স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রত্যেক মাসের শেষ দিকে চালক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী– সবাই জ্বালানি তেলের (ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেন) দাম নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি (ডায়নামিক প্রাইসিং) চালুর পর থেকে এটি বেড়েছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতি মাসে এই দাম সমন্বয়ের ব্যবস্থা চালু করে ২০২৪ সালের মার্চে, যা এখনো চলছে। যদিও এই সমন্বয় পদ্ধতি উন্নত বিশ্বে বেশ আগে থেকেই চালু রয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এই পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
দেখা গেছে, বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন হলেও দেশের বাজারে প্রভাব পড়ছে সামান্যই। লিটারে হয়ত ৭৫ পয়সা বা ১-২ টাকা কমছে। অন্যদিকে দাম কমার এই ক্ষুদ্র সুফলও পরিবহন বা দ্রব্যমূল্যের বাজারে পড়ছে না।
আগে কীভাবে দাম ঠিক হতো
আগে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণের কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বা আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাৎক্ষণিক সমন্বয়ের ব্যবস্থা ছিল না। মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর তেলের দাম একই থাকত।
আইন অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানোর ক্ষমতা ছিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি)। তারা ৯০ দিন সময় নিয়ে গণশুনানির মাধ্যমে দাম নির্ধারণ করত। কিন্তু ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সরকার অধ্যাদেশ জারি করে আইন সংশোধন করে এবং ‘বিশেষ পরিস্থিতিতে’ সরকার সরাসরি নির্বাহী আদেশে দাম কমানো বা বাড়ানোর ক্ষমতা নিজের হাতে নেয়।
আগের পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে সরকার ভর্তুকি দিয়ে দেশের বাজারে সমন্বয় করত। আবার আন্তর্জাতিক বাজারে দাম তলানিতে থাকলেও দেশে কমত না। বরং সেই সময়ে বেশি দামে তেল বিক্রি করে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) লোকসান পুষিয়ে নিত কিংবা বড় অঙ্কের মুনাফা করত।
সমস্যা দেখা দিত বিশ্ববাজারে বড় কোনো অস্থিরতা হলে। সরকার যখন ভর্তুকির ভার আর নিতে পারত না, তখন হঠাৎ করে একলাফে লিটারে ৪০-৫০ টাকা দাম বাড়িয়ে দিত। যেমন ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে ২০২২ সালের আগস্ট পর্যন্ত তিন দফায় ডিজেল-কেরোসিনের দাম প্রায় ৬৭ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল, যার ফলে দেশে মূল্যস্ফীতির নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
নতুন পদ্ধতি কেন করতে হলো
হঠাৎ করে তেলের দাম বাড়ানোর ফলে বাজারে যে তীব্র নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, তা থেকে বের হয়ে আসতেই মূলত এই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির চিন্তা। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে সবচেয়ে বড় প্রভাবক ছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
২০২২ সালের শেষ দিকে জ্বালানি তেলের দাম বাজারভিত্তিক করার পরামর্শ দেয় আইএমএফ। পরে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বাংলাদেশ যখন সংস্থাটির কাছ থেকে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা নেয়, তখন আইএমএফ বেশ কিছু শর্ত দেয়। অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল— জ্বালানি খাতে সরকারকে ভর্তুকি দেওয়া বন্ধ করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করতে হবে।
আইএমএফের বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি চালুর কথা ছিল। কিন্তু নির্বাচনের আগে সরকার অজনপ্রিয় সিদ্ধান্তে যেতে চায়নি বলে আইএমএফের কাছ থেকে আরও তিন মাসের সময় নেয়। শেষ পর্যন্ত আইএমএফের শর্ত পূরণ করতে ও ভর্তুকির চাপ এড়াতেই ২০২৪ সালের মার্চ থেকে এই পদ্ধতি কার্যকর করে শেখ হাসিনার সরকার।
এখন কীভাবে, কারা করছে দাম সমন্বয়
বর্তমানে জ্বালানি তেলের মূল্য প্রতি মাসে সমন্বয় করে সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বিপিসির দেওয়া হিসাব ও প্রস্তাবনার ভিত্তিতে মাসের শুরুতে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম আগে থেকেই নিয়মিত সমন্বয় করে আসছে বিপিসি।
এই মূল্য সমন্বয়ের একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা (গাইডলাইন) ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের শুধু অপরিশোধিত তেলের (ক্রুড অয়েল) দামের ওপর ভিত্তি করে এই দাম ঠিক হয় না। এর সঙ্গে আরও কয়েকটি সূচক (ফ্যাক্টর) জড়িত।
যেমন আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য (প্লাটস রেট)। অর্থাৎ, পরিশোধিত তেলের আন্তর্জাতিক বাজার দর হিসাব করা হয়। সাধারণত আগের মাসের ২১ তারিখ থেকে চলতি মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত বিশ্ববাজারের গড় মূল্যকে ভিত্তি (বেজলাইন) ধরা হয়।
