী হতে, এবং সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী হতে শিক্ষা দেয়।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক পীরকে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা। কয়েক মাস আগে পার্শ্ববর্তী জেলা রাজবাড়িতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় মাজারে হামলার খবর এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়।
উত্তেজিত জনতা কর্তৃক কোনো ঘটনার বিচারের ভার নিজেদের কাঁধে তুলে নেওয়ার এই অন্যায় প্রবণতাকেই বলা হয় ‘মব’। মব জাস্টিস বা জনতার বিচার মূলত তাৎক্ষণিক প্রতিশোধের একটি রূপ—যেখানে যুক্তির জায়গা নেয় আবেগ, প্রমাণের জায়গা নেয় গুজব, আর বিচারের জায়গা নেয় প্রতিহিংসা।
এটি কোনোভাবেই ইসলামসম্মত পদ্ধতি হতে পারে না। ইসলাম কোনো ঘটনার বিচারের দায়িত্ব জনতার কাঁধে অর্পণ করেনি। ইসলামের নির্দেশ হলো—সুস্পষ্ট প্রমাণের আলোকে কোনো ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হলে রাষ্ট্রই তার উপযুক্ত বিচার করবে।
ইসলাম বিচারকে কখনোই আবেগের হাতে ছেড়ে দেয়নি। বরং বিচার হলো দায়িত্বশীলতা এবং আল্লাহভীতির উপর প্রতিষ্ঠিত একটি প্রক্রিয়া।
কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখানোর আগে তার সত্যতা, বাস্তবতা এবং প্রেক্ষাপট যাচাই করে নেওয়ার বিষয়ে পবিত্র কোরআনের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। আল্লাহ বলেন—
‘হে মুমিনগণ, যদি কোনো ফাসিক ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তোমরা তা যাচাই করে নাও…।’
(সূরা হুজুরাত: ৬)
অর্থাৎ, যাচাই ছাড়া কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না। ব্যক্তিগত আক্রোশ বা গোষ্ঠীগত বিদ্বেষ যেন ন্যায়বিচার থেকে বিচ্যুতির কারণ না হয়—সে বিষয়েও কোরআন সতর্ক করেছে। আল্লাহ বলেন—
‘কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ যেন তোমাদেরকে ন্যায়বিচার থেকে বিরত না রাখে। তোমরা ন্যায়বিচার করো—এটাই তাকওয়ার নিকটবর্তী।’
(সূরা মায়েদা: ৮)
একটি সমাজে নানা মত, শ্রেণি, ধর্ম ও আদর্শের মানুষ বসবাস করে। কেউ যদি অন্যের ধর্ম বা অনুভূতিতে আঘাত হানে, তবে তাকে বিচারের মুখোমুখি করা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই বিচার কে করবে?
ইসলামে শাস্তি প্রদানের অধিকার ব্যক্তির নয়, বরং রাষ্ট্রের। কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নির্ধারিত বিচারক সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করে রায় প্রদান করবেন। বিচার হবে কোরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা অনুযায়ী—ব্যক্তিগত মতামতের ভিত্তিতে নয়।
শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রেও ইসলামের নির্দেশ অত্যন্ত সতর্কতাপূর্ণ। মদ্যপান, ব্যভিচার বা হত্যার মতো গুরুতর অপরাধে কঠোর শাস্তির বিধান থাকলেও—সামান্য সন্দেহ থাকলেও তা স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাদিসে এসেছে—‘সন্দেহ থাকলে হদ (দণ্ড) প্রয়োগ থেকে বিরত থাকো।’
ইসলাম যেখানে শাস্তিপ্রদানের ক্ষেত্রেও ন্যায়, ইনসাফ ও সত্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেয় সেখানে উত্তেজিত জনতা কর্তৃক কাউকে পিটিয়ে মারা কিংবা পুড়িয়ে হত্যা করার ঘটনা কখনোই সমর্থনযোগ্য হতে পারে না। হত্যার মোটিভ যাই হোক।
অন্যায়ভাবে একজন মানুষকে হত্যা করাকে কোরআনে গোটা মানবজাতির হত্যার সমান অপরাধ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। হত্যাকারীর দুনিয়াতে শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড। আর পরকালে রয়েছে ভয়াবহ পরিণতি।
তবে এটাও সত্য যে, মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। ধর্মের অপব্যাখ্যা বা কটূক্তি সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে। কিন্তু সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে কাউকে হত্যা করা নিঃসন্দেহে মারাত্মক অপরাধ।
