স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৫৮ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। ফলে বর্তমানে দেশের বাজারে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা, যা আগের দিন ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।
বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকায়।
অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম কমলেও রূপার দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ২২ ক্যারেট রূপার এক ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট রূপা ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপা ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারেও স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে, যা সাম্প্রতিক মাসগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় নিম্নগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গত কয়েক দিনে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় ১ দশমিক ৩ থেকে ২ শতাংশের বেশি পর্যন্ত কমেছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার (৪ মে) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫২৩ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটেও স্বর্ণের দাম ২ শতাংশের বেশি কমে ৪ হাজার ৫৩৩ ডলারে স্থির হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সম্মিলিত প্রভাবেই এই দরপতন ঘটেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে। এর ফলে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, যা স্বর্ণের দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। ডলার শক্তিশালী হলে অন্যান্য মুদ্রার বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে।
এছাড়া জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ সুদের হার বজায় রাখতে পারে। উচ্চ সুদের হার স্বর্ণের মতো অলাভজনক সম্পদে বিনিয়োগের আগ্রহ কমিয়ে দেয়। তবে দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে স্বর্ণ আবারও নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে গুরুত্ব পেতে পারে।
একই সঙ্গে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। রূপার দাম ৩ শতাংশের বেশি কমেছে, আর প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দাম যথাক্রমে প্রায় ১ দশমিক ৭ শতাংশ ও ২ দশমিক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৫৮ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। ফলে বর্তমানে দেশের বাজারে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা, যা আগের দিন ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।
বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকায়।
অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম কমলেও রূপার দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ২২ ক্যারেট রূপার এক ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট রূপা ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপা ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারেও স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে, যা সাম্প্রতিক মাসগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় নিম্নগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গত কয়েক দিনে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় ১ দশমিক ৩ থেকে ২ শতাংশের বেশি পর্যন্ত কমেছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার (৪ মে) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫২৩ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটেও স্বর্ণের দাম ২ শতাংশের বেশি কমে ৪ হাজার ৫৩৩ ডলারে স্থির হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সম্মিলিত প্রভাবেই এই দরপতন ঘটেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে। এর ফলে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, যা স্বর্ণের দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। ডলার শক্তিশালী হলে অন্যান্য মুদ্রার বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে।
এছাড়া জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ সুদের হার বজায় রাখতে পারে। উচ্চ সুদের হার স্বর্ণের মতো অলাভজনক সম্পদে বিনিয়োগের আগ্রহ কমিয়ে দেয়। তবে দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে স্বর্ণ আবারও নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে গুরুত্ব পেতে পারে।
একই সঙ্গে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। রূপার দাম ৩ শতাংশের বেশি কমেছে, আর প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দাম যথাক্রমে প্রায় ১ দশমিক ৭ শতাংশ ও ২ দশমিক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ডলারের শক্ত অবস্থান এবং সুদহার বাড়তে পারে– এমন আশঙ্কায় মঙ্গলবার (১৯ মে) দাম ২ শতাংশের বেশি কমেছে।
২ দিন আগে
বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে ৩৫ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। সোমবার (১৮ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘এনার্জি সেক্টর সিকিউরিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্টের’ আওতায় এই অতিরিক্ত অর্থায়ন দেওয়া হচ্ছে।
৩ দিন আগে
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশের জন্য শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নিউজিল্যান্ড। রোববার (১৭ মে) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠকে নিউজিল্যান্ডের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেভিড পাইন এ কথা বলেন।
৪ দিন আগে
উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট ও বিনিয়োগ স্থবিরতায় ঢাকার সামষ্টিক অর্থনীতি চাপে রয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।
৫ দিন আগে