ওলিউর রহমান

রমজানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল হলো ইতেকাফ। আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার ক্ষেত্রে ইতেকাফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতেকাফ করার মাধ্যমে বান্দা নিবিষ্টতার সাথে আল্লাহর ইবাদত করার সুযোগ লাভ করে। এর ফলে তার অন্তর পবিত্র হয়, ফেরেশতাদের সাথে তার সাদৃশ্য তৈরি হয়। সর্বোপরি শবে কদর লাভ করার সম্ভাবনা জাগে। রাসূল (সা.) প্রতিবছর রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করতেন। ফলে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত।
ইতেকাফ হল, আল্লাহর ইবাদতের উদ্দেশ্যে দুনিয়ার যাবতীয় ব্যস্ততাকে গুটিয়ে, এমন মসজিদে অবস্থান করা, যেখানে জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা হয়।
ইতিকাফ তিন প্রকার :
১. সুন্নত ইতিকাফ: রমজানের শেষ দশকে একুশ তারিখের রাত (অর্থাৎ ২০ তারিখ সূর্যাস্তের আগ) থেকে ঈদের চাঁদ দেখা পর্যন্ত ইতিকাফ করা। রাসূল (সা.) প্রতি বছর এ দিনগুলোতে ইতেকাফ করতেন, তাই একে সুন্নত ইতিকাফ বলা হয়।
২. নফল ইতেকাফ: রমজানের শেষ দশকে পূর্ণ দশ দিনের কম ইতেকাফ করা। অথবা বছরের অন্য যেকোনো সময় যতক্ষণ ইচ্ছা, ইতেকাফের নিয়তে মসজিদে অবস্থান করা।
৩. ওয়াজিব ইতিকাফ: মান্নতকৃত ইতেকাফ এবং সুন্নত ইতেকাফ শুরু করে সম্পন্ন না করতে পারলে তার কাযা আদায় করা।
ইতেকাফ ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত আমল। উপরন্তু রমযানের ফজিলত ও বরকত লাভ করার ক্ষেত্রে ইতেকাফের ভূমিকা অপরিসীম। রাসূল (সা.) এক বছর ছাড়া মদীনায় অবস্থানকালে প্রতি রমজানেই ইতেকাফ করেছেন। সাহাবীগণও তাঁর সঙ্গে ইতেকাফে শরীক হয়েছেন। হাদীস শরীফে এসেছে-
রাসূল (সা.) রমজানে শেষ দশ দিন ইতেকাফ করতেন। কিন্তু এক বছর ইতেকাফ করতে পারেননি। পরবর্তী বছর বিশ রাত (দিন) ইতিকাফ করেছেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৪৬৩)
ইতিকাফের গুরুত্বপূর্ণ একটি লাভ হলো, ইতেকাফকারী অত্যন্ত পবিত্র ও গোনাহমুক্ত পরিবেশে থাকে। শরীয়তের দৃষ্টিতে মসজিদে তার অবস্থানটিই এক ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। তাই সে অবসর সময়ে কোনো আমল না করলেও দিনরাত তার মসজিদে অবস্থান করাটাই ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়।
এমনিভাবে ইতেকাফকারী দুনিয়ার যাবতীয় ঝামেলা থেকে মুক্ত হয়ে নিজেকে আল্লাহর কাছে সোপর্দ করে। আল্লাহর ইবাদতের জন্য নিজেকে পূর্ণ প্রস্তুত করে আল্লাহ-অভিমুখী হয়। অভিজ্ঞজনমাত্রই জানেন, এটা যে কারো জন্য, যে কোনো সময় সহজেই সম্ভব হয় না।
সওয়াবের দিক থেকে ইতিকাফের জন্য সর্বোত্তম স্থান হল মসজিদে হারাম। এরপর মসজিদে নববী। তারপর মসজিদে আকসা। এরপর যেকোনো জামে মসজিদ। তারপর যেকোনো পাঞ্জেগানা মসজিদ। তবে নারীদের জন্য ইতিকাফের স্থান হল ঘরের নির্দিষ্ট কোনো জায়গা।
ইতেকাফের সময় বান্দা যেহেতু মসজিদে থাকে, তাই মসজিদের যাবতীয় আদব রক্ষা করে থাকা উচিত। পুরো সময় সতর্কতার সাথে থাকা উচিত, যেন কোনো ধরনের কোনো গোনাহ না হয়। এছাড়াও নিম্নোক্ত আমলগুলোর ব্যাপারে খেয়াল রাখা।
