স্পোর্টস ডেস্ক

কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে টাইব্রেকারে হারা ফ্রান্স ২০২৬ বিশ্বকাপে শিরোপা পুনরুদ্ধারে মাঠে নামবে। ১৭তম বারের মতো বিশ্বমঞ্চে নেমে নিজেদের তৃতীয় স্বর্ণালী ট্রফি জিততে চায় দলটি।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে ব্রাজিলকে হারিয়ে প্রথমবার এবং ২০১৮ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার সোনালী ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল ফ্রান্স। ২০২২ বিশ্বকাপে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করা এই দলকে টাইব্রেকারে ট্র্যাজিক পরাজয় বরণ করে নিতে হয়।
১৯৩০ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৭৩ ম্যাচে ৩৯ জয়, ১৪ ড্র এবং ২০ পরাজয় রয়েছে ফ্রান্সের ঝুলিতে। ফিফার অফিশিয়াল র্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় এই দল ফুটবল ভক্তদের কাছে পরিচিত ‘লে ব্লুজ’ নামে।
ফ্রান্সের ডাগআউট সামলাচ্ছেন দেশটির সাবেক ফুটবলার দিদিয়ের দেশম। বিশ্বের তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে খেলোয়াড় ও কোচ—উভয় ক্যাটাগরিতে বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি রয়েছে তাঁর। এর আগে মার্সেই, জুভেন্টাস ও মোনাকোর মতো ক্লাবের ডাগআউট সামলেছেন তিনি। তাঁর অধীনে বাছাইপর্বের ৬ ম্যাচে ৫ জয় এবং ১ ড্রতে অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে ফরাসিরা।

বিশ্বকাপে ফ্রান্স লড়বে গ্রুপ ‘আই’-তে। ১৭ জুন সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২৩ জুন ইরাক এবং ২৭ জুন নরওয়ের মুখোমুখি হবে লে ব্লুজরা। কাগজে-কলমে এই গ্রুপে ফ্রান্স ফেভারিট এবং প্রথম দুই ম্যাচেই পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামার আগেই শেষ ৩২ নিশ্চিত করতে চাইবে।
এবারের আসরে শুধু ফ্রান্স নয়, সারাবিশ্বের ফুটবলের স্পটলাইট থাকবে দলটির অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের ওপর। ২০১৭ সালের মার্চে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হওয়া এমবাপ্পে ২০১৮ বিশ্বকাপে করেছেন ৪ গোল আর ২০২২ বিশ্বকাপে ৮ গোল করে জিতেছেন গোল্ডেন বুট।
ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, বিশ্বকাপে জার্মান তারকা মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ড এবারেই ভেঙে ফেলবেন এমবাপ্পে। জাতীয় দলের হয়ে ৫৬ গোল করা এই ফরোয়ার্ড সদ্য সমাপ্ত ২৫-২৬ মৌসুমে রিয়ালের জার্সিতে ৪২ গোল ও ৭ অ্যাসিস্টে রয়েছেন দুর্দান্ত ফর্মে।
আক্রমণে এমবাপ্পের সঙ্গী হবেন পিএসজির তারকা ও বর্তমান ব্যালন ডি'অর বিজয়ী উসমান দেম্বেলে। এই মৌসুমে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ২০ গোল ও ১১ অ্যাসিস্ট। এছাড়াও রাইট উইংয়ে গতি ছড়াবেন বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে এই মৌসুমে ২২ গোল ও ৩১ অ্যাসিস্ট করা মাইকেল ওলিসে।

ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, আক্রমণে এমবাপ্পে-দেম্বেলে-ওলিসে ত্রয়ী, মাঝমাঠে রাবিও-চুয়ামেনি-কান্তে এবং রক্ষণে সালিবা-কুন্দে-হার্নান্দেজদের নিয়ে ফ্রান্স টিম নিঃসন্দেহে এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে ফেভারিট।
২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালের হারের শোককে শক্তিতে পরিণত করে নিজেদের হারানো শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে ফ্রান্সকে আটকানো কঠিন হবে। দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ও টানা দুবারের ফাইনালিস্টরা নতুন ইতিহাস লিখতে প্রস্তুত।
গোলরক্ষক: মাইক মাইনান, ব্রিস সাম্বা ও রবিন রিসার
রক্ষণ: দায়ো উপামেকানো, উইলিয়াম সালিবা, লুকা দিনিয়ে, থিও হার্নান্দেজ, লুকাস হার্নান্দেজ, ইব্রাহিমা কোনাতে, জুলস কুন্দে, মালো গুস্তো ও ম্যাক্সেন্স ল্যাক্রোয়া।
মাঝমাঠ: এনগোলো কান্তে, আদ্রিয়েন রাবিও, মানু কোনে, অরেলিয়ান চুয়ামেনি ও ওয়ারেন জায়ার-এমেরি।
আক্রমণ: মাঘনেস আকলিউশ, কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে, ডেজিরে দুয়ে, ব্র্যাডলি বারকোলা, রায়ান চেরকি, মার্কাস থুরাম ও জিন-ফিলিপ মাতেতা।

কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে টাইব্রেকারে হারা ফ্রান্স ২০২৬ বিশ্বকাপে শিরোপা পুনরুদ্ধারে মাঠে নামবে। ১৭তম বারের মতো বিশ্বমঞ্চে নেমে নিজেদের তৃতীয় স্বর্ণালী ট্রফি জিততে চায় দলটি।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে ব্রাজিলকে হারিয়ে প্রথমবার এবং ২০১৮ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার সোনালী ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল ফ্রান্স। ২০২২ বিশ্বকাপে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করা এই দলকে টাইব্রেকারে ট্র্যাজিক পরাজয় বরণ করে নিতে হয়।
১৯৩০ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৭৩ ম্যাচে ৩৯ জয়, ১৪ ড্র এবং ২০ পরাজয় রয়েছে ফ্রান্সের ঝুলিতে। ফিফার অফিশিয়াল র্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় এই দল ফুটবল ভক্তদের কাছে পরিচিত ‘লে ব্লুজ’ নামে।
ফ্রান্সের ডাগআউট সামলাচ্ছেন দেশটির সাবেক ফুটবলার দিদিয়ের দেশম। বিশ্বের তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে খেলোয়াড় ও কোচ—উভয় ক্যাটাগরিতে বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি রয়েছে তাঁর। এর আগে মার্সেই, জুভেন্টাস ও মোনাকোর মতো ক্লাবের ডাগআউট সামলেছেন তিনি। তাঁর অধীনে বাছাইপর্বের ৬ ম্যাচে ৫ জয় এবং ১ ড্রতে অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে ফরাসিরা।

বিশ্বকাপে ফ্রান্স লড়বে গ্রুপ ‘আই’-তে। ১৭ জুন সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২৩ জুন ইরাক এবং ২৭ জুন নরওয়ের মুখোমুখি হবে লে ব্লুজরা। কাগজে-কলমে এই গ্রুপে ফ্রান্স ফেভারিট এবং প্রথম দুই ম্যাচেই পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামার আগেই শেষ ৩২ নিশ্চিত করতে চাইবে।
এবারের আসরে শুধু ফ্রান্স নয়, সারাবিশ্বের ফুটবলের স্পটলাইট থাকবে দলটির অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের ওপর। ২০১৭ সালের মার্চে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হওয়া এমবাপ্পে ২০১৮ বিশ্বকাপে করেছেন ৪ গোল আর ২০২২ বিশ্বকাপে ৮ গোল করে জিতেছেন গোল্ডেন বুট।
ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, বিশ্বকাপে জার্মান তারকা মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ড এবারেই ভেঙে ফেলবেন এমবাপ্পে। জাতীয় দলের হয়ে ৫৬ গোল করা এই ফরোয়ার্ড সদ্য সমাপ্ত ২৫-২৬ মৌসুমে রিয়ালের জার্সিতে ৪২ গোল ও ৭ অ্যাসিস্টে রয়েছেন দুর্দান্ত ফর্মে।
আক্রমণে এমবাপ্পের সঙ্গী হবেন পিএসজির তারকা ও বর্তমান ব্যালন ডি'অর বিজয়ী উসমান দেম্বেলে। এই মৌসুমে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ২০ গোল ও ১১ অ্যাসিস্ট। এছাড়াও রাইট উইংয়ে গতি ছড়াবেন বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে এই মৌসুমে ২২ গোল ও ৩১ অ্যাসিস্ট করা মাইকেল ওলিসে।

ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, আক্রমণে এমবাপ্পে-দেম্বেলে-ওলিসে ত্রয়ী, মাঝমাঠে রাবিও-চুয়ামেনি-কান্তে এবং রক্ষণে সালিবা-কুন্দে-হার্নান্দেজদের নিয়ে ফ্রান্স টিম নিঃসন্দেহে এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে ফেভারিট।
২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালের হারের শোককে শক্তিতে পরিণত করে নিজেদের হারানো শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে ফ্রান্সকে আটকানো কঠিন হবে। দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ও টানা দুবারের ফাইনালিস্টরা নতুন ইতিহাস লিখতে প্রস্তুত।
গোলরক্ষক: মাইক মাইনান, ব্রিস সাম্বা ও রবিন রিসার
রক্ষণ: দায়ো উপামেকানো, উইলিয়াম সালিবা, লুকা দিনিয়ে, থিও হার্নান্দেজ, লুকাস হার্নান্দেজ, ইব্রাহিমা কোনাতে, জুলস কুন্দে, মালো গুস্তো ও ম্যাক্সেন্স ল্যাক্রোয়া।
মাঝমাঠ: এনগোলো কান্তে, আদ্রিয়েন রাবিও, মানু কোনে, অরেলিয়ান চুয়ামেনি ও ওয়ারেন জায়ার-এমেরি।
আক্রমণ: মাঘনেস আকলিউশ, কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে, ডেজিরে দুয়ে, ব্র্যাডলি বারকোলা, রায়ান চেরকি, মার্কাস থুরাম ও জিন-ফিলিপ মাতেতা।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে ফুটবল মাঠে পর্তুগালের ভরসার নাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে খেলেছেন ছয়টি বিশ্বকাপ। উয়েফার লিগের ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে তাঁর ক্যারিয়ার।
৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ে একটি প্রশ্ন জেগেছিল, তবে কি মহাকাব্যের শেষ পাতাটি পড়া হয়ে গেল? স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলের হৃদয়ভাঙা হারের পর সবাই যখন ধরে নিয়েছিলেন, নীল-সাদা জার্সিতে বোধহয় শেষবারের মতো লিওনেল মেসি মাঠে নেমেছেন, ঠিক তখনই স্বস্তির খবর পেলেন তাঁর ভক্তরা।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড ও ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের ঘটনায় বিশ্ব ফুটবলে বিতর্ক থামছে না। এ ঘটনায় ফুটবলের নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার (ফিফা) বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরওয়েজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এনএফএফ)।
২৩ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ নতুন নয়। এবারও এমন অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তবে তদন্ত শেষে তারা জানিয়েছে, টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচে বেটিং বা ম্যাচের ফল প্রভাবিত করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
২৩ জুলাই ২০২৬