স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের ১০০ লড়াই শেষে এখন বাকি শেষ চার ম্যাচ। ৪৮ দলের এই মহাযজ্ঞে টিকে রয়েছে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা চার পরাশক্তি—ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, স্পেন ও ইংল্যান্ড।
ইতিহাসে এবারই প্রথম ফিফা র্যাংকিংয়ের শীর্ষ চার দল পৌঁছেছে সেমিফাইনালে। ফিফার সর্বশেষ র্যাংকিং অনুসারে, ফ্রান্স এক নম্বরে, আর্জেন্টিনা দুই, স্পেন তিন এবং ইংল্যান্ডের অবস্থান চারে। এই চার দলের মোট বিশ্বকাপ জয়ের সংখ্যা সাত, এর মধ্যে আর্জেন্টিনা ৩, ফ্রান্স ২ এবং স্পেন ও ইংল্যান্ডের রয়েছে ১টি করে শিরোপা।
প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই শক্তি ফ্রান্স ও স্পেন। এই লড়াই আসলে ইউরোপীয় ফুটবলের দুই ভিন্ন দর্শনের—ফ্রান্সের গতি ও শক্তি বনাম স্পেনের বল পজিশন ও ‘টিকিটাকা’ কৌশল।
২০০৬ সালের বিশ্বকাপের শেষ ১৬-র ম্যাচে স্পেনকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল ফ্রান্স। এরপর আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা হয়নি দুই দলের।
ফ্রান্স চলতি আসরে ১৬ গোল করেছে। বোদ্ধাদের মতে, কিলিয়ান এমবাপ্পে, ওসমানে দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে ও ব্র্যাডলি বারকোলাদের নিয়ে গড়া ফ্রান্সের আক্রমণ ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ফ্রান্স শুরু থেকেই পরিণত ফুটবল খেলেছে। তারা রাউন্ড অব ৩২-এ সুইডেন, শেষ ১৬-তে প্যারাগুয়ে এবং কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে হারিয়ে শেষ চারে উঠেছে।
অন্যদিকে, ২০১০ বিশ্বকাপ ঘরে তোলা স্পেন শুরুর ম্যাচে কেপ ভার্দের সঙ্গে ড্র করলেও সময়ের সঙ্গে ফিরেছে নিজেদের চেনা ফর্মে। তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামালের কাঁধে মূল দায়িত্ব থাকলেও মিকেল মেরিনো আর ফাবিয়ান রুইজদের দারুণ ফর্মে ফাইনাল নিশ্চিত করতে মরিয়া স্পেন। সেমির পথে স্পেনের পথও একদম সহজ ছিল না। শেষ ৩২-এ অস্ট্রিয়া, শেষ ১৬-তে পর্তুগাল এবং কোয়ার্টারে বেলজিয়ামকে পরাজিত করেছে।
দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি লাতিন আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও ইউরোপের ইংল্যান্ড। এই দুই দলের লড়াই ফুটবল ইতিহাসের আলোচিত ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বিতাগুলোর একটি। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ১৯৬৬ বিশ্বকাপ বিতর্ক, ১৯৮৬-তে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ এবং এছাড়া ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড।
এই ম্যাচ নিয়ে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘যদিও কেবলই একটি ফুটবল ম্যাচ, তবু ইতিহাসকে আলাদা করা যায় না।’
শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর্জেন্টিনা এখন অব্দি কোনো ম্যাচে না হারলেও তাদের পারফরম্যান্সে খুশি নন ভক্তরা। নকআউটের তিন ম্যাচেই আর্জেন্টিনাকে দিতে হয়েছে কঠিন পরীক্ষা। শেষ ৩২-এ কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ গোলে জয় পায় মেসিবাহিনী। শেষ ১৬-তে, মিসরের সঙ্গে ২-০-তে পিছিয়ে গিয়ে শেষপর্যন্ত ৩-২ গোলে জয় পায় তারা। কোয়ার্টারে অতিরিক্ত সময়ের জোড়া গোলে ৩-১ জয় পায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
অন্যদিকে নিজেদের ৬০ বছরের শিরোপা খরা ঘোচাতে চায় ইংল্যান্ড। ডিআর কঙ্গো, মেক্সিকো এবং কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ইংলিশরা।

বিশ্বকাপের ১০০ লড়াই শেষে এখন বাকি শেষ চার ম্যাচ। ৪৮ দলের এই মহাযজ্ঞে টিকে রয়েছে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা চার পরাশক্তি—ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, স্পেন ও ইংল্যান্ড।
ইতিহাসে এবারই প্রথম ফিফা র্যাংকিংয়ের শীর্ষ চার দল পৌঁছেছে সেমিফাইনালে। ফিফার সর্বশেষ র্যাংকিং অনুসারে, ফ্রান্স এক নম্বরে, আর্জেন্টিনা দুই, স্পেন তিন এবং ইংল্যান্ডের অবস্থান চারে। এই চার দলের মোট বিশ্বকাপ জয়ের সংখ্যা সাত, এর মধ্যে আর্জেন্টিনা ৩, ফ্রান্স ২ এবং স্পেন ও ইংল্যান্ডের রয়েছে ১টি করে শিরোপা।
