স্ট্রিম প্রতিবেদক

আর্জেন্টিনার মোট জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে ৪ কোটি। অথচ দেশটির জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থক শুধু বাংলাদেশেই ৭ কোটির বেশি। অর্থাৎ, দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির চেয়ে প্রায় আড়াই কোটি বেশি আর্জেন্টিনা-ভক্ত রয়েছেন ১৭ হাজার কিলোমিটার দূরের বাংলাদেশে।
স্প্যানিশ দৈনিক এল পাইসের এক বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চিত্র। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে লিওনেল মেসির হ্যাট্রিকের পর বাংলাদেশের সমর্থকদের উচ্ছ্বাসকেও বিশেষভাবে তুলে ধরেছে সংবাদমাধ্যমটি।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন এল পাইসের সাংবাদিক ইয়ান গ্যারা হ্যান। তাঁর ভাষ্য, বিশ্বজুড়ে আর্জেন্টাইন সমর্থনের সবচেয়ে বড় কেন্দ্রগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের সময় ভোর হলেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় লাখো মানুষ জেগে থেকে মেসিদের খেলা দেখছেন এবং জয় উদ্যাপন করছেন।
বাংলাদেশি ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার রাজীব হাসানকে উদ্ধৃত করে এল পাইস জানিয়েছে, দেশে প্রায় ১২ কোটি ফুটবল দর্শকের মধ্যে ৬০ শতাংশের বেশি আর্জেন্টিনার সমর্থক। সেই হিসাবে বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা-ভক্তের সংখ্যা ৭ কোটিরও বেশি।
শতবর্ষের ইতিহাস, ম্যারাডোনার প্রভাব
বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার জনপ্রিয়তার পেছনে ঐতিহাসিক ও আবেগঘন কারণও খুঁজেছেন এল পাইসের ক্রীড়া সাংবাদিক আন্দ্রেস বুর্গো। তাঁর মতে, ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডিয়েগো ম্যারাডোনার স্মরণীয় পারফরম্যান্স এবং সেই সময়ের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বাঙালিদের মনে বিশেষ আবেগ তৈরি করেছিল। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের স্মৃতির সঙ্গে অনেকেই সেই ম্যাচকে প্রতীকীভাবে যুক্ত করেছিলেন। সময়ের সঙ্গে সেই আবেগ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থকদের অভূতপূর্ব উচ্ছ্বাস আর্জেন্টিনাতেও আলোচনার জন্ম দেয়। এর কিছুদিন পর প্রায় চার দশক বিরতির পর ঢাকায় পুনরায় দূতাবাস চালু করে দেশটি।
তবে বাংলাদেশের মানুষের কাছে আর্জেন্টিনার জনপ্রিয়তা শুধু দলের সাফল্যের কারণে নয়, লিওনেল মেসির ব্যক্তিত্বও এর বড় কারণ। প্রায় ৪০ বছর বয়সেও নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণের মানসিকতা তাঁকে অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীকে পরিণত করেছে।
ধারাভাষ্যকার রাজীব হাসানের ভাষায়, ‘মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন। তিনি আমাদের অনুপ্রাণিত করেন, সাহস জোগান।’ এ কারণেই হয়তো আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সি আজ শুধু বুয়েনস এইরেস নয়, সমান আবেগে উড়ে ঢাকার আকাশেও।

আর্জেন্টিনার মোট জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে ৪ কোটি। অথচ দেশটির জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থক শুধু বাংলাদেশেই ৭ কোটির বেশি। অর্থাৎ, দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির চেয়ে প্রায় আড়াই কোটি বেশি আর্জেন্টিনা-ভক্ত রয়েছেন ১৭ হাজার কিলোমিটার দূরের বাংলাদেশে।
স্প্যানিশ দৈনিক এল পাইসের এক বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চিত্র। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে লিওনেল মেসির হ্যাট্রিকের পর বাংলাদেশের সমর্থকদের উচ্ছ্বাসকেও বিশেষভাবে তুলে ধরেছে সংবাদমাধ্যমটি।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন এল পাইসের সাংবাদিক ইয়ান গ্যারা হ্যান। তাঁর ভাষ্য, বিশ্বজুড়ে আর্জেন্টাইন সমর্থনের সবচেয়ে বড় কেন্দ্রগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের সময় ভোর হলেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় লাখো মানুষ জেগে থেকে মেসিদের খেলা দেখছেন এবং জয় উদ্যাপন করছেন।
বাংলাদেশি ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার রাজীব হাসানকে উদ্ধৃত করে এল পাইস জানিয়েছে, দেশে প্রায় ১২ কোটি ফুটবল দর্শকের মধ্যে ৬০ শতাংশের বেশি আর্জেন্টিনার সমর্থক। সেই হিসাবে বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা-ভক্তের সংখ্যা ৭ কোটিরও বেশি।
শতবর্ষের ইতিহাস, ম্যারাডোনার প্রভাব
বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার জনপ্রিয়তার পেছনে ঐতিহাসিক ও আবেগঘন কারণও খুঁজেছেন এল পাইসের ক্রীড়া সাংবাদিক আন্দ্রেস বুর্গো। তাঁর মতে, ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডিয়েগো ম্যারাডোনার স্মরণীয় পারফরম্যান্স এবং সেই সময়ের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বাঙালিদের মনে বিশেষ আবেগ তৈরি করেছিল। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের স্মৃতির সঙ্গে অনেকেই সেই ম্যাচকে প্রতীকীভাবে যুক্ত করেছিলেন। সময়ের সঙ্গে সেই আবেগ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থকদের অভূতপূর্ব উচ্ছ্বাস আর্জেন্টিনাতেও আলোচনার জন্ম দেয়। এর কিছুদিন পর প্রায় চার দশক বিরতির পর ঢাকায় পুনরায় দূতাবাস চালু করে দেশটি।
তবে বাংলাদেশের মানুষের কাছে আর্জেন্টিনার জনপ্রিয়তা শুধু দলের সাফল্যের কারণে নয়, লিওনেল মেসির ব্যক্তিত্বও এর বড় কারণ। প্রায় ৪০ বছর বয়সেও নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণের মানসিকতা তাঁকে অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীকে পরিণত করেছে।
ধারাভাষ্যকার রাজীব হাসানের ভাষায়, ‘মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন। তিনি আমাদের অনুপ্রাণিত করেন, সাহস জোগান।’ এ কারণেই হয়তো আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সি আজ শুধু বুয়েনস এইরেস নয়, সমান আবেগে উড়ে ঢাকার আকাশেও।
.png)

ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের লিড নেওয়া বাংলাদেশ এখনো স্বাগতিকদের চেয়ে ৬৭ রানে এগিয়ে রয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) আগের দিনের ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়। তানজিদ হা
৭ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে ২২৮ রানের বিশাল লিড পায় বাংলাদেশ। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে হাসান মাহমুদের পেসে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার
১১ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিনে প্রথম সেশনেও স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ৮ উইকেটে ৪১৭ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। এর মাধ্যমে ২১৯ রানের বিশাল লিড পেয়েছে সফরকারীরা। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব
১২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে স্বাগতিক পেসারদের বাউন্স ও সুইং সামলে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্য প্রথম সেঞ্চুরি করলেন তানজিদ তামিম। এটি তাঁরও প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। নিজের এ অর্জন মা-বাবাকে উৎসর্গ করেছেন তামিম।
১৪ আগস্ট ২০২৬