আমদানি ও আনুষঙ্গিক খরচ। অর্থাৎ তেল কিনে তা জাহাজে করে দেশে আনতে যে প্রিমিয়াম ও পরিবহন খরচ হয়, সেটিও সূচক হিসেবে কাজ করে। তেলের ওপর আরোপিত আমদানি শুল্ক, ভ্যাট ও অন্যান্য সরকারি কর, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সারা দেশে তেল পৌঁছে দেওয়ার খরচ, পাম্প মালিক ও ডিলাররা লিটারপ্রতি যে কমিশন পান, সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিপিসি লিটারপ্রতি একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ উন্নয়ন তহবিল বা মার্জিন হিসেবে রেখে দেয়; এসব বিষয়ও ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে।
দেশে ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের ৭৫ শতাংশই ডিজেল। অন্যদিকে অকটেন ও পেট্রোল মূলত ব্যক্তিগত যানবাহনে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই বাস্তবতার নিরিখে বিলাসদ্রব্য (লাক্সারি আইটেম) হিসেবে সব সময় ডিজেলের চেয়ে অকটেন ও পেট্রোলের দাম কিছুটা বেশি রাখা হয়।
স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের ব্যবস্থা কাঠামোগতভাবে আধুনিক হলেও দেশের সাধারণ মানুষের কাছে এটি এখনো স্বস্তি নিয়ে আসতে পারেনি। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদ্ধতির আসল সুফল ভোক্তাদের দিতে হলে জ্বালানি তেলের ওপর থেকে করের বোঝা কমানো উচিত এবং সরকারি সংস্থা বিপিসির বাণিজ্যিক মুনাফা করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। একইসঙ্গে, দাম কমার প্রভাব যেন পরিবহন ও বাজারে পড়ে, তার জন্য কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।

প্রত্যেক মাসের শেষ দিকে চালক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী– সবাই জ্বালানি তেলের (ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেন) দাম নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি (ডায়নামিক প্রাইসিং) চালুর পর থেকে এটি বেড়েছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতি মাসে এই দাম সমন্বয়ের ব্যবস্থা চালু করে ২০২৪ সালের মার্চে, যা এখনো চলছে। যদিও এই সমন্বয় পদ্ধতি উন্নত বিশ্বে বেশ আগে থেকেই চালু রয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এই পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
দেখা গেছে, বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন হলেও দেশের বাজারে প্রভাব পড়ছে সামান্যই। লিটারে হয়ত ৭৫ পয়সা বা ১-২ টাকা কমছে। অন্যদিকে দাম কমার এই ক্ষুদ্র সুফলও পরিবহন বা দ্রব্যমূল্যের বাজারে পড়ছে না।
আগে কীভাবে দাম ঠিক হতো
আগে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণের কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বা আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাৎক্ষণিক সমন্বয়ের ব্যবস্থা ছিল না। মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর তেলের দাম একই থাকত।
আইন অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানোর ক্ষমতা ছিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি)। তারা ৯০ দিন সময় নিয়ে গণশুনানির মাধ্যমে দাম নির্ধারণ করত। কিন্তু ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সরকার অধ্যাদেশ জারি করে আইন সংশোধন করে এবং ‘বিশেষ পরিস্থিতিতে’ সরকার সরাসরি নির্বাহী আদেশে দাম কমানো বা বাড়ানোর ক্ষমতা নিজের হাতে নেয়।
আগের পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে সরকার ভর্তুকি দিয়ে দেশের বাজারে সমন্বয় করত। আবার আন্তর্জাতিক বাজারে দাম তলানিতে থাকলেও দেশে কমত না। বরং সেই সময়ে বেশি দামে তেল বিক্রি করে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) লোকসান পুষিয়ে নিত কিংবা বড় অঙ্কের মুনাফা করত।
সমস্যা দেখা দিত বিশ্ববাজারে বড় কোনো অস্থিরতা হলে। সরকার যখন ভর্তুকির ভার আর নিতে পারত না, তখন হঠাৎ করে একলাফে লিটারে ৪০-৫০ টাকা দাম বাড়িয়ে দিত। যেমন ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে ২০২২ সালের আগস্ট পর্যন্ত তিন দফায় ডিজেল-কেরোসিনের দাম প্রায় ৬৭ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল, যার ফলে দেশে মূল্যস্ফীতির নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
নতুন পদ্ধতি কেন করতে হলো
হঠাৎ করে তেলের দাম বাড়ানোর ফলে বাজারে যে তীব্র নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, তা থেকে বের হয়ে আসতেই মূলত এই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির চিন্তা। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে সবচেয়ে বড় প্রভাবক ছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
