জন্মদিন
স্ট্রিম ডেস্ক

আর্জেন্টিনা, লিওনেল মেসি ও তাঁর ভক্তদের জন্য ১৬ জুন একটি বিশেষ দিন। এই দিনে ফিফা বিশ্বকাপে অভিষেক করেছিলেন মেসি। দিনটি আরও এক কারণে স্মরণীয়। মেসি এই দিনে মিরোস্লাভ ক্লোসার সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ ১৬ গোলদাতার রেকর্ড স্পর্শ করেন। বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে, এই দুটি ঘটনার মধ্যে ব্যবধান ঠিক ২০ বছর!।
মেসির স্বদেশি কার্লোস গার্দেলের গাওয়া বিখ্যাত টাঙ্গো গান ভলভারের ভাষায় বলা যায়—‘কুড়ি বছর কিছুই নয়।’ কেন? চলুন, সেটিই খোঁজা যাক।
লিও মেসি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন এবং ফুটবল কিংবদন্তি। এর আগে বিশ্বকাপে তিনি কখনো হ্যাটট্রিক গোল করেননি। এবারের বিশ্বকাপে সেটিও করে দেখালেন।
২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং ইরানের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনাকে সরাসরি জয় এনে দিয়েছিল মেসির গোল। এছাড়া মেসির বাকি ১১টি গোল সরাসরি ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করেনি। তবে গোলগুলো ছিল দেখার মতো এবং মেসি ভক্তদের জন্য সীমাহীন আনন্দের উৎস। বিশেষ করে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের কথা না বললেনই নয়। ওই বিশ্বকাপে মেসির গোল আর্জেন্টিনাকে তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জিততে সাহায্য করেছিল।
মেসির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় সমালোচনা হচ্ছে, তিনি ক্লাবের হয়ে যতটা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন, আর্জেন্টিনার হয়ে ততটা নন। তিনি বিশ্বকাপের বড় ম্যাচগুলোতে আপন মহিমায় জ্বলে উঠতে পারেন না। সমালোচকেরা ২০১৪ সালে মারাকানায় জার্মানির বিরুদ্ধে সেই হৃদয়বিদারক ফাইনাল, ২০১৮-তে ফ্রান্সের কাছে শেষ ষোলোতে হার এবং ২০০৬ ও ২০১০-এ জার্মানির কাছে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য বারবার মেসির দিকেই আঙুল তোলেন।
এখন প্রশ্ন একটাই, মেসি কি এবার আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয় শিরোপা এনে দিতে পারবেন? মেসি তো এর আগে বার্সেলোনা, প্যারিস সেন্ট জার্মেই এবং ইন্টার মায়ামিতে একের পর এক তাঁর বাঁ পায়ের জাদু দেখিয়েছেন। এই বিশ্বকাপেও হয়তো পারবেন। আশা করতে দোষ কী?
