স্পোর্টিং উইকেটে খেলার অভ্যাসই ডারউইন টেস্টে সাফল্যের চাবিকাঠি: আশরাফুল

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ২৭
গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। সংগৃহীত ছবি
গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। সংগৃহীত ছবি

দেশে ভালো উইকেটে খেলার ইতিবাচক মানসিকতা ও ধারাবাহিক প্রস্তুতির ফলে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ দল সাফল্য পাচ্ছে বলে মনে করেন জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্মরণীয় জয়ের পথ ধরে লাল বলের ক্রিকেটে দলের উন্নতির ব্যপারে তুলে ধরেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশের জয়ের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাবেক এই ব্যাটার বলেন, ‘গত আট-নয় মাস ধরে টেস্ট ও ওয়ানডেতে আমাদের দল ধারাবাহিকভাবে সাফল্য পাচ্ছে। দলের প্রধান কোচ এবং তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক সাম্প্রতিক সময়ে স্পোর্টিং উইকেটে খেলার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার ইতিবাচক প্রভাব ডারউইন টেস্টে কাজে লেগেছে।’

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক জয়ের অনুভূতি প্রকাশ করে আশরাফুল বলেন, ‘ডারউইনে ওদের দেশে গিয়ে টেস্ট জয় করাটা দলের জন্য একটা হিউজ অ্যাচিভমেন্ট। লাস্ট সাতটা টেস্টের মধ্যে আমরা পাঁচটাতে জিতেছি আর এই সাফল্যের অংশ হতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে হচ্ছে।’

দ্বিতীয় টেস্টে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর ব্যাটিং ইউনিট নিয়ে কাজ করবেন বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ম্যাকাই টেস্টে আমাদের ব্যাটিংটা তেমন আশানুরূপ হয়নি। তবে আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরকে সামনে রেখে ব্যাটিং বিভাগ নিয়ে আমি আলাদা কাজ করব।’

প্রথম টেস্টে তানজীদ তামিমের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করে আশরাফুল বলেন, ‘একটা শতক পেতে হলে ব্যাটিংয়ে একটা টেম্পারমেন্ট শো করতে হয়। যেটি তামিম অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের বিপক্ষে ভালোভাবে করে দেখিয়েছেন। আমি আশা প্রকাশ করব সামনে সে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।’

মিরপুরে অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়ে গেম ডেভেলপমেন্ট টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ধন্যবাদ জানান তিনি।

নতুন ক্রিকেটার তৈরির জন্য প্রতি মৌসুমে খেলোয়াড়দের ম্যাচের সংখ্যা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে আশরাফুল বলেন, ‘আমাদের যদি সত্যিকারের ওয়ার্ল্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিকে যেতে হয়, তবে তরুণদের ম্যাচের সংখ্যা বাড়াতেই হবে। এলিট পর্যায়ের ১৫-২০ ম্যাচ খেললে তেমন উন্নয়ন সম্ভব হবে না। অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের মতো আমাদেরও দীর্ঘমেয়াদে ক্রিকেট খেলার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।’

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত