স্পোর্টস ডেস্ক

স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
ম্যাচ শেষে স্প্যানিশ গণমাধ্যমের কাছে নেইমারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে নিকো বলেন, ‘এই আনন্দ আমি হয়তো ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। এটি আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত। ফুটবলে আমি আমার আইডল হিসেবে নেইমারকে মানি। আশা করি তিনি আমাদের খেলা দেখেছেন। এই বিশ্বজয়ের একটি অংশ আমি তাঁর নামেই উৎসর্গ করছি।’

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলো স্পেন। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের ১০৬ মিনিটে স্পেনের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস। তবে এই গোলের অ্যাসিস্ট করেছেন নিকো। পোস্টের বা সাইড থেকে নিখুঁত এক হেড পাসে তোরেসকে বল বাড়িয়ে দিয়ে স্পেনের শিরোপা জয়ের পথ সুগম করেন এই তরুণ উইঙ্গার।
ম্যাচের প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ের (৯৭ মিনিট) একবার বল জালে জড়িয়ে উদযাপনে মেতেছিলেন নিকো। তবে সতীর্থ মিকেল মেরিনো আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ওটাবেন্ডিকে ফাউলের কারণে ভিএআররের সিদ্ধান্তে গোলটি বাতিল হয়ে যায়। তবে এই গোল বাতিলের হতাশা নিকো তাঁর খেলায় কোনো প্রভাব ফেলতে দেননি। পরে দুর্দান্ত অ্যাসিস্টে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
নিজের বাতিল হওয়া গোল প্রসঙ্গে নিকো বলেন, ‘গোলটি কাউন্ট হয়নি এতে আমার বিন্দুমাত্র আক্ষেপ নেই। দিনশেষে ট্রফিটা যে আমাদের হাতে উঠেছে এটি আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই দলের এমন ঐতিহাসিক বিজয়ের সামনে ব্যক্তিগত কোনো আক্ষেপের জায়গা থাকে না।’
পুরো টুর্নামেন্টেই বদলি হিসেবে স্পেনের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা ছিলেন নিকো উইলিয়ামস। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে স্পেনের আক্রমণভাগকে শক্তিশালী করেছেন তিনি। ফাইনালেও নিজের সেরাটা উজাড় করে দিয়ে শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
ম্যাচ শেষে স্প্যানিশ গণমাধ্যমের কাছে নেইমারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে নিকো বলেন, ‘এই আনন্দ আমি হয়তো ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। এটি আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত। ফুটবলে আমি আমার আইডল হিসেবে নেইমারকে মানি। আশা করি তিনি আমাদের খেলা দেখেছেন। এই বিশ্বজয়ের একটি অংশ আমি তাঁর নামেই উৎসর্গ করছি।’

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলো স্পেন। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের ১০৬ মিনিটে স্পেনের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস। তবে এই গোলের অ্যাসিস্ট করেছেন নিকো। পোস্টের বা সাইড থেকে নিখুঁত এক হেড পাসে তোরেসকে বল বাড়িয়ে দিয়ে স্পেনের শিরোপা জয়ের পথ সুগম করেন এই তরুণ উইঙ্গার।
ম্যাচের প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ের (৯৭ মিনিট) একবার বল জালে জড়িয়ে উদযাপনে মেতেছিলেন নিকো। তবে সতীর্থ মিকেল মেরিনো আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ওটাবেন্ডিকে ফাউলের কারণে ভিএআররের সিদ্ধান্তে গোলটি বাতিল হয়ে যায়। তবে এই গোল বাতিলের হতাশা নিকো তাঁর খেলায় কোনো প্রভাব ফেলতে দেননি। পরে দুর্দান্ত অ্যাসিস্টে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
নিজের বাতিল হওয়া গোল প্রসঙ্গে নিকো বলেন, ‘গোলটি কাউন্ট হয়নি এতে আমার বিন্দুমাত্র আক্ষেপ নেই। দিনশেষে ট্রফিটা যে আমাদের হাতে উঠেছে এটি আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই দলের এমন ঐতিহাসিক বিজয়ের সামনে ব্যক্তিগত কোনো আক্ষেপের জায়গা থাকে না।’
পুরো টুর্নামেন্টেই বদলি হিসেবে স্পেনের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা ছিলেন নিকো উইলিয়ামস। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে স্পেনের আক্রমণভাগকে শক্তিশালী করেছেন তিনি। ফাইনালেও নিজের সেরাটা উজাড় করে দিয়ে শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
১৪ ঘণ্টা আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
১৮ ঘণ্টা আগে
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
২১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ব্যক্তিগত পুরস্কারে ছিল স্পেনেরই জয়জয়কার। সেরা খেলোয়াড়, সেরা গোলরক্ষক ও সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারই উঠেছে স্পেনের তারকাদের হাতে। তবে গোলের মঞ্চে সবাইকে পেছনে ফেলে ১০ গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে।
১ দিন আগে