আজ থেকে ঠিক দুই দশক আগে ২০০৬ সালের ১৬ জুন জার্মানির গেলসেনকির্চেনে তৎকালীন আর্জেন্টিনা ম্যানেজার হোসে নেস্টর পেকারম্যানের হাত ধরে বিশ্বকাপে মেসির অভিষেক ঘটেছিল। সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রোর বিরুদ্ধে ৭৪ মিনিটে ম্যাক্সি রদ্রিগেজের বদলি হিসেবে মাঠে নেমে এই তরুণ বিস্ময়বালক একটি গোল এবং একটি অ্যাসিস্ট করে এক স্মরণীয় পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছিলেন।
৭৮ মিনিটে হার্নান ক্রেসপোকে দিয়ে গোল করানোর পর এবং আর্জেন্টিনার ষষ্ঠ ও শেষ গোলটি করার মাধ্যমে মেসি ফুটবলের এই মহমঞ্চে বিশ্বকে জানান দিয়েছিলেন, তিনি জন্মেছেন অমরত্বের জন্য।
‘মেসি ম্যানিয়া’ নামের টার্মটি ঠিক তখন থেকেই দানা বাঁধতে শুরু করেছিল। কুড়ি বছর আগেই মেসি বার্তা দিয়েছিলেন, তিনি একদিন বার্সেলোনার হয়ে একটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং দুটি লা লিগা জিতে নিজেকে ‘গোল্ডেন বয়’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন।
২০২৬ সালের এই বিশ্বকাপে মেসি খেলবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল তুঙ্গে। মেসি কিংবা লিওনেল স্কালোনি কেউই স্পষ্ট কোনো উত্তর দিচ্ছিলেন না। শেষমেশ ১৬ জুন জানা যায়, মেসি খেলছেন।
কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ জয়ের ম্যাচে মেসি ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার রেকর্ড গড়েন। একই ম্যাচে তিনি ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক করে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং নরওয়ের এর্লিং হাল্যান্ডের অভিষেককেও ম্লান করে দেন।
ভক্তরা ভেবেছিল, এই বিশ্বকাপ হয়তো মেসি খেলতেই পারবেন না। সেই তিনি শুধু খেলছেনই না, অবিশ্বাস্য সব জাদু উপহার দিচ্ছেন। তিনি বিশ্বকাপে ২৭টি ম্যাচ খেলে ইতিহাস গড়লেন। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল জার্মান কিংবদন্তি লোথার ম্যাথাউস (২৫) এবং মিরোস্লাভ ক্লোসার (২৪)।
আর্জেন্টিনা ডিয়েগো ম্যারাডোনা, মারিও কেম্পেস এবং গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার মতো কিংবদন্তি উপহার দিয়েছে। কিন্তু মেসির মতো কেউ এত দীর্ঘসময় শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে পারেননি। একমাত্র মেসিই একটানা তিন প্রজন্মকে প্রভাবিত করেছেন—মিলেনিয়াল, জেন-জি ও জেন-আলফা।
এই পৃথিবীর অনেকেই মেসিকে রেকর্ড ভাঙতে এবং ট্রফি জিততে দেখতে দেখতে বড় হয়েছেন। অনেকেই শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছেন মেসির একের পর এক সাফল্য দেখতে দেখতে। সেই কারণেই তাঁর ক্যারিয়ারের কিছু অন্ধকার অধ্যায় অনেকের স্মৃতি থেকে ম্লান হয়ে গেছে। যেমন—২০১৫ ও ২০১৬ সালে চিলির কাছে কোপা আমেরিকা ফাইনাল হারার পর জাতীয় দল থেকে তার অবসর নেওয়া, ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই কষ্ট এবং বার্সেলোনা থেকে তাঁর বেদনাদায়ক বিদায়।
যারা মেসির সঙ্গে সঙ্গে বড় হয়েছেন, তাদের জন্য মেসির বিদায় বলার দিনটি হবে সবচেয়ে কষ্টের। সম্ভবত সেই দিনটি খুব দ্রুতই এগিয়ে আসছে। তারপরও মেসি থেকে যাবেন তিন প্রজন্মের অন্তরে—মিলেনিয়াল, জেন-জি, আলফা।
সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা: বিশ্বকাপে ২৮ ম্যাচ খেলে তাঁর ঝুলিতে আছে ১৮ গোল; যার ফলে তিনি এখন পুরুষ বিশ্বকাপে এককভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা।
