স্পোর্টস ডেস্ক

সব জল্পনা উড়িয়ে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদেই থাকছেন ভিনিসিউস জুনিয়র। রিয়ালের সঙ্গে ২০৩২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নতুন চুক্তি করেছেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা উইঙ্গার। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
স্প্যানিশ ও ইংলিশ সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, গত কয়েক মৌসুম ধরেই ভিনিসিউসকে ঘিরে আগ্রহ দেখাচ্ছিলেন আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা। গানার্সদের বাঁ প্রান্তের আক্রমণের ধার বাড়াতে এই উইঙ্গারকে আর্সেনালের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও দেখছিলেন অনেকে।
সাম্প্রতিক সময়ে সেই গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। ট্রান্সফার বাজারে ভিনিসিউসের সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে উঠে আসে লন্ডনের নাম। তবে এসব জল্পনার মাঝেই রিয়ালের সঙ্গে নতুন চুক্তি করলেন ভিনি।
চুক্তির পর সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘বার্নাব্যুতে আট বছর পার করেছি, সামনে আরও ছয় বছরের পথচলার অপেক্ষা করছি।’
মাদ্রিদে ভিনিসিউসের গল্পটা শুরু হয়েছিল কিশোর বয়সে। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্লামেঙ্গো ছেড়ে রিয়ালে পাড়ি জমান তিনি। এরপর কেটে গেছে আট বছর।
অল-হোয়াইটদের জার্সিতে এখন পর্যন্ত ৩৭৫ ম্যাচে ১২৮ গোল করেছেন ভিনিসিউস। ঝুলিতে জমেছে ১৪ বড় শিরোপা।
রিয়ালের হয়ে জিতেছেন দুটি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ, তিনটি ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ, দুটি উয়েফা সুপার কাপ, তিনটি লা লিগা, একটি কোপা দেল রে ও তিনটি স্প্যানিশ সুপার কাপ।
এত অর্জনের মধ্যে দুটি রাত ভিনিসিউসের রিয়াল অধ্যায়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। ২০২২ সালে প্যারিসে লিভারপুলের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে তাঁর গোলেই শিরোপা নিশ্চিত করে রিয়াল। দুই বছর পর ২০২৪ সালে লন্ডনের ওয়েম্বলিতেও চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে গোল করেন তিনি। বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে সেবার ইউরোপসেরার মুকুট পরে মাদ্রিদ।
দলীয় সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত অর্জনেও নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন ভিনি। ২০২৪ সালে জিতেছেন ‘ফিফা দ্য বেস্ট’ পুরস্কার। একই সঙ্গে ২০২৩-২৪ মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেরা খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন তিনি। ২০২৪ সালের ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপেও জেতেন গোল্ডেন বল।

সব জল্পনা উড়িয়ে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদেই থাকছেন ভিনিসিউস জুনিয়র। রিয়ালের সঙ্গে ২০৩২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নতুন চুক্তি করেছেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা উইঙ্গার। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
স্প্যানিশ ও ইংলিশ সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, গত কয়েক মৌসুম ধরেই ভিনিসিউসকে ঘিরে আগ্রহ দেখাচ্ছিলেন আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা। গানার্সদের বাঁ প্রান্তের আক্রমণের ধার বাড়াতে এই উইঙ্গারকে আর্সেনালের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও দেখছিলেন অনেকে।
সাম্প্রতিক সময়ে সেই গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। ট্রান্সফার বাজারে ভিনিসিউসের সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে উঠে আসে লন্ডনের নাম। তবে এসব জল্পনার মাঝেই রিয়ালের সঙ্গে নতুন চুক্তি করলেন ভিনি।
চুক্তির পর সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘বার্নাব্যুতে আট বছর পার করেছি, সামনে আরও ছয় বছরের পথচলার অপেক্ষা করছি।’
মাদ্রিদে ভিনিসিউসের গল্পটা শুরু হয়েছিল কিশোর বয়সে। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্লামেঙ্গো ছেড়ে রিয়ালে পাড়ি জমান তিনি। এরপর কেটে গেছে আট বছর।
অল-হোয়াইটদের জার্সিতে এখন পর্যন্ত ৩৭৫ ম্যাচে ১২৮ গোল করেছেন ভিনিসিউস। ঝুলিতে জমেছে ১৪ বড় শিরোপা।
রিয়ালের হয়ে জিতেছেন দুটি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ, তিনটি ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ, দুটি উয়েফা সুপার কাপ, তিনটি লা লিগা, একটি কোপা দেল রে ও তিনটি স্প্যানিশ সুপার কাপ।
এত অর্জনের মধ্যে দুটি রাত ভিনিসিউসের রিয়াল অধ্যায়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। ২০২২ সালে প্যারিসে লিভারপুলের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে তাঁর গোলেই শিরোপা নিশ্চিত করে রিয়াল। দুই বছর পর ২০২৪ সালে লন্ডনের ওয়েম্বলিতেও চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে গোল করেন তিনি। বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে সেবার ইউরোপসেরার মুকুট পরে মাদ্রিদ।
দলীয় সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত অর্জনেও নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন ভিনি। ২০২৪ সালে জিতেছেন ‘ফিফা দ্য বেস্ট’ পুরস্কার। একই সঙ্গে ২০২৩-২৪ মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেরা খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন তিনি। ২০২৪ সালের ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপেও জেতেন গোল্ডেন বল।
.png)

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাকফুটে পড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা ওভালে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে এখনো ৭৩ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।
২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়া সফরে প্রস্তুতি ম্যাচে মেহেদী হাসান মিরাজের অপরাজিত ১০৯ রানে প্রথম ইনিংসে ২৬৩ রান তুলেছে বাংলাদেশ। জবাবে দিন শেষে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ করেছে ২ উইকেটে ৫১ রান।
০৬ আগস্ট ২০২৬
বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর বুধবার (৫ আগস্ট) প্রথম মাঠে নেমেছিলেন লিওনেল মেসি। তবে বিশ্বকাপের হতাশা ও লীগ ম্যাচের দীর্ঘ বিরতির ছাপ দেখা যায়নি তাঁর খেলায়। প্রায় আড়াই মাস পর ইন্টার মায়ামির একাদশে ফিরেই করেছেন জোড়া গোল ও এক অ্যাসিস্ট।
০৬ আগস্ট ২০২৬
শেষ দিকে তাওহিদ হৃদয় উইকেটে এসে। আড়াইশ’র বেশি স্ট্রাইক রেটে মাত্র ২১ বলে তিনি খেলেন ৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংস। হৃদয় অপরাজিত ইনিংস সাজান ৩ চার ও ৫ ছক্কায়।
০৫ আগস্ট ২০২৬