স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ দাবিতে বুধবার (৩ জুন) তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলন করেছেন গ্রাহকরা। সকালে রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ব্যানারে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। পরে বিক্ষোভ মিছিল প্রেস ক্লাবে গিয়ে সমাবেশ করে।
এ সময় খুরশীদ আলম পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন গ্রাহকরা। একইসঙ্গে আগামীকাল বৃহস্পতিবার গ্রাহকদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের ২ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালনের আহ্বান জানানো হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, খুরশীদ আলম ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আমরা তাঁকে পালিয়ে যেতে দেখেছি। সে যদি এখন ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হন, তাহলে এই ব্যাংকের টাকা লুট হবে। অর্থ পাচার হবে। আমাদের কষ্টের টাকা নিয়ে আমরা কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেবে না। খুরশীদ আলম পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
রাজধানীর উত্তরা থেকে বিক্ষোভে যোগ দেওয়া মোহাম্মদ মিজান স্ট্রিমকে বলেন, সাইপ্রাসের ঘটনা দেখেন, এস আলমের কত কোটি টাকা জব্দ করা হয়েছে? এসব টাকা তিনি কোথায় পেয়েছেন? এগুলো তো আমাদের টাকা। সে লুট করে নিয়ে গেছে। এখন ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান করা হয়েছে আরেকজন দুর্নীতিগ্রস্ত, ফ্যাসিস্টের দোসরকে। সেও যে এমন কাজ করবে না, তার গ্যারান্টি কী?
আরেক গ্রাহক ইকবাল হাসান বলেন, খুরশীদ আলম ব্যাংকে আসছেন না। তাই আজ আমরা অর্ধেক দিন আন্দোলন করছি। যদি তিনি ব্যাংকে ঢোকার দুঃসাহস করেন, তাহলে আমরা ইসলামী ব্যাংকের গেটে গিয়ে হাজির হব। তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করব।

বিক্ষোভ মিছিলের আগে বক্তব্যে গ্রাহক ফোরামের সভাপতি নুর নবী মানিক বলেন, ‘খুরশীদ আলম ইসলামী ব্যাংকে আসলেই গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা এই ব্যাংকের সামনে উপস্থিত হবে। তাঁকে কোনোভাবেই চেয়ারম্যান হিসেবে মেনে নেওয়া হবে না। সেইসঙ্গে ঋণখেলাপি ও অভিযুক্ত কোনো পরিচালক ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে থাকতে পারবে না।’
তিনি বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকে থাকা এস আলমের শেয়ার বিক্রি করে ঋণ সমন্বয় করে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। তাঁর বিচার এবং পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনতে হবে।’
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগসহ ৭ দফা দাবি জানায় সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। তাদের অন্য দাবি হলো– ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহাল, লুটপাটে জড়িতদের ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড থেকে অপসারণ, ব্যাংক রেজল্যুশন অ্যাক্ট থেকে ১৮(ক) ধারা বাতিল, এস আলমের দখল করা মালিকানা এবং দেশে থাকা সম্পত্তি বিক্রি করে লুট করা অর্থের সমন্বয়, শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়, এস আলম যাতে কোনো ব্যাংকেই ফিরতে না পারে, সেই ব্যবস্থা এবং ইসলামী ব্যাংকসহ সব ব্যাংক লুটকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ দাবিতে বুধবার (৩ জুন) তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলন করেছেন গ্রাহকরা। সকালে রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ব্যানারে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। পরে বিক্ষোভ মিছিল প্রেস ক্লাবে গিয়ে সমাবেশ করে।
এ সময় খুরশীদ আলম পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন গ্রাহকরা। একইসঙ্গে আগামীকাল বৃহস্পতিবার গ্রাহকদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের ২ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালনের আহ্বান জানানো হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, খুরশীদ আলম ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আমরা তাঁকে পালিয়ে যেতে দেখেছি। সে যদি এখন ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হন, তাহলে এই ব্যাংকের টাকা লুট হবে। অর্থ পাচার হবে। আমাদের কষ্টের টাকা নিয়ে আমরা কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেবে না। খুরশীদ আলম পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
রাজধানীর উত্তরা থেকে বিক্ষোভে যোগ দেওয়া মোহাম্মদ মিজান স্ট্রিমকে বলেন, সাইপ্রাসের ঘটনা দেখেন, এস আলমের কত কোটি টাকা জব্দ করা হয়েছে? এসব টাকা তিনি কোথায় পেয়েছেন? এগুলো তো আমাদের টাকা। সে লুট করে নিয়ে গেছে। এখন ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান করা হয়েছে আরেকজন দুর্নীতিগ্রস্ত, ফ্যাসিস্টের দোসরকে। সেও যে এমন কাজ করবে না, তার গ্যারান্টি কী?
আরেক গ্রাহক ইকবাল হাসান বলেন, খুরশীদ আলম ব্যাংকে আসছেন না। তাই আজ আমরা অর্ধেক দিন আন্দোলন করছি। যদি তিনি ব্যাংকে ঢোকার দুঃসাহস করেন, তাহলে আমরা ইসলামী ব্যাংকের গেটে গিয়ে হাজির হব। তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করব।

