স্ট্রিম প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে জ্বালানি তেলের বিশ্ববাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) কয়েক বছরের মধ্যে মূল্যবৃদ্ধির রেকর্ড হয়েছে।
শুক্রবার ব্রেন্ট ক্রুড (আন্তর্জাতিক মানদণ্ড) ব্যারেলপ্রতি ছিল প্রায় ৭৩ ডলার। তবে যুদ্ধের প্রভাবে সোমবার শুরুতে এটি ঠেকে ৮২ দশমিক ৩৭ ডলারে, যা ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি এবং ১৪ মাসের সর্বোচ্চ দর। যদিও শেষ পর্যন্ত দাম ৭৮-৮০ ডলারে স্থিতিশীল থেকেছে।
ইন্টারন্যাশনাল কমোডিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের (আইসিআইএস) জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অজয় পারমার বলেছেন, সংঘাতে জ্বালানি তেলের দামে বাড়লেও মূল প্রভাব ফেলেছে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়া। এটি দীর্ঘদিন অচল থাকলে দাম ১০০ ডলার ছাড়াতে পারে।
জ্বালানি বিষয়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জির অ্যালান গেল্ডার বলেছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে বৈশ্বিক তেলের প্রায় ১৫ শতাংশ এবং এলএনজির ২০ শতাংশ সরবরাহ ঝুঁকিতে পড়বে।
অন্যদিকে, র্যাপিডান এনার্জি গ্রুপের রবার্ট ম্যাকন্যালি সতর্ক করে বলেছেন, ‘দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে।’ এমএসটি মার্কির সল কাভোনিক বলেছেন, পরিস্থিতি আরব তেল নিষেধাজ্ঞার চেয়েও গুরুতর হতে পারে। তেলের দাম তিন অঙ্কে এবং এলএনজি ২০২২ সালের রেকর্ড ছুঁতে পারে।
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি চলাচলের পথ। প্রতিদিন প্রায় ২০-২১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ও জ্বালানি পণ্য এবং বৈশ্বিক এলএনজির প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে যায়। বর্তমানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে বাজারে বড় ধরনের সরবরাহ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড ঘোষণা দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তারা কোনো জাহাজ পার হতে দেবে না। এর পরই আন্তর্জাতিক বিমা কোম্পানিগুলো কভারেজ প্রত্যাহার করে, বড় তেল কোম্পানি ও ট্রেডাররা ট্যাংকার চলাচল স্থগিত করে।
অন্তত তিনটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার খবর পাওয়া গেছে। যদিও সীমিত কিছু জাহাজ, মূলত ইরানি বা চীনের কয়েকটি চলাচল করছে।
সরবরাহ ঘাটতি নিরসনে গতকাল রোববার এক বৈঠকে ওপেক প্লাস আগাম প্রস্তুতি হিসেবে, আগামী এপ্রিলে দৈনিক ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহ ঘাটতির তুলনায় এই বাড়তি উৎপাদন খুবই সীমিত এবং পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা, দ্য গার্ডিয়ান, মার্কেটস ডট বিজনেস

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে জ্বালানি তেলের বিশ্ববাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) কয়েক বছরের মধ্যে মূল্যবৃদ্ধির রেকর্ড হয়েছে।
শুক্রবার ব্রেন্ট ক্রুড (আন্তর্জাতিক মানদণ্ড) ব্যারেলপ্রতি ছিল প্রায় ৭৩ ডলার। তবে যুদ্ধের প্রভাবে সোমবার শুরুতে এটি ঠেকে ৮২ দশমিক ৩৭ ডলারে, যা ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি এবং ১৪ মাসের সর্বোচ্চ দর। যদিও শেষ পর্যন্ত দাম ৭৮-৮০ ডলারে স্থিতিশীল থেকেছে।
ইন্টারন্যাশনাল কমোডিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের (আইসিআইএস) জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অজয় পারমার বলেছেন, সংঘাতে জ্বালানি তেলের দামে বাড়লেও মূল প্রভাব ফেলেছে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়া। এটি দীর্ঘদিন অচল থাকলে দাম ১০০ ডলার ছাড়াতে পারে।
জ্বালানি বিষয়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জির অ্যালান গেল্ডার বলেছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে বৈশ্বিক তেলের প্রায় ১৫ শতাংশ এবং এলএনজির ২০ শতাংশ সরবরাহ ঝুঁকিতে পড়বে।
অন্যদিকে, র্যাপিডান এনার্জি গ্রুপের রবার্ট ম্যাকন্যালি সতর্ক করে বলেছেন, ‘দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে।’ এমএসটি মার্কির সল কাভোনিক বলেছেন, পরিস্থিতি আরব তেল নিষেধাজ্ঞার চেয়েও গুরুতর হতে পারে। তেলের দাম তিন অঙ্কে এবং এলএনজি ২০২২ সালের রেকর্ড ছুঁতে পারে।
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি চলাচলের পথ। প্রতিদিন প্রায় ২০-২১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ও জ্বালানি পণ্য এবং বৈশ্বিক এলএনজির প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে যায়। বর্তমানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে বাজারে বড় ধরনের সরবরাহ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড ঘোষণা দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তারা কোনো জাহাজ পার হতে দেবে না। এর পরই আন্তর্জাতিক বিমা কোম্পানিগুলো কভারেজ প্রত্যাহার করে, বড় তেল কোম্পানি ও ট্রেডাররা ট্যাংকার চলাচল স্থগিত করে।
অন্তত তিনটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার খবর পাওয়া গেছে। যদিও সীমিত কিছু জাহাজ, মূলত ইরানি বা চীনের কয়েকটি চলাচল করছে।
সরবরাহ ঘাটতি নিরসনে গতকাল রোববার এক বৈঠকে ওপেক প্লাস আগাম প্রস্তুতি হিসেবে, আগামী এপ্রিলে দৈনিক ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহ ঘাটতির তুলনায় এই বাড়তি উৎপাদন খুবই সীমিত এবং পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা, দ্য গার্ডিয়ান, মার্কেটস ডট বিজনেস

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণার পর এশিয়া প্যাসিফিকের শেয়ার বাজারগুলোতে বড় ধরনের উত্থান দেখা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আমদানি করা পণ্য দ্রুত খালাস ও বাণিজ্য সহজীকরণের লক্ষ্যে বেসরকারি ল্যাবরেটরিতেও রাসায়নিক পরীক্ষা করার অনুমতি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
১৯ ঘণ্টা আগে
তারল্য সংকট কাটাতে ইসলামী ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকা বিশেষ ধার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (১৪ জুন) সকালে সিদ্ধান্ত হওয়ার পর ইসলামী ব্যাংকের চলতি হিসাবে এই টাকা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
১ দিন আগে
সুদের হার ও মূল্যস্ফীতি যেন দোলনার দুই প্রান্ত। আর স্বর্ণ মাঝখানে অবস্থান করছে। ২০২৬ সালের বিশেষ বিষয় হলো, এ দুটি ঘটনা একই সময়ে ঘটছে। আর এখন সুদের হারের দিকটাই বেশি প্রভাব ফেলছে।
১ দিন আগে