স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপে নিজেদের ‘ইউরোপীয় ও নরওয়ে জুজু’ কাটানোর লক্ষ্যে মাঠে নামছে ব্রাজিল। সোমবার (৬ জুলাই) শেষ ১৬-র হাইভোল্টেজ ম্যাচে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা মুখোমুখি হবে এবারের আসরের ‘ডার্ক হর্স’ নরওয়ের।
ব্রাজিল কখনো নরওয়েকে হারাতে পারেনি। দুই দলের আগের চারবারের দেখায় নরওয়ে জিতেছে দুটিতে এবং বাকি দুটি হয়েছে ড্র। বিশেষ করে ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলকে ২-১ ব্যবধানে হারানোর স্মৃতি আজও নরওয়ের ফুটবলে এক রূপকথা। নরওয়ের বর্তমান কোচ স্তাল সোলবাকেন ১৯৯৮ সালের সেই জয়ী দলের মাঝমাঠের দায়িত্বে ছিলেন।
পরিসংখ্যানের দিক থেকে ব্রাজিলের বড় দুশ্চিন্তা তাদের ‘ইউরোপীয় জুজু’। ২০০২ আসরের ফাইনালে জার্মানিকে হারানোর পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কোনো ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে জিততে পারেনি ব্রাজিল। গত ছয়টি বিশ্বকাপেই নকআউট পর্বে ইউরোপের দলগুলোর কাছে হেরেই বিদায় নিয়েছে সেলেসাওরা।
ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে নরওয়ের কোচ সোলবাকেন বলেন, ‘ব্রাজিল আগের বছরগুলোর মতো একচেটিয়া ফেভারিট না হলেও, এই ম্যাচে তারাই ফেভারিট। আমরা আমাদের শতভাগ দিতে পারলে তবেই ব্রাজিলকে হারাতে পারব, নয়তো সুযোগ নেই।’
একই সুরে নরওয়ের তারকা আর্লিং হলান্ড বলছেন, এই ম্যাচে ব্রাজিলই স্পষ্ট ফেভারিট।
তবে হলান্ডের এমন মন্তব্যকে মনস্তাত্ত্বিক চাল উল্লেখ করে ব্রাজিলের মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেজ বলেন, ‘হলান্ড খুব চতুরতার সঙ্গেই এটি বলেছে। নিজেদের ওপর থাকা চাপ সে আমাদের ওপর চাপিয়েছে। তবে কে কী বলছে তা নিয়ে আমরা ভাবছি না। মাঠে এগারো জনের বিপক্ষে এগারো জনই নির্ধারণ করে কে জিতবে। ওদের লম্বা খেলোয়াড় আছে, তারা ক্রস করার চেষ্টা করবে। আমাদের কাজ বুদ্ধি খাটিয়ে ঠেকানো।’
মাঠের লড়াইয়ে স্পটলাইট থাকবে ব্রাজিলের রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং নরওয়ের ম্যান সিটি তারকা আর্লিং হলান্ডের ওপর। টুর্নামেন্টে ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ গোল করেছেন ভিনিসিয়ুস। ২০০২ সালে রোনালদো ও রিভালদোর পর ভিনিসিয়ুসই প্রথম ব্রাজিলিয়ান, যিনি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই গোল করেছেন।
অন্যদিকে, এবারের বিশ্বকাপে নরওয়ের করা ১০ গোলের ৫টিই এসেছে হলান্ডের পা থেকে।
হলান্ডকে আটকানোর বিশেষ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে গিমারেজ জানান, তাঁদের মূল লক্ষ্য থাকবে হলান্ডের কাছে যেন বল পৌঁছাতে না পারে এবং আক্রমণের সময় তাঁকে কড়া মার্কিংয়ে রাখা হবে।
হলান্ডকে ঠেকানোর পাশাপাশি মাঝমাঠে আর্সেনাল অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের সঙ্গে নিজের দ্বৈরথ নিয়ে রোমাঞ্চিত গিমারেজ। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণটা আমিই নিতে পারব।’
অপ্টা সুপারকম্পিউটারের হিসাব অনুযায়ী, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনা ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ, নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা ২২ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ার সম্ভাবনা ২৪ শতাংশ।
ইনজুরি সমস্যায় জর্জরিত দুই শিবিরই। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে ব্রাজিলের মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতা এই ম্যাচে খেলবেন না। অন্যদিকে রাফিনহা ইনজুরি কাটিয়ে একক অনুশীলন শুরু করলেও এই ম্যাচ কাটাতে হবে বেঞ্চেই। নরওয়ে শিবিরেও বড় ধাক্কা লেগেছে, নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার জুলিয়ান রায়ারসন উরুর ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে থাকছেন।
তথ্যসূত্র: ইএসওএন

বিশ্বকাপে নিজেদের ‘ইউরোপীয় ও নরওয়ে জুজু’ কাটানোর লক্ষ্যে মাঠে নামছে ব্রাজিল। সোমবার (৬ জুলাই) শেষ ১৬-র হাইভোল্টেজ ম্যাচে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা মুখোমুখি হবে এবারের আসরের ‘ডার্ক হর্স’ নরওয়ের।
ব্রাজিল কখনো নরওয়েকে হারাতে পারেনি। দুই দলের আগের চারবারের দেখায় নরওয়ে জিতেছে দুটিতে এবং বাকি দুটি হয়েছে ড্র। বিশেষ করে ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলকে ২-১ ব্যবধানে হারানোর স্মৃতি আজও নরওয়ের ফুটবলে এক রূপকথা। নরওয়ের বর্তমান কোচ স্তাল সোলবাকেন ১৯৯৮ সালের সেই জয়ী দলের মাঝমাঠের দায়িত্বে ছিলেন।
