স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দাপুটে জয়ের পর তৃতীয় ম্যাচে আত্মসমর্পণ করল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ৬ উইকেটে জিতে ১-১ এ সমতায় শেষ করল নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ব্যাট হাতে ৬২ করেন বিজে জেকবস।
শনিবার (২ মে) মিরপুরের শেরেবাংলা ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করতে নেমে মাত্র ১০২ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন গত ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় তাওহীদ হৃদয়। বৃষ্টি বাধার পর একাই বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসিয়ে দেন নিউজিল্যান্ডের ক্লার্কসন।
মামুলি ১০৩ রানের স্কোর চেজ করতে নেমে প্রথমেই ধাক্কা খায় সফরকারীরা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে শরিফুল ইসলামের মিডল স্ট্যাম্পে পিচ হওয়া ডেলিভারিতে লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ক্লার্ক মাত্র ১ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। সেই ওভারেই আরেক ব্যাটসম্যান ডিন ক্লিভার মাত্র ১ রানে কট বিহাইন্ডের শিকার হন।
অন্য প্রান্তে থাকা রবিনসন রিপনের ওভারে চড়াও হতে থাকেন, কিন্তু তিনিও বেশি সময় থিতু হতে পারেননি। আবারও দৃশ্যপটে আসেন সেই শরিফুল তার ফুলার গুড লেন্থের বলে বোল্ড হয়ে ১৪ বলে ২৩ রান করে মাঠ ছাড়েন রবিনসন। মিরপুরে বেরসিক বৃষ্টির পর মনে হচ্ছিল এখানে চলছে বোলারদের ম্যাজিক। মেঘলা আবহাওয়া ও বাতাসকে কাজে লাগিয়ে নতুন বলে উইকেট পান শরিফুল । শরিফুলের স্পেলে ম্যাচে টিকে থাকে বাংলাদেশ।
কিন্তু শরিফুল যে চাপ তৈরি করে গিয়েছিল সেটি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। ম্যাচে শেখ মাহাদির বল এজড হয়ে ফাস্ট স্লিপ না থাকায় বাউন্ডারি পায় জেকবস, এর ফলে নিউজিল্যান্ডও কিছুটা চাপমুক্ত হয়।
১৫ ওভারের ম্যাচ হওয়ায় ম্যাচের পাওয়ার প্লে শেষ হয় ৪.৩ ওভারে, যেখানে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ হয় ৩১ রান।
বাংলাদেশের বোলারদের বিপক্ষে কাউন্টার অ্যাটাক দিতে শুরু করে বিজে জ্যাকবস, শরিফুলের ওভারে টানা দুইটি বাউন্ডারি মেরে চাপ কমান করেন। তাঁকে ওই সময় যোগ্য সঙ্গ দেন অপরপ্রান্তে থাকা ডিন ফক্সক্রফট। তিনি শরিফুলের ওই ওভারের শেষ বলে চার মেরে ম্যাচটা আবার নিউজিল্যান্ডের দিকে এনে দেন।
দলকে ধ্বংসস্তূপ থেকে তুলে এনে দেন এই দুই ব্যাটসম্যান। দুইজনের ৩১ বলে ৫০ রানের জুটির ফলে ১০ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ৮৩ রান সংগ্রহ করে সফরকারী দল। রিশাদকে ছয় হাঁকিয়ে নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রথম ফিফটি পূরণ করেন জেকবস। ৫০ রান পূরণের পর তিনি এক চার ও এক ছয় মেরে ম্যাচ শেষ করেন। যার ফলে নিউজিল্যান্ডও সিরিজে ১-১ এ সমতায় শেষ করে।
স্কোরবোর্ড: বাংলাদেশ ১০২/১০ (১৪.২) হৃদয় ৩৩ লিটন ২৫। ক্লার্কসন ৯/৩ (২), বেল সিয়ার্স ১২/২ (২.২)
নিউজিল্যান্ড ১০৪/৪ (১১.৪) বিজে জ্যাকবস ৬২* টিম রবিনসন ২৩ শরিফুল ১৯/৩ (৩) শেখ মাহাদি ১/২০(৩)।

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দাপুটে জয়ের পর তৃতীয় ম্যাচে আত্মসমর্পণ করল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ৬ উইকেটে জিতে ১-১ এ সমতায় শেষ করল নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ব্যাট হাতে ৬২ করেন বিজে জেকবস।
শনিবার (২ মে) মিরপুরের শেরেবাংলা ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করতে নেমে মাত্র ১০২ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন গত ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় তাওহীদ হৃদয়। বৃষ্টি বাধার পর একাই বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসিয়ে দেন নিউজিল্যান্ডের ক্লার্কসন।
