বিশ্বজুড়ে মাতৃভাষার জন্য রক্তক্ষয়ী সংগ্রামএকুশে ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। পলাশ-শিমুলের রঙে রাঙানো এক শোকাবহ অথচ গৌরবের দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে ঢাকার রাজপথে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারদের বুকের তাজা রক্তে লেখা হয়েছিল মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার। সেই রক্তস্রোত আজ বিশ্বস্বীকৃত।
ভাষার ভেতর কীভাবে লেখা হয় জাতির ভবিষ্যৎপাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
উপনিবেশের ভাষায় জ্ঞান ও ক্ষমতার রাজনীতি, কীভাবে ঘটে ভাষার মুক্তিভাষা আন্দোলনের ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে যে শাসকগোষ্ঠী ভাষার মাধ্যমে কীভাবে কর্তৃত্ব কায়েম করতে চায় এবং শোষিত জনগোষ্ঠী কীভাবে ভাষাকেই প্রতিরোধের হাতিয়ার করে তোলে। এই প্রেক্ষাপটে উপনিবেশের ভাষা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হিসেবে সামনে আসে।
নির্বাচনী ইশতেহারে ব্যবহৃত ব্যতিক্রমী পরিভাষাএবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির নির্বাচনের ইশতেহার পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাচ্ছে, তারা কেবল গতানুগতিক প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না, বেশ কিছু ‘ব্যতিক্রমী’ ও ‘নতুন শব্দ’ ব্যবহার করেছে। ‘সেকেন্ড রিপাবলিক’, ‘ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং’ কিংবা ‘পিআর পদ্ধতি’– এর মতো শব্দগুলো এখন কেবল তাত্ত্বিক আলোচনায় সীমাব
‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ সংকলন কীভাবে হয়ে ওঠে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির প্রথম পাঠহাল আমলের বাংলাদেশে রাজনৈতিক আলাপচারিতার ভাষায় ‘অন্তর্ভুক্তিমূলকতা’ (inclusiveness) একটা চেনা শব্দ। কিন্তু খুব কম সময়ই এই ভূখণ্ডের জনমানুষ অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সাক্ষাৎ পেয়েছে।
জোস্ থেকে পেরা: শব্দের অর্থ যখন বদলে যায়কোনো কিছু প্রবলভাবে ভালো লাগলে কিংবা আনন্দদায়ক হলে তরুণেরা বলেন ‘জোস্’। তরুণদের ভাষায় ফারসি থেকে বাংলা ভাষায় পরিগৃহীত ‘জোশ’ শব্দটিরও রূপান্তর ঘটেছে। ‘জোশ’ থেকে হয়েছে ‘জোস্’। ফারসিতে ‘জোশ’ শব্দের প্রধান অর্থ তাপ।
বাংলা গদ্যরীতি ও মুনীর চৌধুরীবাংলা গদ্যরীতির শুরু হয়েছিল তিনটি পৃথক ছাঁচ ধরে; যথাক্রমে জনবুলি অসংস্কৃত ছাঁচে উইলিয়াম কেরির ‘কথোপকথন’, আরবি-ফারসিমিশ্রিত ছাঁচে রাম রাম বসুর ‘প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ এবং সংস্কৃত ব্যাকরণে তৎসম শব্দবহুল ছাঁচে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের ‘বত্রিশ সিংহাসনে’র মাধ্যমে।
ভাষা এলো কীভাবে, গবেষণায় মিলল উৎসমানুষ ভাষা কোথা থেকে পেল– বছরের পর বছর এই প্রশ্ন ঘুরছে। দার্শনিকরা উত্তর লিখেছেন, নৃবিজ্ঞানীরা সংগ্রহ করছেন প্রমাণ। ভাষাবিজ্ঞানীরা অসংখ্য ধারণা ভেঙেচুরে গড়লেও, উৎস রহস্যের ঘেরাটোপেই থেকে গেছে।