স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের শেষ-৩২-এ বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন কেপ ভার্দে প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট হোসে মারিয়া নেভেস। গ্রুপ পর্বে দেশটি তিন ম্যাচে ড্র করে চমক দেখানোর পর আফ্রিকান দেশটির প্রেসিডেন্ট মনে করেন, শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে মেসির আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দেবে ‘ব্লু শার্কস’।
মঙ্গলবার বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট হোসে মারিয়া নেভেস বলেন, ‘আমার মনে হয় কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে। আমরা মাঠে জেতার জন্য নামব।’
ছোট দেশগুলোর অদম্য ইচ্ছাশক্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘যখন কোনো দলের ওপর প্রত্যাশার চাপ কম থাকে তখন সেই দলের জেতার ইচ্ছেটা বেশি থাকে। তাই ম্যাচেও যে কোন কিছু সম্ভব। আমাদের ছোট দেশটির সবসময় চেষ্টা করা উচিৎ বিশ্ববাসীকে চমকে দেওয়া।’
চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘এইচ’ থেকে রানার্স-আপ হয়ে ইতিহাস গড়েছে আটলান্টিক মহাসাগরের ১০টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ছোট দেশ কেপ ভার্দে।প্রথমবার বিশ্বকাপে এসে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে স্পেনের মতো পরাশক্তিকে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দিয়ে চমকের শুরু করেছিল দলটি, যেখানে নায়ক ছিলেন তাদের ৪০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা। এরপর দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র এবং সৌদি আরবের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে শেষ ৩২ নিশ্চিত করে দেশটি।
ফিফা র্যাংকিংয়ে শীর্ষ দল আর্জেন্টিনার চেয়ে ৬৩ ধাপ পিছিয়ে রয়েছে কেপ ভার্দে। আফ্রিকাতেও তাদের অবস্থান ১৩ নম্বরে।
র্যাংকিং নিয়ে না ভেবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘আমাদের দলের প্রতি শতভাগ বিশ্বাস আর শতভাগ আশা আছে। খেলোয়াড়েরা যদি মাঠে শতভাগ উজাড় করে দেয় তবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয় সম্ভব। এই ম্যাচ জিতে পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়েই আর্জেন্টিনা ও মেসির মুখোমুখি হব আমরা।’
দেশটির কোচ বুবিস্তা বলেন, ‘আমাদের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বিশ্বের দরবারে নিজেদের দেশকে তুলে ধরা। এই পর্যায়ে আর্জেন্টিনা ও মেসির বিরুদ্ধে খেলতে পারাটাই আমাদের দেশের জন্য দারুণ এক অর্জন।’
অন্যদিকে মিডফিল্ডার দুয়ার্তে একে ‘স্বপ্নের মতো’ অনুভূতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ম্যাচের ফলাফল বিপক্ষে গেলেও আক্ষেপ থাকবে না জানিয়ে কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্টের তিনি বলেন, ‘ফলাফল যা-ই হোক না কেন, আমরা মাথা উঁচু করেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেব।’
৪ জুলাই মিয়ামিতে শেষ ৩২-এর ঐতিহাসিক এই লড়াইয়ে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দে।

বিশ্বকাপের শেষ-৩২-এ বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন কেপ ভার্দে প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট হোসে মারিয়া নেভেস। গ্রুপ পর্বে দেশটি তিন ম্যাচে ড্র করে চমক দেখানোর পর আফ্রিকান দেশটির প্রেসিডেন্ট মনে করেন, শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে মেসির আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দেবে ‘ব্লু শার্কস’।
মঙ্গলবার বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট হোসে মারিয়া নেভেস বলেন, ‘আমার মনে হয় কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে। আমরা মাঠে জেতার জন্য নামব।’