প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই শক্তি ফ্রান্স ও স্পেন। এই লড়াই আসলে ইউরোপীয় ফুটবলের দুই ভিন্ন দর্শনের—ফ্রান্সের গতি ও শক্তি বনাম স্পেনের বল পজিশন ও ‘টিকিটাকা’ কৌশল।
২০০৬ সালের বিশ্বকাপের শেষ ১৬-র ম্যাচে স্পেনকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল ফ্রান্স। এরপর আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা হয়নি দুই দলের।
ফ্রান্স চলতি আসরে ১৬ গোল করেছে। বোদ্ধাদের মতে, কিলিয়ান এমবাপ্পে, ওসমানে দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে ও ব্র্যাডলি বারকোলাদের নিয়ে গড়া ফ্রান্সের আক্রমণ ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ফ্রান্স শুরু থেকেই পরিণত ফুটবল খেলেছে। তারা রাউন্ড অব ৩২-এ সুইডেন, শেষ ১৬-তে প্যারাগুয়ে এবং কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে হারিয়ে শেষ চারে উঠেছে।
অন্যদিকে, ২০১০ বিশ্বকাপ ঘরে তোলা স্পেন শুরুর ম্যাচে কেপ ভার্দের সঙ্গে ড্র করলেও সময়ের সঙ্গে ফিরেছে নিজেদের চেনা ফর্মে। তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামালের কাঁধে মূল দায়িত্ব থাকলেও মিকেল মেরিনো আর ফাবিয়ান রুইজদের দারুণ ফর্মে ফাইনাল নিশ্চিত করতে মরিয়া স্পেন। সেমির পথে স্পেনের পথও একদম সহজ ছিল না। শেষ ৩২-এ অস্ট্রিয়া, শেষ ১৬-তে পর্তুগাল এবং কোয়ার্টারে বেলজিয়ামকে পরাজিত করেছে।
দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি লাতিন আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও ইউরোপের ইংল্যান্ড। এই দুই দলের লড়াই ফুটবল ইতিহাসের আলোচিত ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বিতাগুলোর একটি। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ১৯৬৬ বিশ্বকাপ বিতর্ক, ১৯৮৬-তে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ এবং এছাড়া ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড।
এই ম্যাচ নিয়ে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘যদিও কেবলই একটি ফুটবল ম্যাচ, তবু ইতিহাসকে আলাদা করা যায় না।’
শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর্জেন্টিনা এখন অব্দি কোনো ম্যাচে না হারলেও তাদের পারফরম্যান্সে খুশি নন ভক্তরা। নকআউটের তিন ম্যাচেই আর্জেন্টিনাকে দিতে হয়েছে কঠিন পরীক্ষা। শেষ ৩২-এ কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ গোলে জয় পায় মেসিবাহিনী। শেষ ১৬-তে, মিসরের সঙ্গে ২-০-তে পিছিয়ে গিয়ে শেষপর্যন্ত ৩-২ গোলে জয় পায় তারা। কোয়ার্টারে অতিরিক্ত সময়ের জোড়া গোলে ৩-১ জয় পায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
অন্যদিকে নিজেদের ৬০ বছরের শিরোপা খরা ঘোচাতে চায় ইংল্যান্ড। ডিআর কঙ্গো, মেক্সিকো এবং কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ইংলিশরা।
.png)

২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নামছে বাংলাদেশ। ডারউইনে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৬টায় শুরু হবে দুই দলের প্রথম টেস্ট। ফিটনেস পরীক্ষায় উতরে যাওয়ায় বাংলাদেশের একাদশে দেখা যেতে পারে সদ্য চোট কাটিয়ে ফেরা উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান লিটন দাসকে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটবল সম্রাট পেলের ক্লাবে নাম লেখালেন বাংলাদেশের শমিত সোম। চলতি ইউএসএল লিগ ওয়ানের বাকি মৌসুমের জন্য শমিতকে দলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নিউইয়র্ক কসমস।
৫ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ ২৩ বছর পর আবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে লাল বলের ক্রিকেটে নামছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা ওভালে বাংলাদেশের প্রস্তুতি ম্যাচে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হলেও সেটা নিয়ে ভাবছেন না নাজমুল হোসেন শান্ত। বরং নাহিদ রানার অনুপস্থিতি তাঁকে ভাবাচ্ছে।
১২ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের সামনে অপেক্ষা করছে অস্ট্রেলিয়ার চেনা সেই ভয়ংকর পেস ত্রয়ী । অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড—তিনজনই আছেন অস্ট্রেলিয়ার একাদশে, তাঁদের সঙ্গে আছেন স্পিনার নাথান লায়ন।
১৪ ঘণ্টা আগে