স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর কাঁচাবাজারে বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে সবজির দাম। দু-একটি বাদে সব সবজিই কিনতে হচ্ছে চড়া দামে। সহজে বললে ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি মিলছে না।
বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজির সরবরাহ কম। এজন্য দাম বেড়েছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, তদারকির অভাবে ব্যবসায়ীরা দাম বেশি রাখছেন।
রোববার (৩ মে) রাজধানীর হাতিরপুল কাঁচাবাজার ও কারওয়ান বাজারে ঘুরে দেখা যায়, প্রায় সব ধরনের সবজি ৮০-১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। হাতিরপুল বাজারে ২০ ধরনের সবজির মধ্যে ঢ্যাঁড়স ও মিষ্টি কুমড়া বাদে সব সবজি ৮০-১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে আবার বরবটি, কাঁকরোল ও বেগুনের কেজি ১২০ টাকা। করলা, পটল, টমেটো, গাজর, লাউ, উচ্ছে, চিচিঙ্গা, মুলা, লতি মিলছে ৮০-৯০ টাকায়। ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের প্রতিপিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। পেপের কেজি ৮০ টাকা।
শসার কেজি ঠেকেছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। মিষ্টি কুমড়া ৪০-৫০, আলু ২০-২৫ ও ঢ্যাঁড়সের কেজি ৭০ টাকা। বড় সাইজের এক হালি লেবুতে লাগছে ৪০ টাকা।
রাজধানীর হাবিবুল্লাহ রোড থেকে বাজারে আসা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক হাসানুল হক বলেন, হঠাৎ সব সবজির দাম বেড়েছে। সপ্তাহখানেক আগেও কম ছিল। সরবরাহ কমের অজুহাত দিচ্ছেন বিক্রেতারা। তবে আমার মনে হয়, বাজার সঠিকভাবে তদারকি হয় না।
বাপ্পি রহমান বলেন, আলু বাদে খাওয়ার কিছু নেই। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য বাজার করা এখন কষ্টকর। বাধ্য হয়ে বাজারের তালিকা কাটছাঁট করতে হচ্ছে।
হাতিরপুল কাঁচাবাজারের বিক্রেতা মো. মহসিন জানান, পাইকারিতে আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি এমন হয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (প্রকল্প পরিকল্পনা) ফারুক আহমদ বলেন, বৃষ্টির কারণে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। আবার শীতকালীন সবজি বাজারে নেই। ফলে দাম একটু বেশি। অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে উপজেলা পর্যায়ে কৃষকদের উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

রাজধানীর কাঁচাবাজারে বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে সবজির দাম। দু-একটি বাদে সব সবজিই কিনতে হচ্ছে চড়া দামে। সহজে বললে ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি মিলছে না।
বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজির সরবরাহ কম। এজন্য দাম বেড়েছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, তদারকির অভাবে ব্যবসায়ীরা দাম বেশি রাখছেন।
রোববার (৩ মে) রাজধানীর হাতিরপুল কাঁচাবাজার ও কারওয়ান বাজারে ঘুরে দেখা যায়, প্রায় সব ধরনের সবজি ৮০-১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। হাতিরপুল বাজারে ২০ ধরনের সবজির মধ্যে ঢ্যাঁড়স ও মিষ্টি কুমড়া বাদে সব সবজি ৮০-১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে আবার বরবটি, কাঁকরোল ও বেগুনের কেজি ১২০ টাকা। করলা, পটল, টমেটো, গাজর, লাউ, উচ্ছে, চিচিঙ্গা, মুলা, লতি মিলছে ৮০-৯০ টাকায়। ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের প্রতিপিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। পেপের কেজি ৮০ টাকা।
শসার কেজি ঠেকেছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। মিষ্টি কুমড়া ৪০-৫০, আলু ২০-২৫ ও ঢ্যাঁড়সের কেজি ৭০ টাকা। বড় সাইজের এক হালি লেবুতে লাগছে ৪০ টাকা।
রাজধানীর হাবিবুল্লাহ রোড থেকে বাজারে আসা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক হাসানুল হক বলেন, হঠাৎ সব সবজির দাম বেড়েছে। সপ্তাহখানেক আগেও কম ছিল। সরবরাহ কমের অজুহাত দিচ্ছেন বিক্রেতারা। তবে আমার মনে হয়, বাজার সঠিকভাবে তদারকি হয় না।
বাপ্পি রহমান বলেন, আলু বাদে খাওয়ার কিছু নেই। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য বাজার করা এখন কষ্টকর। বাধ্য হয়ে বাজারের তালিকা কাটছাঁট করতে হচ্ছে।
হাতিরপুল কাঁচাবাজারের বিক্রেতা মো. মহসিন জানান, পাইকারিতে আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি এমন হয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (প্রকল্প পরিকল্পনা) ফারুক আহমদ বলেন, বৃষ্টির কারণে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। আবার শীতকালীন সবজি বাজারে নেই। ফলে দাম একটু বেশি। অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে উপজেলা পর্যায়ে কৃষকদের উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
.png)

সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে দিনে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট হিসেবে রিগ্যাসিফায়েড লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস (আরএলএনজি) সরবরাহ শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে চাপ বাড়িয়ে রাত ২টার মধ্যে পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১৪ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদার লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত ফ্যাশন সোর্সিং ট্রেড ফেয়ারে বৈশ্বিক ক্রেতা ও তৈরি পোশাক শিল্পের অংশীদারদের নজর কেড়েছে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন। গত ১০ থেকে ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত ‘সোর্সিং অ্যাট ম্যাজিক ২০২৬’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত এ মেলায় নিজেদের সক্ষমতা ও পণ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।
১৩ আগস্ট ২০২৬
সরকারি কাজে পুনঃচক্রায়িত কাগজ-কলম ব্যবহারে গুরুত্ব দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
১২ আগস্ট ২০২৬
ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াসীন আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) তাঁকে ট্রেনিং একাডেমিতে সংযুক্ত করেছে।
১২ আগস্ট ২০২৬