২০২২ সালের শেষ দিকে জ্বালানি তেলের দাম বাজারভিত্তিক করার পরামর্শ দেয় আইএমএফ। পরে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বাংলাদেশ যখন সংস্থাটির কাছ থেকে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা নেয়, তখন আইএমএফ বেশ কিছু শর্ত দেয়। অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল— জ্বালানি খাতে সরকারকে ভর্তুকি দেওয়া বন্ধ করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করতে হবে।
আইএমএফের বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি চালুর কথা ছিল। কিন্তু নির্বাচনের আগে সরকার অজনপ্রিয় সিদ্ধান্তে যেতে চায়নি বলে আইএমএফের কাছ থেকে আরও তিন মাসের সময় নেয়। শেষ পর্যন্ত আইএমএফের শর্ত পূরণ করতে ও ভর্তুকির চাপ এড়াতেই ২০২৪ সালের মার্চ থেকে এই পদ্ধতি কার্যকর করে শেখ হাসিনার সরকার।
এখন কীভাবে, কারা করছে দাম সমন্বয়
বর্তমানে জ্বালানি তেলের মূল্য প্রতি মাসে সমন্বয় করে সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বিপিসির দেওয়া হিসাব ও প্রস্তাবনার ভিত্তিতে মাসের শুরুতে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম আগে থেকেই নিয়মিত সমন্বয় করে আসছে বিপিসি।
এই মূল্য সমন্বয়ের একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা (গাইডলাইন) ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের শুধু অপরিশোধিত তেলের (ক্রুড অয়েল) দামের ওপর ভিত্তি করে এই দাম ঠিক হয় না। এর সঙ্গে আরও কয়েকটি সূচক (ফ্যাক্টর) জড়িত।
যেমন আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য (প্লাটস রেট)। অর্থাৎ, পরিশোধিত তেলের আন্তর্জাতিক বাজার দর হিসাব করা হয়। সাধারণত আগের মাসের ২১ তারিখ থেকে চলতি মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত বিশ্ববাজারের গড় মূল্যকে ভিত্তি (বেজলাইন) ধরা হয়।
আমদানি ও আনুষঙ্গিক খরচ। অর্থাৎ তেল কিনে তা জাহাজে করে দেশে আনতে যে প্রিমিয়াম ও পরিবহন খরচ হয়, সেটিও সূচক হিসেবে কাজ করে। তেলের ওপর আরোপিত আমদানি শুল্ক, ভ্যাট ও অন্যান্য সরকারি কর, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সারা দেশে তেল পৌঁছে দেওয়ার খরচ, পাম্প মালিক ও ডিলাররা লিটারপ্রতি যে কমিশন পান, সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিপিসি লিটারপ্রতি একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ উন্নয়ন তহবিল বা মার্জিন হিসেবে রেখে দেয়; এসব বিষয়ও ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে।
দেশে ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের ৭৫ শতাংশই ডিজেল। অন্যদিকে অকটেন ও পেট্রোল মূলত ব্যক্তিগত যানবাহনে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই বাস্তবতার নিরিখে বিলাসদ্রব্য (লাক্সারি আইটেম) হিসেবে সব সময় ডিজেলের চেয়ে অকটেন ও পেট্রোলের দাম কিছুটা বেশি রাখা হয়।
স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের ব্যবস্থা কাঠামোগতভাবে আধুনিক হলেও দেশের সাধারণ মানুষের কাছে এটি এখনো স্বস্তি নিয়ে আসতে পারেনি। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদ্ধতির আসল সুফল ভোক্তাদের দিতে হলে জ্বালানি তেলের ওপর থেকে করের বোঝা কমানো উচিত এবং সরকারি সংস্থা বিপিসির বাণিজ্যিক মুনাফা করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। একইসঙ্গে, দাম কমার প্রভাব যেন পরিবহন ও বাজারে পড়ে, তার জন্য কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।
.png)

সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে দিনে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট হিসেবে রিগ্যাসিফায়েড লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস (আরএলএনজি) সরবরাহ শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে চাপ বাড়িয়ে রাত ২টার মধ্যে পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১৪ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদার লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত ফ্যাশন সোর্সিং ট্রেড ফেয়ারে বৈশ্বিক ক্রেতা ও তৈরি পোশাক শিল্পের অংশীদারদের নজর কেড়েছে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন। গত ১০ থেকে ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত ‘সোর্সিং অ্যাট ম্যাজিক ২০২৬’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত এ মেলায় নিজেদের সক্ষমতা ও পণ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।
১৩ আগস্ট ২০২৬
সরকারি কাজে পুনঃচক্রায়িত কাগজ-কলম ব্যবহারে গুরুত্ব দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
১২ আগস্ট ২০২৬
ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াসীন আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) তাঁকে ট্রেনিং একাডেমিতে সংযুক্ত করেছে।
১২ আগস্ট ২০২৬