মসজিদের প্রধান আমল হলো, জামাতের সাথে ফরজ নামাজ আদায় করা। তাই সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তাকবীরে উলার সাথে আদায় করা।
ইতেকাফের সময় মানুষ যেহেতু দুনিয়াবি সকল কাজ কর্ম থেকে বিরত থাকে। তাই খুশু-খুযূর সাথে নামাজ আদায়ের বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। এসময় থেকেই খুশু-খুযূকে অভ্যাসে পরিণত করা।
রমজান মাসে প্রতিটি আমলের সওয়াব অন্য সকল সময়ের চেয়ে বেশি। সেজন্য অধিক পরিমাণে নফল ইবাদতের চেষ্টা করা।
পুরো সময় কোনো না কোনো ইবাদতে মগ্ন থাকা। তবে অন্যের ইবাদত বা ঘুম-বিশ্রামে ব্যাঘাত ঘটে, এমন উদ্যোগ পরিহার করা। যেমন কেউ নামাজ পড়ছে কিংবা পাশেই বিশ্রাম করছে, সেসময় উচ্চৈঃস্বরে কোরআন তেলাওয়াত করা।
বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কারো সাথে কোনো কথা না বলা। একান্ত প্রয়োজনে কথাবার্তা হলে নম্রতা, কোমলতা ও সম্মান বজায় রেখে কথা বলা। কারো সাথে কোনো কটু কথা না বলা। ঝগড়া-তর্ক তো সব সময়ই মন্দ কাজ। মসজিদে, রমজান মাসে এবং ইতিকাফরত অবস্থায় সেটা আরো মন্দ কাজ। অতএব সে বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখা।
অধিক পরিমাণে কোররআন তেলাওয়াত করা। যাদের পক্ষে সম্ভব কোরআনের অর্থ, মর্ম খেয়াল করে করেই তেলাওয়াত করা। অন্তত কিছু সময় তেলাওয়াতকৃত আয়াতের তরজমা, তাফসীর খেয়াল করে করে পড়া।
নফল নামাজের প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া। কিছু নফল নামাজ তো বিভিন্ন সময়ের সাথে নির্দিষ্ট। যেমন তাহাজ্জুদ, ইশরাক, চাশত, যাওয়াল, আওয়াবীন ইত্যাদি। সাধারণ সময়ে নানা কর্মব্যস্ততার দরুন নিয়মিত এ নামাজগুলো আদায় করা হয় না। ইতিকাফের দিনগুলোতে যেন এর কোনোটি না ছোটে সে ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া।
এ সময় নির্বাচিত কিছু দ্বীনী কিতাবও অধ্যয়ন করা যায়। ইতেকাফের ফাযায়েল ও মাসায়েল এবং বুযুর্গদের ইতেকাফ ও রমযানের আমল বিষয়ক কিতাবও মুতালাআ করা যায়।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এই মহিমান্বিত আমলে শরীক হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমাদের ইতিকাফকে কবুল করুন এবং তাকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের ওসীলা করুন। ইতিকাফের মাধ্যমে আমাদের ঈমান, আমল ও ইবাদতের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ উপকৃত হওয়ার তাওফীক দান করুন।

রমজানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল হলো ইতেকাফ। আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার ক্ষেত্রে ইতেকাফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতেকাফ করার মাধ্যমে বান্দা নিবিষ্টতার সাথে আল্লাহর ইবাদত করার সুযোগ লাভ করে। এর ফলে তার অন্তর পবিত্র হয়, ফেরেশতাদের সাথে তার সাদৃশ্য তৈরি হয়। সর্বোপরি শবে কদর লাভ করার সম্ভাবনা জাগে। রাসূল (সা.) প্রতিবছর রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করতেন। ফলে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত।
ইতেকাফ হল, আল্লাহর ইবাদতের উদ্দেশ্যে দুনিয়ার যাবতীয় ব্যস্ততাকে গুটিয়ে, এমন মসজিদে অবস্থান করা, যেখানে জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা হয়।
ইতিকাফ তিন প্রকার :
১. সুন্নত ইতিকাফ: রমজানের শেষ দশকে একুশ তারিখের রাত (অর্থাৎ ২০ তারিখ সূর্যাস্তের আগ) থেকে ঈদের চাঁদ দেখা পর্যন্ত ইতিকাফ করা। রাসূল (সা.) প্রতি বছর এ দিনগুলোতে ইতেকাফ করতেন, তাই একে সুন্নত ইতিকাফ বলা হয়।
২. নফল ইতেকাফ: রমজানের শেষ দশকে পূর্ণ দশ দিনের কম ইতেকাফ করা। অথবা বছরের অন্য যেকোনো সময় যতক্ষণ ইচ্ছা, ইতেকাফের নিয়তে মসজিদে অবস্থান করা।
৩. ওয়াজিব ইতিকাফ: মান্নতকৃত ইতেকাফ এবং সুন্নত ইতেকাফ শুরু করে সম্পন্ন না করতে পারলে তার কাযা আদায় করা।
ইতেকাফ ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত আমল। উপরন্তু রমযানের ফজিলত ও বরকত লাভ করার ক্ষেত্রে ইতেকাফের ভূমিকা অপরিসীম। রাসূল (সা.) এক বছর ছাড়া মদীনায় অবস্থানকালে প্রতি রমজানেই ইতেকাফ করেছেন। সাহাবীগণও তাঁর সঙ্গে ইতেকাফে শরীক হয়েছেন। হাদীস শরীফে এসেছে-
রাসূল (সা.) রমজানে শেষ দশ দিন ইতেকাফ করতেন। কিন্তু এক বছর ইতেকাফ করতে পারেননি। পরবর্তী বছর বিশ রাত (দিন) ইতিকাফ করেছেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৪৬৩)
ইতিকাফের গুরুত্বপূর্ণ একটি লাভ হলো, ইতেকাফকারী অত্যন্ত পবিত্র ও গোনাহমুক্ত পরিবেশে থাকে। শরীয়তের দৃষ্টিতে মসজিদে তার অবস্থানটিই এক ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। তাই সে অবসর সময়ে কোনো আমল না করলেও দিনরাত তার মসজিদে অবস্থান করাটাই ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়।
এমনিভাবে ইতেকাফকারী দুনিয়ার যাবতীয় ঝামেলা থেকে মুক্ত হয়ে নিজেকে আল্লাহর কাছে সোপর্দ করে। আল্লাহর ইবাদতের জন্য নিজেকে পূর্ণ প্রস্তুত করে আল্লাহ-অভিমুখী হয়। অভিজ্ঞজনমাত্রই জানেন, এটা যে কারো জন্য, যে কোনো সময় সহজেই সম্ভব হয় না।
সওয়াবের দিক থেকে ইতিকাফের জন্য সর্বোত্তম স্থান হল মসজিদে হারাম। এরপর মসজিদে নববী। তারপর মসজিদে আকসা। এরপর যেকোনো জামে মসজিদ। তারপর যেকোনো পাঞ্জেগানা মসজিদ। তবে নারীদের জন্য ইতিকাফের স্থান হল ঘরের নির্দিষ্ট কোনো জায়গা।
ইতেকাফের সময় বান্দা যেহেতু মসজিদে থাকে, তাই মসজিদের যাবতীয় আদব রক্ষা করে থাকা উচিত। পুরো সময় সতর্কতার সাথে থাকা উচিত, যেন কোনো ধরনের কোনো গোনাহ না হয়। এছাড়াও নিম্নোক্ত আমলগুলোর ব্যাপারে খেয়াল রাখা।
মসজিদের প্রধান আমল হলো, জামাতের সাথে ফরজ নামাজ আদায় করা। তাই সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তাকবীরে উলার সাথে আদায় করা।
ইতেকাফের সময় মানুষ যেহেতু দুনিয়াবি সকল কাজ কর্ম থেকে বিরত থাকে। তাই খুশু-খুযূর সাথে নামাজ আদায়ের বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। এসময় থেকেই খুশু-খুযূকে অভ্যাসে পরিণত করা।
রমজান মাসে প্রতিটি আমলের সওয়াব অন্য সকল সময়ের চেয়ে বেশি। সেজন্য অধিক পরিমাণে নফল ইবাদতের চেষ্টা করা।
পুরো সময় কোনো না কোনো ইবাদতে মগ্ন থাকা। তবে অন্যের ইবাদত বা ঘুম-বিশ্রামে ব্যাঘাত ঘটে, এমন উদ্যোগ পরিহার করা। যেমন কেউ নামাজ পড়ছে কিংবা পাশেই বিশ্রাম করছে, সেসময় উচ্চৈঃস্বরে কোরআন তেলাওয়াত করা।
বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কারো সাথে কোনো কথা না বলা। একান্ত প্রয়োজনে কথাবার্তা হলে নম্রতা, কোমলতা ও সম্মান বজায় রেখে কথা বলা। কারো সাথে কোনো কটু কথা না বলা। ঝগড়া-তর্ক তো সব সময়ই মন্দ কাজ। মসজিদে, রমজান মাসে এবং ইতিকাফরত অবস্থায় সেটা আরো মন্দ কাজ। অতএব সে বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখা।
অধিক পরিমাণে কোররআন তেলাওয়াত করা। যাদের পক্ষে সম্ভব কোরআনের অর্থ, মর্ম খেয়াল করে করেই তেলাওয়াত করা। অন্তত কিছু সময় তেলাওয়াতকৃত আয়াতের তরজমা, তাফসীর খেয়াল করে করে পড়া।
নফল নামাজের প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া। কিছু নফল নামাজ তো বিভিন্ন সময়ের সাথে নির্দিষ্ট। যেমন তাহাজ্জুদ, ইশরাক, চাশত, যাওয়াল, আওয়াবীন ইত্যাদি। সাধারণ সময়ে নানা কর্মব্যস্ততার দরুন নিয়মিত এ নামাজগুলো আদায় করা হয় না। ইতিকাফের দিনগুলোতে যেন এর কোনোটি না ছোটে সে ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া।
এ সময় নির্বাচিত কিছু দ্বীনী কিতাবও অধ্যয়ন করা যায়। ইতেকাফের ফাযায়েল ও মাসায়েল এবং বুযুর্গদের ইতেকাফ ও রমযানের আমল বিষয়ক কিতাবও মুতালাআ করা যায়।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এই মহিমান্বিত আমলে শরীক হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমাদের ইতিকাফকে কবুল করুন এবং তাকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের ওসীলা করুন। ইতিকাফের মাধ্যমে আমাদের ঈমান, আমল ও ইবাদতের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ উপকৃত হওয়ার তাওফীক দান করুন।
.png)

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকায় এমন কিছু দিন আছে, যেগুলোর সঙ্গে এ দেশের মুসলিম সমাজের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্মৃতি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। আখেরি চাহার শোম্বা তেমনই একটি দিন। আজ ১২ আগস্ট আখেরি চাহার শোম্বা উপলক্ষে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ছুটি রয়েছে।
১২ আগস্ট ২০২৬
উপমহাদেশে মুসলিম পুনর্জাগরণের অন্যতম রূপকার ছিলেন শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী। খ্রিস্টীয় আঠারো শতকের চরম রাজনৈতিক ও সামাজিক দুর্যোগের সময়ে ভারতীয় মুসলমানদের চিন্তা, শিক্ষা ও নৈতিক সংস্কারে তিনি এক যুগান্তকারী বিপ্লব সাধন করেন।
২৪ জুলাই ২০২৬
সমরকন্দ মুসলিম জ্ঞানসভ্যতার ইতিহাসে এক কিংবদন্তি নাম। শতাব্দীর পর শতাব্দী এই নগরী ছিল জ্ঞান, সভ্যতা ও সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল কেন্দ্র। বিশাল মাদরাসার প্রাঙ্গণে প্রতিধ্বনিত হতো কুরআন ও হাদিসের দরস, খানকাগুলো মুখর থাকত আধ্যাত্মিক সাধনায়,
১৭ জুলাই ২০২৬
১৯৯৫ সালের ১১ জুলাই ছিল বসনিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দিন। তিন বছর ধরে চলা গণহত্যা এ দিনে সকল সীমা অতিক্রম করেছিল। দেশটির সেব্রেনিৎসা শহরে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ৮ হাজারের বেশি মানুষ হত্যা করা হয়েছিল ১১ জুলাই। গতকাল ছিল সেব্রেনিৎসা গণহত্যার ৩১তম বার্ষিকী।
১২ জুলাই ২০২৬