স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলা কিউআরসহ সব ধরনের ডিজিটাল লেনদেনে মার্চেন্টের ওপর আরোপিত বিদ্যমান মাশুল (এমডিআর) তুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
তাঁর মতে, নগদবিহীন বা ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তুলতে ডিজিটাল লেনদেনকে সম্পূর্ণ মাশুলমুক্ত করা প্রয়োজন। পরে ধীরে ধীরে প্রতি লেনদেনে ১০ পয়সা করে মাশুল আরোপ করা যেতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বনানীতে গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) আয়োজিত তাৎক্ষণিক ডিজিটাল লেনদেনব্যবস্থা বিষয়ক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক মো. এজাজুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন পিআরআই চেয়ারম্যান জাইদি সাত্তার।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, বর্তমানে ডিজিটাল লেনদেনে মার্চেন্ট পর্যায়ে ১ থেকে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল নেওয়া হচ্ছে। সরকার চাইলে এই ব্যয় ভর্তুকি হিসেবেও বহন করতে পারে।
তিনি বলেন, ভারত ও পাকিস্তানে ডিজিটাল লেনদেনে কোনো মাশুল নেই। তাই বাংলাদেশেও এই মাশুল শূন্য করে দেওয়া উচিত।
সাবেক গভর্নর বলেন, প্রবাসী আয়ের বিপরীতে সরকারের যে প্রণোদনা দেওয়া হয়, সেখান থেকে একটি অংশ ডিজিটাল লেনদেনের ভর্তুকিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
তিনি জানান, প্রবাসী আয় উৎসাহিত করতে সরকার বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে। ওই বরাদ্দের কয়েক হাজার কোটি টাকা ডিজিটাল লেনদেনের মাশুল ভর্তুকি হিসেবে ব্যবহার করলে নগদবিহীন লেনদেন দ্রুত জনপ্রিয় করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিআইবিএমের মহাপরিচালক মো. এজাজুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে ১ শতাংশ মাশুলের কারণে ডিজিটাল লেনদেনে গ্রাহকদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। তাই এই মাশুল কমিয়ে আনার প্রয়োজন রয়েছে।
কর্মশালায় জানানো হয়, বর্তমানে কী পরিমাণ প্রবাসী আয় অনানুষ্ঠানিক মাধ্যমে দেশে আসে এবং কী কারণে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে অর্থ পাঠান—তা জানতে একটি সমীক্ষা পরিচালনা করবে পিআরআই।
সমীক্ষার উদ্দেশ্য ও কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেন পিআরআইয়ের গবেষণা পরিচালক বজলুল হক খন্দকার এবং পরিচালক এম এ রাজ্জাক।

বাংলা কিউআরসহ সব ধরনের ডিজিটাল লেনদেনে মার্চেন্টের ওপর আরোপিত বিদ্যমান মাশুল (এমডিআর) তুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
তাঁর মতে, নগদবিহীন বা ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তুলতে ডিজিটাল লেনদেনকে সম্পূর্ণ মাশুলমুক্ত করা প্রয়োজন। পরে ধীরে ধীরে প্রতি লেনদেনে ১০ পয়সা করে মাশুল আরোপ করা যেতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বনানীতে গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) আয়োজিত তাৎক্ষণিক ডিজিটাল লেনদেনব্যবস্থা বিষয়ক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক মো. এজাজুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন পিআরআই চেয়ারম্যান জাইদি সাত্তার।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, বর্তমানে ডিজিটাল লেনদেনে মার্চেন্ট পর্যায়ে ১ থেকে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল নেওয়া হচ্ছে। সরকার চাইলে এই ব্যয় ভর্তুকি হিসেবেও বহন করতে পারে।
তিনি বলেন, ভারত ও পাকিস্তানে ডিজিটাল লেনদেনে কোনো মাশুল নেই। তাই বাংলাদেশেও এই মাশুল শূন্য করে দেওয়া উচিত।
সাবেক গভর্নর বলেন, প্রবাসী আয়ের বিপরীতে সরকারের যে প্রণোদনা দেওয়া হয়, সেখান থেকে একটি অংশ ডিজিটাল লেনদেনের ভর্তুকিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
তিনি জানান, প্রবাসী আয় উৎসাহিত করতে সরকার বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে। ওই বরাদ্দের কয়েক হাজার কোটি টাকা ডিজিটাল লেনদেনের মাশুল ভর্তুকি হিসেবে ব্যবহার করলে নগদবিহীন লেনদেন দ্রুত জনপ্রিয় করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিআইবিএমের মহাপরিচালক মো. এজাজুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে ১ শতাংশ মাশুলের কারণে ডিজিটাল লেনদেনে গ্রাহকদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। তাই এই মাশুল কমিয়ে আনার প্রয়োজন রয়েছে।
কর্মশালায় জানানো হয়, বর্তমানে কী পরিমাণ প্রবাসী আয় অনানুষ্ঠানিক মাধ্যমে দেশে আসে এবং কী কারণে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে অর্থ পাঠান—তা জানতে একটি সমীক্ষা পরিচালনা করবে পিআরআই।
সমীক্ষার উদ্দেশ্য ও কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেন পিআরআইয়ের গবেষণা পরিচালক বজলুল হক খন্দকার এবং পরিচালক এম এ রাজ্জাক।
.png)

বাংলাদেশে প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প ও উৎপাদন খাতে আরও বেশি চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে চীনের পণ্য আমদানি বাড়ানোরও আহ্বান জানান।
২৩ জুলাই ২০২৬
বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নেওয়া কৌশল ইতিমধ্যে ফল দিতে শুরু করেছে।
২৩ জুলাই ২০২৬
বিএনপি সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
২৩ জুলাই ২০২৬
দেশের ফ্রিল্যান্সার ও ব্যক্তিপর্যায়ের সেবা রপ্তানিকারকদের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন আরও সহজ করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বৈদেশিক আয় আনতে আনুষ্ঠানিক প্রমাণ দেখানোর জটিলতা কমানোর পাশাপাশি অনলাইন লেনদেন সহজ করা হয়েছে।
২২ জুলাই ২০২৬