বিশ্বমঞ্চে সর্বাধিক ম্যাচ: বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডটি মেসির দখলে (২৮টি ম্যাচ)।
বিশ্বকাপে টানা ছয় ম্যাচে গোল: অস্ট্রিয়ার সঙ্গে ম্যাচে জোড়া গোল করার মাধ্যমে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ থেকে নিজের খেলা বিশ্বমঞ্চের প্রতিটি ম্যাচে গোল করার অনন্য রেকর্ড গড়ে সুইডেনের ফোন্টানি ও মেক্সিকোর জারজিনহোর করা বিশ্বকাপে টানা ছয় গোলের রেকর্ডের পাশে নিজের নাম লেখালেন মেসি।
সর্বোচ্চ হ্যাট্রিক: আলজেরিয়ার সঙ্গে হ্যাটট্রিকের ওপর ভর করে তিনি তাঁর আন্তর্জাতিক ফুটবলে হ্যাটট্রিকের দৌড়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ১০ হ্যাট্রিকের রেকর্ড ভেঙ্গে ফেললেন এলএমটেন।
বিশ্বমঞ্চে সর্বোচ্চ সময় খেলেছেন মেসি: ইতালির কিংবদন্তি ডিফেন্ডার পাওলো মালদিনির ২,২১৭ মিনিট মাঠে থাকার রেকর্ড তিনি আগেই নিজের করে নিয়েছিলেন। অস্ট্রিয়া ম্যাচের পর বিশ্বকাপে মেসির কাটানো সময় এখন ২,৪৮৩ মিনিট ছাড়িয়ে গেছে।
(কাতারভিত্তিক স্পোর্টস চ্যানেল বিইন স্পোর্টস থেকে অনূদিত)

আর্জেন্টিনা, লিওনেল মেসি ও তাঁর ভক্তদের জন্য ১৬ জুন একটি বিশেষ দিন। এই দিনে ফিফা বিশ্বকাপে অভিষেক করেছিলেন মেসি। দিনটি আরও এক কারণে স্মরণীয়। মেসি এই দিনে মিরোস্লাভ ক্লোসার সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ ১৬ গোলদাতার রেকর্ড স্পর্শ করেন। বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে, এই দুটি ঘটনার মধ্যে ব্যবধান ঠিক ২০ বছর!।
মেসির স্বদেশি কার্লোস গার্দেলের গাওয়া বিখ্যাত টাঙ্গো গান ভলভারের ভাষায় বলা যায়—‘কুড়ি বছর কিছুই নয়।’ কেন? চলুন, সেটিই খোঁজা যাক।
লিও মেসি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন এবং ফুটবল কিংবদন্তি। এর আগে বিশ্বকাপে তিনি কখনো হ্যাটট্রিক গোল করেননি। এবারের বিশ্বকাপে সেটিও করে দেখালেন।
২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং ইরানের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনাকে সরাসরি জয় এনে দিয়েছিল মেসির গোল। এছাড়া মেসির বাকি ১১টি গোল সরাসরি ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করেনি। তবে গোলগুলো ছিল দেখার মতো এবং মেসি ভক্তদের জন্য সীমাহীন আনন্দের উৎস। বিশেষ করে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের কথা না বললেনই নয়। ওই বিশ্বকাপে মেসির গোল আর্জেন্টিনাকে তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জিততে সাহায্য করেছিল।
মেসির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় সমালোচনা হচ্ছে, তিনি ক্লাবের হয়ে যতটা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন, আর্জেন্টিনার হয়ে ততটা নন। তিনি বিশ্বকাপের বড় ম্যাচগুলোতে আপন মহিমায় জ্বলে উঠতে পারেন না। সমালোচকেরা ২০১৪ সালে মারাকানায় জার্মানির বিরুদ্ধে সেই হৃদয়বিদারক ফাইনাল, ২০১৮-তে ফ্রান্সের কাছে শেষ ষোলোতে হার এবং ২০০৬ ও ২০১০-এ জার্মানির কাছে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য বারবার মেসির দিকেই আঙুল তোলেন।
এখন প্রশ্ন একটাই, মেসি কি এবার আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয় শিরোপা এনে দিতে পারবেন? মেসি তো এর আগে বার্সেলোনা, প্যারিস সেন্ট জার্মেই এবং ইন্টার মায়ামিতে একের পর এক তাঁর বাঁ পায়ের জাদু দেখিয়েছেন। এই বিশ্বকাপেও হয়তো পারবেন। আশা করতে দোষ কী?
আজ থেকে ঠিক দুই দশক আগে ২০০৬ সালের ১৬ জুন জার্মানির গেলসেনকির্চেনে তৎকালীন আর্জেন্টিনা ম্যানেজার হোসে নেস্টর পেকারম্যানের হাত ধরে বিশ্বকাপে মেসির অভিষেক ঘটেছিল। সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রোর বিরুদ্ধে ৭৪ মিনিটে ম্যাক্সি রদ্রিগেজের বদলি হিসেবে মাঠে নেমে এই তরুণ বিস্ময়বালক একটি গোল এবং একটি অ্যাসিস্ট করে এক স্মরণীয় পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছিলেন।
৭৮ মিনিটে হার্নান ক্রেসপোকে দিয়ে গোল করানোর পর এবং আর্জেন্টিনার ষষ্ঠ ও শেষ গোলটি করার মাধ্যমে মেসি ফুটবলের এই মহমঞ্চে বিশ্বকে জানান দিয়েছিলেন, তিনি জন্মেছেন অমরত্বের জন্য।
‘মেসি ম্যানিয়া’ নামের টার্মটি ঠিক তখন থেকেই দানা বাঁধতে শুরু করেছিল। কুড়ি বছর আগেই মেসি বার্তা দিয়েছিলেন, তিনি একদিন বার্সেলোনার হয়ে একটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং দুটি লা লিগা জিতে নিজেকে ‘গোল্ডেন বয়’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন।
২০২৬ সালের এই বিশ্বকাপে মেসি খেলবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল তুঙ্গে। মেসি কিংবা লিওনেল স্কালোনি কেউই স্পষ্ট কোনো উত্তর দিচ্ছিলেন না। শেষমেশ ১৬ জুন জানা যায়, মেসি খেলছেন।
কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ জয়ের ম্যাচে মেসি ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার রেকর্ড গড়েন। একই ম্যাচে তিনি ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক করে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং নরওয়ের এর্লিং হাল্যান্ডের অভিষেককেও ম্লান করে দেন।
ভক্তরা ভেবেছিল, এই বিশ্বকাপ হয়তো মেসি খেলতেই পারবেন না। সেই তিনি শুধু খেলছেনই না, অবিশ্বাস্য সব জাদু উপহার দিচ্ছেন। তিনি বিশ্বকাপে ২৭টি ম্যাচ খেলে ইতিহাস গড়লেন। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল জার্মান কিংবদন্তি লোথার ম্যাথাউস (২৫) এবং মিরোস্লাভ ক্লোসার (২৪)।
আর্জেন্টিনা ডিয়েগো ম্যারাডোনা, মারিও কেম্পেস এবং গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার মতো কিংবদন্তি উপহার দিয়েছে। কিন্তু মেসির মতো কেউ এত দীর্ঘসময় শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে পারেননি। একমাত্র মেসিই একটানা তিন প্রজন্মকে প্রভাবিত করেছেন—মিলেনিয়াল, জেন-জি ও জেন-আলফা।
এই পৃথিবীর অনেকেই মেসিকে রেকর্ড ভাঙতে এবং ট্রফি জিততে দেখতে দেখতে বড় হয়েছেন। অনেকেই শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছেন মেসির একের পর এক সাফল্য দেখতে দেখতে। সেই কারণেই তাঁর ক্যারিয়ারের কিছু অন্ধকার অধ্যায় অনেকের স্মৃতি থেকে ম্লান হয়ে গেছে। যেমন—২০১৫ ও ২০১৬ সালে চিলির কাছে কোপা আমেরিকা ফাইনাল হারার পর জাতীয় দল থেকে তার অবসর নেওয়া, ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই কষ্ট এবং বার্সেলোনা থেকে তাঁর বেদনাদায়ক বিদায়।
