দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক ইমরান খানের, পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনাতোশাখানা–২ দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড পাওয়ার একদিন পর দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এই মামলায় তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবিকেও একই মেয়াদের সাজা দেওয়া হয়েছে।
স্ট্রিম এক্সপ্লেইনার /পাকিস্তানি বাহিনীর রণকৌশল যেভাবে মোকাবিলা করে মিত্রবাহিনী১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের লড়াই ছিল না। এটি ছিল সামরিক কৌশল প্রয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এই যুদ্ধে মিত্রবাহিনী গঠিত হয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে।
ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা হতে পারে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সবচেয়ে বড় পরীক্ষাগাজা পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পরিকল্পনার কারণে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির এখন আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে অর্জিত বিশাল ক্ষমতার পর এটি তার জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে।
রক্ত, বর্ষা আর বদ্বীপ: নদীর যুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয়ের ইতিহাস১৯৭১-এ নদী কীভাবে পাকিস্তানের সাপ্লাই চেইন ভেঙে দিয়েছিল, কেন অপারেশন জ্যাকপট ছিল গেমচেঞ্জার এবং কীভাবে মেঘনা পারাপার ত্বরান্বিত করেছিল ঢাকার পতন। একাত্তরে পাকিস্তান কি শুধু মুক্তিবাহিনীর কাছে হেরেছিল? নাকি তার সাথে তারা হেরেছিল এই বদ্বীপের নদী, বর্ষা ও ভূগোলের কাছে?
একাত্তরে নদী ছিল অঘোষিত কমান্ডার: মোহাম্মদ এজাজের মুখোমুখিমুক্তিযুদ্ধে বাংলার নদ-নদীগুলো হয়ে উঠেছিল পাকিস্তানের জন্য ‘লজিস্টিক্যাল নাইটমেয়ার’ বা মৃত্যুফাঁদ, আর আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ‘সেফ জোন’। কিন্তু এই যে ‘মানুষ বনাম প্রকৃতি’র লড়াই, কিংবা মানচিত্রের টেবিলে বসে নদীকে কেন্দ্র করে সেক্টর ভাগ করার এই সুক্ষ্ম কৌশল—এগুলো নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা আসলে করেছেনট
বলিউডি গোয়েন্দা সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ কেন ভারত ও পাকিস্তানে বিতর্কের ঝড় তুলেছেসদ্য মুক্তি পাওয়া একটি বলিউডি গোয়েন্দা সিনেমা ভারত ও পাকিস্তানে প্রশংসা যেমন কুড়াচ্ছে, তেমনি বিতর্কও সৃষ্টি করছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের তিক্ত উত্তেজনাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করায় সিনেমাটি আলোচনায় উঠে এসেছে।
পাকিস্তানি পাসপোর্ট ছিড়ে ফেলে দুই বাঙালি চিকিৎসক মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় আসেন শরণার্থী শিবিরে১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল। লন্ডনের বিখ্যাত হাইড পার্কে ঘটে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। পাকিস্তানি বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে বিলাতের নিশ্চিত ও নিরাপদ জীবনের হাতছানি উপেক্ষা করে দুই বাঙালি তরুণ চিকিৎসক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও ডা. এম এ মবিন নিজেদের পাকিস্তানি পাসপোর্ট ছিড়ে আগুনে পুড়িয়ে দেন।
মুক্তিযুদ্ধ: ইনসারজেন্সি অপারেশন নাকি কনভেনশনাল যুদ্ধআমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধ কি কনভেনশনাল যুদ্ধ নাকি ইনসারজেন্সি অপারেশন? অনেকেরই এই বিষয়ে ধারণা পরিষ্কার নয়। তবে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে হলে শুরুতেই জানতে হবে ইনসারজেন্সি এবং কাউন্টার ইনসারজেন্সি অপারেশন কী?
মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা: দোদুল্যমান সরকার কিন্তু অটল জনসমর্থন১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ব রাজনীতির পরাশক্তিগুলোর ভূমিকা ছিল স্পষ্ট ও বিভাজিত। একদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল, অন্যদিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারত দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশের পাশে।
১৯৭১: চীন যে কারণে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল১৯৭১ সালে বিশ্ব ছিল স্নায়ু যুদ্ধের টানাপোড়েনে ঝুঁকিপূর্ণ এক অবস্থায়। বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলো তখন পৃথিবীজুড়ে ভূরাজনৈতিক কৌশলগত দাবা খেলায় লিপ্ত ছিল। সেই প্রেক্ষাপটে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা আজকের বাংলাদেশ এক গভীর সংকটের দিকে এগোচ্ছিল।
স্টেনগান টু জায়নামাজ: একাত্তরে যুদ্ধ করেছিলেন সুফি সাধক, পীর-মাশায়েখ ও দরবেশেরা‘আজান হয়েছে, আমাকে দুই রাকাত ফজরের নামাজ পড়তে দাও।’ একাত্তরের রমজান মাসে পাকিস্তানিদের কাছে শেষবারের মতো মিনতি করেছিলেন পীর বেলায়েত হোসেন। কিন্তু পাকিস্তানিরা তাঁকে সেই সুযোগ দেয়নি। ব্রাশফায়ারে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় তাঁর দেহ। সঙ্গে তাঁর পরিবারের আরও ১০ সদস্যের।
পাকিস্তানি জেনারেলদের স্ববিরোধিতার দলিলে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নকশা১৯৭১ সালের বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে পাঁচ দশকে জল কম ঘোলা করা হয়নি। কখনো ভারতীয় ষড়যন্ত্র, কখনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে মূল অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই হত্যাকাণ্ডের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কারা ছিল, তা প্রমাণের জন্য আমাদের ভারতীয় বা বাংলাদেশি নথির প্রয়োজন নেই।
পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা: ভারতের প্রতি কি বার্তাযুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের এফ–১৬ যুদ্ধবিমান বহরের জন্য উন্নত প্রযুক্তি ও আধুনিকায়ন সহায়তা অনুমোদন দিয়েছে। এই চুক্তির আর্থিক মূল্য প্রায় ৬৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ায় উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা কারা করেছিলেন, পাকিস্তানি জেনারেলদের বই ঘেঁটে যা জানা গেলঅপরাধবিজ্ঞানে একটি তত্ত্ব আছে—‘মিউচুয়াল রিক্রিমিনেশন’ বা পারস্পরিক দোষারোপ। যখন কোনো অপরাধী চক্রের সদস্যরা নিজেদের বাঁচানোর জন্য একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে শুরু করে, তখন তাদের জবানবন্দি থেকেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য। একাত্তরে পরাজয়ের পর পাকিস্তানি জেনারেলরা ঠিক এই কাজটিই করেছেন।
একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর কাদের হারিয়েছে বাংলাদেশ‘ঠক ঠক, ঠক ঠক! স্যার একটু বাইরে আসবেন?’—এই কথাটি কানে এলেই আমাদের মনে পড়ে একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বরের কথা। বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি দুঃখজনক অধ্যায়। এই দিনেই আলবদর বাহিনী বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের তালিকা করে হত্যা করেছিল। কারণ, তারা চেয়েছিল বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দিতে।
বুদ্ধিজীবী কারা, একাত্তরে কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল তাঁদেরমুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে যখন পুরো জাতি স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখনই বাংলাদেশের বুকে নেমে আসে এক ভয়াল অন্ধকার। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং তাদের দোসররা মিলে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেছিল এদেশের সূর্যসন্তানদের।
জেনারেল যখন নিজেই ধর্ষক: বাংকারের অন্ধকূপে নারী নির্যাতনের গোপন দলিল১৯৭১ সালের রণক্ষেত্র। চারদিকে লুটপাট আর নারী নির্যাতনের মহোৎসব। সাধারণ সৈনিকরা নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে কথা বলছে। তাদেরই একজন প্রশ্ন তুলল— ‘আমাদের কমান্ডার (জেনারেল নিয়াজী) নিজেই তো একজন ধর্ষক। তাহলে আমাদের থামাবে কে?’