বিক্ষোভ মিছিলের আগে বক্তব্যে গ্রাহক ফোরামের সভাপতি নুর নবী মানিক বলেন, ‘খুরশীদ আলম ইসলামী ব্যাংকে আসলেই গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা এই ব্যাংকের সামনে উপস্থিত হবে। তাঁকে কোনোভাবেই চেয়ারম্যান হিসেবে মেনে নেওয়া হবে না। সেইসঙ্গে ঋণখেলাপি ও অভিযুক্ত কোনো পরিচালক ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে থাকতে পারবে না।’
তিনি বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকে থাকা এস আলমের শেয়ার বিক্রি করে ঋণ সমন্বয় করে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। তাঁর বিচার এবং পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনতে হবে।’
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগসহ ৭ দফা দাবি জানায় সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। তাদের অন্য দাবি হলো– ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহাল, লুটপাটে জড়িতদের ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড থেকে অপসারণ, ব্যাংক রেজল্যুশন অ্যাক্ট থেকে ১৮(ক) ধারা বাতিল, এস আলমের দখল করা মালিকানা এবং দেশে থাকা সম্পত্তি বিক্রি করে লুট করা অর্থের সমন্বয়, শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়, এস আলম যাতে কোনো ব্যাংকেই ফিরতে না পারে, সেই ব্যবস্থা এবং ইসলামী ব্যাংকসহ সব ব্যাংক লুটকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

পণ্য উৎপাদনে জোরপূর্বক শ্রম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থতা এবং বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে ৬০ দেশের আমদানির ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই তালিকায় বাংলাদেশও রয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বেশ বড় ও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা নিয়ে আছে ইসলামি ব্যাংক। শুধু শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং নয়, দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায়ও এই ব্যাংকের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। এই ব্যাংকের হাত ধরে শুরু হওয়ার পর বর্তমানে দেশের ব্যাংক খাতের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আজ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায়।
৬ ঘণ্টা আগে
মৌলবাদ কেবল আদর্শগত বা ধর্মীয় বিষয় নয়, এর একটি সুসংগঠিত অর্থনৈতিক ভিত্তি রয়েছে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাত। আজ থেকে ১১ বছর আগে তিনি তাঁর ‘বাংলাদেশে মৌলবাদ ও মৌলবাদী জঙ্গিত্বের রাজনৈতিক অর্থনীতি’ শীর্ষক গবেষণায় এমন যুক্তি তুলে ধরেছিলেন।
৭ ঘণ্টা আগে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গতানুগতিক নয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে জনগণের প্রত্যাশা পূরণকে জোর দেওয়া হচ্ছে। বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রতিটি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূল ধারায় নিয়ে আসাই এই বাজেটের মূল লক্ষ্য।
১৮ ঘণ্টা আগে