যারা মেসির সঙ্গে সঙ্গে বড় হয়েছেন, তাদের জন্য মেসির বিদায় বলার দিনটি হবে সবচেয়ে কষ্টের। সম্ভবত সেই দিনটি খুব দ্রুতই এগিয়ে আসছে। তারপরও মেসি থেকে যাবেন তিন প্রজন্মের অন্তরে—মিলেনিয়াল, জেন-জি, আলফা।
সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা: বিশ্বকাপে ২৮ ম্যাচ খেলে তাঁর ঝুলিতে আছে ১৮ গোল; যার ফলে তিনি এখন পুরুষ বিশ্বকাপে এককভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা।
বিশ্বমঞ্চে সর্বাধিক ম্যাচ: বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডটি মেসির দখলে (২৮টি ম্যাচ)।
বিশ্বকাপে টানা ছয় ম্যাচে গোল: অস্ট্রিয়ার সঙ্গে ম্যাচে জোড়া গোল করার মাধ্যমে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ থেকে নিজের খেলা বিশ্বমঞ্চের প্রতিটি ম্যাচে গোল করার অনন্য রেকর্ড গড়ে সুইডেনের ফোন্টানি ও মেক্সিকোর জারজিনহোর করা বিশ্বকাপে টানা ছয় গোলের রেকর্ডের পাশে নিজের নাম লেখালেন মেসি।
সর্বোচ্চ হ্যাট্রিক: আলজেরিয়ার সঙ্গে হ্যাটট্রিকের ওপর ভর করে তিনি তাঁর আন্তর্জাতিক ফুটবলে হ্যাটট্রিকের দৌড়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ১০ হ্যাট্রিকের রেকর্ড ভেঙ্গে ফেললেন এলএমটেন।
বিশ্বমঞ্চে সর্বোচ্চ সময় খেলেছেন মেসি: ইতালির কিংবদন্তি ডিফেন্ডার পাওলো মালদিনির ২,২১৭ মিনিট মাঠে থাকার রেকর্ড তিনি আগেই নিজের করে নিয়েছিলেন। অস্ট্রিয়া ম্যাচের পর বিশ্বকাপে মেসির কাটানো সময় এখন ২,৪৮৩ মিনিট ছাড়িয়ে গেছে।
(কাতারভিত্তিক স্পোর্টস চ্যানেল বিইন স্পোর্টস থেকে অনূদিত)

আফ্রিকার দেশ ঘানার অতি-রক্ষণাত্মক কৌশলে হোঁচট খেয়েছে চলতি বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দল ইংল্যান্ড। মঙ্গলবার রাতে বোস্টনের জিলেট স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘এল’-এর ম্যাচে ঘানার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে ‘থ্রি লায়ন্স’রা।
৪০ মিনিট আগে
ডালাসে একটি গল্প প্রচলিত আছে। বলা হয়, টেক্সাস স্টেডিয়ামের (ডালাস শহরের ঠিক বাইরে) ছাদে একটি বিশাল ছিদ্র ছিল, যাতে ঈশ্বর তাঁর প্রিয় ফুটবল দলের খেলা দেখতে পারেন।
৪৩ মিনিট আগে
মাঠে নামার আগেও চলছিল রোনালদোর সমালোচনা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির পাশাপাশি বর্তমান তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর্লিং হলান্ডরা যখন মাঠ কাঁপাচ্ছেন তখন রোনালদো কী করছেন তা নিয়ে চলছিল আলোচনা।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ড্র করার পর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ফর্ম নিয়ে ছি ছি পড়ে গিয়েছিল। যারা সিআর সেভেনের শেষ আগেই দেখে ফেলেছিলেন তারা প্রশ্ন তুলেছিলেন, দলে এমন ‘বুড়ো খেলোয়াড়কে’ রাখার দরকার কী! তবে পরের ম্যাচেই রোনালদো দেখিয়ে দিলেন কেন তিনি ফুটবলের সর্বকালের সেরাদের তালিকায় আছেন।
৪ ঘণ্টা আগে