মামুলি ১০৩ রানের স্কোর চেজ করতে নেমে প্রথমেই ধাক্কা খায় সফরকারীরা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে শরিফুল ইসলামের মিডল স্ট্যাম্পে পিচ হওয়া ডেলিভারিতে লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ক্লার্ক মাত্র ১ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। সেই ওভারেই আরেক ব্যাটসম্যান ডিন ক্লিভার মাত্র ১ রানে কট বিহাইন্ডের শিকার হন।
অন্য প্রান্তে থাকা রবিনসন রিপনের ওভারে চড়াও হতে থাকেন, কিন্তু তিনিও বেশি সময় থিতু হতে পারেননি। আবারও দৃশ্যপটে আসেন সেই শরিফুল তার ফুলার গুড লেন্থের বলে বোল্ড হয়ে ১৪ বলে ২৩ রান করে মাঠ ছাড়েন রবিনসন। মিরপুরে বেরসিক বৃষ্টির পর মনে হচ্ছিল এখানে চলছে বোলারদের ম্যাজিক। মেঘলা আবহাওয়া ও বাতাসকে কাজে লাগিয়ে নতুন বলে উইকেট পান শরিফুল । শরিফুলের স্পেলে ম্যাচে টিকে থাকে বাংলাদেশ।
কিন্তু শরিফুল যে চাপ তৈরি করে গিয়েছিল সেটি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। ম্যাচে শেখ মাহাদির বল এজড হয়ে ফাস্ট স্লিপ না থাকায় বাউন্ডারি পায় জেকবস, এর ফলে নিউজিল্যান্ডও কিছুটা চাপমুক্ত হয়।
১৫ ওভারের ম্যাচ হওয়ায় ম্যাচের পাওয়ার প্লে শেষ হয় ৪.৩ ওভারে, যেখানে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ হয় ৩১ রান।
বাংলাদেশের বোলারদের বিপক্ষে কাউন্টার অ্যাটাক দিতে শুরু করে বিজে জ্যাকবস, শরিফুলের ওভারে টানা দুইটি বাউন্ডারি মেরে চাপ কমান করেন। তাঁকে ওই সময় যোগ্য সঙ্গ দেন অপরপ্রান্তে থাকা ডিন ফক্সক্রফট। তিনি শরিফুলের ওই ওভারের শেষ বলে চার মেরে ম্যাচটা আবার নিউজিল্যান্ডের দিকে এনে দেন।
দলকে ধ্বংসস্তূপ থেকে তুলে এনে দেন এই দুই ব্যাটসম্যান। দুইজনের ৩১ বলে ৫০ রানের জুটির ফলে ১০ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ৮৩ রান সংগ্রহ করে সফরকারী দল। রিশাদকে ছয় হাঁকিয়ে নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রথম ফিফটি পূরণ করেন জেকবস। ৫০ রান পূরণের পর তিনি এক চার ও এক ছয় মেরে ম্যাচ শেষ করেন। যার ফলে নিউজিল্যান্ডও সিরিজে ১-১ এ সমতায় শেষ করে।
স্কোরবোর্ড: বাংলাদেশ ১০২/১০ (১৪.২) হৃদয় ৩৩ লিটন ২৫। ক্লার্কসন ৯/৩ (২), বেল সিয়ার্স ১২/২ (২.২)
নিউজিল্যান্ড ১০৪/৪ (১১.৪) বিজে জ্যাকবস ৬২* টিম রবিনসন ২৩ শরিফুল ১৯/৩ (৩) শেখ মাহাদি ১/২০(৩)।

প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ড্র করার পর কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে ব্রাজিল। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগামীকাল শনিবার (২০ জুন) হাইতির মুখোমুখি হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের কো-হোস্ট কানাডা নিজেদের ঘরের মাঠে ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে দর্শকদের একটি অবিস্মরণীয় ম্যাচ উপহার দিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধের ম্যাড়মেড়ে ফুটবলের পর দ্বিতীয়ার্ধে দেখা গেল এক অবিশ্বাস্য ঝড়ের। লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ম্যাচে সব আলো কেড়ে নিলেন সুইজারল্যান্ডের ২০ বছর বয়সী তরুণ যোহান মানজাম্বি।
৫ ঘণ্টা আগে
ম্যাচ ঘড়ির কাঁটা তখন ছুঁয়েছে ৮২ মিনিট, ডাগআউটে চেক প্রজাতন্ত্রের কোচ মিরোস্লাভ ১-০ গোলের লিড নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রহর গুনছিলেন। কিন্তু আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে গত বৃহস্পতিবার লেখা ছিল এক অবিশ্বাস্য চিত্রনাট্য।
৫ ঘণ্টা আগে