একইসঙ্গে এটাও প্রশ্ন থেকে যায়—কেন বারবার ধর্ম অবমাননার ঘটনা সামনে আসছে? রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো, এ ধরনের ঘটনার দ্রুত ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করে জনতার ক্ষোভকে প্রশমন করা। কিন্তু একই ঘটনা বারবার ঘটতে দেখলে মানুষের মাঝে রাষ্ট্রের প্রতি অনাস্থা সৃষ্টি হয়। ফলে মানুষের মধ্যে আইন হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
এদেশে ইসলাম প্রচারের ক্ষেত্রে মাজার এবং পীর-বুযুর্গদের অবদান অনস্বীকার্য। তবে একইসঙ্গে এটাও সত্য, দেশে নাম সর্বস্ব অনেক মাজার গড়ে উঠেছে এবং সেগুলোতে ইসলামের নামে অনাকাঙ্ক্ষিত ও শরিয়তবিরোধী কর্মকাণ্ডও ঘটে থাকে।
এই বাস্তবতা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু মাজার ভাঙচুর এই সমস্যা সমাধানের কোনো পদ্ধতি হতে পারে না। কারণ ভুল সংশোধনের জন্য সঠিক পদ্ধতি আছে—জ্ঞান, দাওয়াত এবং প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ। সহিংসতা কখনোই সংস্কারের পথ হতে পারে না।
মাজার বা দরবারে হামলার ঘটনাগুলোকে কেবল ধর্মীয় উগ্রতা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। বরং এটি দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিরই একটি প্রতিফলন। এখানে গ্রহণযোগ্য ধর্মীয় নেতৃত্বের কোনো সমর্থন নেই।
কারণ সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখেছি—ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে ধরা সন্দেহে গণপিটুনি, এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবঘুরে সন্দেহে হত্যার মতো ভয়ঙ্কর ঘটনাও ঘটেছে।
ফলে মব কিংবা উত্তেজিত জনতার আক্রোশকে কেবল ধর্মীয় উত্তেজনা হিসেবে না দেখে রাষ্ট্রের সার্বিক আইনশৃঙ্খলার অবনতি হিসেবে দেখাই নিরাপদ। এই মানসিকতা সমাজের বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে।
একটি সভ্য সমাজে বিচার যদি জনতার হাতে চলে যায়, তবে সেখানে ন্যায়বিচার টিকে থাকতে পারে না। আর যেখানে ন্যায়বিচার টিকে না, সেখানে নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা এবং মানবিকতা—সবই হুমকির মুখে পড়ে।
ধর্মীয় দায়িত্বশীলদের উচিত সম্ভাব্য সকল উপায়ে এসব ঘটনার ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করা। কেননা ইসলাম আমাদেরকে উত্তেজিত জনতা নয়; বরং ন্যায়ের সাক্ষী হতে, এবং সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী হতে শিক্ষা দেয়।

ইসলামের দৃষ্টিতে সময় শুধু গতি নয়; বরং তা ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের একেকটি সুযোগ। মাসগুলোর মধ্যে রমজান যেমন বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ, তেমনি সপ্তাহের দিনগুলোর মধ্যেও রয়েছে একটি শ্রেষ্ঠ দিন—শুক্রবার, যা মুসলমানদের কাছে ‘জুমার দিন’ নামে বেশি পরিচিত।
৩ দিন আগে
কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবারও হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডগুলোতে বাড়ছে ভিড়। সর্বশেষ সংবাদ অনুযায়ী, ৭ এপ্রিল দেশে হাম সংক্রমণে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
৫ দিন আগে
রমজান বিদায় নিয়েছে। কিন্তু ইবাদতের দরজা তো বন্ধ হয়নি। একজন মুমিনের জন্য ইবাদত কোনো নির্দিষ্ট মাসে সীমাবদ্ধ নয়। বছরজুড়েই তা অব্যাহত থাকে। শাওয়ালের ৬ রোজা, জিলহজের আরাফার রোজা, মুহাররমের আশুরার রোজা, প্রতি মাসের আইয়ামে বীজ– এসব নফল রোজা যেন মুমিনের জীবনে তাকওয়ার ধারা সচল রাখার বিভিন্ন ধাপ।
১৯ দিন আগে
ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। আর সেই আনন্দের সবচেয়ে প্রাণবন্ত প্রকাশ ঘটে ঈদের জামাতে। সকালে নতুন জামা পরে আতরের সুগন্ধ মেখে, বাড়ির ছোট-বড় সবাই মিলে ঈদগাহের পথে হাঁটতে শুরু করে।
২৩ দিন আগে