পরিসংখ্যানের দিক থেকে ব্রাজিলের বড় দুশ্চিন্তা তাদের ‘ইউরোপীয় জুজু’। ২০০২ আসরের ফাইনালে জার্মানিকে হারানোর পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কোনো ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে জিততে পারেনি ব্রাজিল। গত ছয়টি বিশ্বকাপেই নকআউট পর্বে ইউরোপের দলগুলোর কাছে হেরেই বিদায় নিয়েছে সেলেসাওরা।
ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে নরওয়ের কোচ সোলবাকেন বলেন, ‘ব্রাজিল আগের বছরগুলোর মতো একচেটিয়া ফেভারিট না হলেও, এই ম্যাচে তারাই ফেভারিট। আমরা আমাদের শতভাগ দিতে পারলে তবেই ব্রাজিলকে হারাতে পারব, নয়তো সুযোগ নেই।’
একই সুরে নরওয়ের তারকা আর্লিং হলান্ড বলছেন, এই ম্যাচে ব্রাজিলই স্পষ্ট ফেভারিট।
তবে হলান্ডের এমন মন্তব্যকে মনস্তাত্ত্বিক চাল উল্লেখ করে ব্রাজিলের মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেজ বলেন, ‘হলান্ড খুব চতুরতার সঙ্গেই এটি বলেছে। নিজেদের ওপর থাকা চাপ সে আমাদের ওপর চাপিয়েছে। তবে কে কী বলছে তা নিয়ে আমরা ভাবছি না। মাঠে এগারো জনের বিপক্ষে এগারো জনই নির্ধারণ করে কে জিতবে। ওদের লম্বা খেলোয়াড় আছে, তারা ক্রস করার চেষ্টা করবে। আমাদের কাজ বুদ্ধি খাটিয়ে ঠেকানো।’
মাঠের লড়াইয়ে স্পটলাইট থাকবে ব্রাজিলের রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং নরওয়ের ম্যান সিটি তারকা আর্লিং হলান্ডের ওপর। টুর্নামেন্টে ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ গোল করেছেন ভিনিসিয়ুস। ২০০২ সালে রোনালদো ও রিভালদোর পর ভিনিসিয়ুসই প্রথম ব্রাজিলিয়ান, যিনি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই গোল করেছেন।
অন্যদিকে, এবারের বিশ্বকাপে নরওয়ের করা ১০ গোলের ৫টিই এসেছে হলান্ডের পা থেকে।
হলান্ডকে আটকানোর বিশেষ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে গিমারেজ জানান, তাঁদের মূল লক্ষ্য থাকবে হলান্ডের কাছে যেন বল পৌঁছাতে না পারে এবং আক্রমণের সময় তাঁকে কড়া মার্কিংয়ে রাখা হবে।
হলান্ডকে ঠেকানোর পাশাপাশি মাঝমাঠে আর্সেনাল অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের সঙ্গে নিজের দ্বৈরথ নিয়ে রোমাঞ্চিত গিমারেজ। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণটা আমিই নিতে পারব।’
অপ্টা সুপারকম্পিউটারের হিসাব অনুযায়ী, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনা ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ, নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা ২২ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ার সম্ভাবনা ২৪ শতাংশ।
ইনজুরি সমস্যায় জর্জরিত দুই শিবিরই। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে ব্রাজিলের মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতা এই ম্যাচে খেলবেন না। অন্যদিকে রাফিনহা ইনজুরি কাটিয়ে একক অনুশীলন শুরু করলেও এই ম্যাচ কাটাতে হবে বেঞ্চেই। নরওয়ে শিবিরেও বড় ধাক্কা লেগেছে, নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার জুলিয়ান রায়ারসন উরুর ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে থাকছেন।
তথ্যসূত্র: ইএসওএন

বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ২০০ মিটার উঁচুতে আজতেকা স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া এই লড়াই দেখতে উদ্গ্রীব ফুটবল ভক্তরা।
৩৮ মিনিট আগে
উত্তেজনা, ধাক্কাধাক্কি আর ৪টি হলুদ কার্ডের ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। ফরাসিদের হয়ে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোলটি করেছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ মরক্কো।
৯ ঘণ্টা আগে
কানাডাকে ৩–০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে মরক্কো। শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টনে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত ফুটবল খেলে জয় নিশ্চিত করে আফ্রিকান দলটি।
১০ ঘণ্টা আগে
এবারের আসরের লড়াই এখনো শেষ না হলেও এরই মধ্যে বিদায় নিতে হয়েছে আটজন কোচকে। চাকরি হারানো, পদত্যাগ কিংবা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া—সব মিলিয়ে এই তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হলেন জার্মানির জুলিয়ান নাগেলসম্যান। নকআউটে প্যারাগুয়ের কাছে পেনাল্টি শুটআউটে হেরে বিদায়ের পর গত শুক্রবার তিনি ইস্তফা দেন।
০৪ জুলাই ২০২৬