ছোট দেশগুলোর অদম্য ইচ্ছাশক্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘যখন কোনো দলের ওপর প্রত্যাশার চাপ কম থাকে তখন সেই দলের জেতার ইচ্ছেটা বেশি থাকে। তাই ম্যাচেও যে কোন কিছু সম্ভব। আমাদের ছোট দেশটির সবসময় চেষ্টা করা উচিৎ বিশ্ববাসীকে চমকে দেওয়া।’
চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘এইচ’ থেকে রানার্স-আপ হয়ে ইতিহাস গড়েছে আটলান্টিক মহাসাগরের ১০টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ছোট দেশ কেপ ভার্দে।প্রথমবার বিশ্বকাপে এসে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে স্পেনের মতো পরাশক্তিকে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দিয়ে চমকের শুরু করেছিল দলটি, যেখানে নায়ক ছিলেন তাদের ৪০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা। এরপর দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র এবং সৌদি আরবের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে শেষ ৩২ নিশ্চিত করে দেশটি।
ফিফা র্যাংকিংয়ে শীর্ষ দল আর্জেন্টিনার চেয়ে ৬৩ ধাপ পিছিয়ে রয়েছে কেপ ভার্দে। আফ্রিকাতেও তাদের অবস্থান ১৩ নম্বরে।
র্যাংকিং নিয়ে না ভেবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘আমাদের দলের প্রতি শতভাগ বিশ্বাস আর শতভাগ আশা আছে। খেলোয়াড়েরা যদি মাঠে শতভাগ উজাড় করে দেয় তবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয় সম্ভব। এই ম্যাচ জিতে পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়েই আর্জেন্টিনা ও মেসির মুখোমুখি হব আমরা।’
দেশটির কোচ বুবিস্তা বলেন, ‘আমাদের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বিশ্বের দরবারে নিজেদের দেশকে তুলে ধরা। এই পর্যায়ে আর্জেন্টিনা ও মেসির বিরুদ্ধে খেলতে পারাটাই আমাদের দেশের জন্য দারুণ এক অর্জন।’
অন্যদিকে মিডফিল্ডার দুয়ার্তে একে ‘স্বপ্নের মতো’ অনুভূতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ম্যাচের ফলাফল বিপক্ষে গেলেও আক্ষেপ থাকবে না জানিয়ে কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্টের তিনি বলেন, ‘ফলাফল যা-ই হোক না কেন, আমরা মাথা উঁচু করেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেব।’
৪ জুলাই মিয়ামিতে শেষ ৩২-এর ঐতিহাসিক এই লড়াইয়ে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দে।

বজ্র ঝড়ে এক ঘণ্টা বিলম্বে শুরু হওয়া ম্যাচে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক মেক্সিকো। ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবার নকআউট পর্বে জিতে ৪০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাল তারা। হুলিয়ান কিনিয়োনেস ও রাউল হিমেনেসের গোলে জয় পায় মেক্সিকো।
৪ ঘণ্টা আগে
আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে চলতি বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে নরওয়ে। এবার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ইতিহাস বলছে বিশ্ব-ফুটবলে এই একটা দেশের বিরুদ্ধে কখনোই জয়ের দেখা পায়নি ব্রাজিল।
৬ ঘণ্টা আগে
ম্যাচ শেষ হতে তখনও মিনিট দশেক বাকি। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের বিগ স্ক্রিনে ক্যামেরার চোখে বারবার ধরা পরছিল একটা মুখ- সুইডিশ অধিনায়ক ভিক্টর লিন্ডেলফ। সেই মুখে তখন ফুটে উঠেছে গভীর অসহায়ত্ব। কেননা ততক্ষণে তিনি বুঝে গেছেন ফ্রেঞ্চ এই গোল মেশিনকে আটকানোর আর কোনো কৌশল তার ঝুলিতে নেই।
৯ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি যখন বাজলো তখনও ম্যাচে ১-১ গোলে সমতা। বিজয়ী নির্ধারণে অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় ম্যাচ। ফল মেলেনি সেখানেও। সব শেষে ভাগ্য নির্ধারণে টাইব্রেকার। আর সেখানেই ইতিহাস গড়ল মরক্কো। রোমাঞ্চকর এক টাইব্রেকারে নেদারল্যান্ডসকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে আফ্রিকার দলটি।
৩০ জুন ২০২৬