স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের বার্ষিক বাজেট ঘোষণা করলেও সেখানে আলাদা করে গবেষণা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়নি। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাদা দল’ এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে।
গবেষণা খাতে বরাদ্দ নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
শনিবার (৩ জুলাই) বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব এবং ইউজিসির মাধ্যমে দুইভাবে বরাদ্দ পেত। তবে গত ৪ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো বিষয়ক সভায় সিদ্ধান্ত হয়, গবেষণা খাতে দ্বৈততা পরিহারে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউজিসির গবেষণা খাত একীভূত করা হবে। এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতের বরাদ্দ ইউজিসির বাজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তাই আলাদা গবেষণার বরাদ্দ ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় দেওয়া হয়েছে।
গত ১১ জুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১২ হাজার ১ কোটি ৮২ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন দেয় ইউজিসি। একই দিন ইউজিসির নিজস্ব বাজেট ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ঘোষণা হয়। এর মধ্যে ইউজিসির নিজস্ব গবেষণা বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৬ কোটি টাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণায় বরাদ্দ হয়েছে ২০০ কোটি টাকা। গত ২ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তাদের গবেষণা পরিকল্পনা ও চাহিদাপত্র পাঠাতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
ইউজিসি বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানিয়েছে, গত অর্থবছরের তুলনায় এবার গবেষণায় বেশি বরাদ্দ হয়েছে। ফলে গবেষণায় বাজেট বরাদ্দ হয়নি বলে যেসব সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয়।
কমিশন আশ্বস্ত করেছে, গবেষণা প্রকল্পে অর্থায়ন পদ্ধতি আরও সহজ, স্বচ্ছ ও গবেষক-বান্ধব করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের একাডেমিক স্বাধীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক স্বকীয়তা, গবেষণার অগ্রাধিকার ও বিষয়ভিত্তিক বৈচিত্র্য অক্ষুণ্ণ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছ থেকে চাহিদাপত্র পেলেই দ্রুত প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড় সম্পন্ন করবে ইউজিসি।

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের বার্ষিক বাজেট ঘোষণা করলেও সেখানে আলাদা করে গবেষণা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়নি। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাদা দল’ এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে।
গবেষণা খাতে বরাদ্দ নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
শনিবার (৩ জুলাই) বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব এবং ইউজিসির মাধ্যমে দুইভাবে বরাদ্দ পেত। তবে গত ৪ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো বিষয়ক সভায় সিদ্ধান্ত হয়, গবেষণা খাতে দ্বৈততা পরিহারে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউজিসির গবেষণা খাত একীভূত করা হবে। এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতের বরাদ্দ ইউজিসির বাজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তাই আলাদা গবেষণার বরাদ্দ ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় দেওয়া হয়েছে।
গত ১১ জুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১২ হাজার ১ কোটি ৮২ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন দেয় ইউজিসি। একই দিন ইউজিসির নিজস্ব বাজেট ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ঘোষণা হয়। এর মধ্যে ইউজিসির নিজস্ব গবেষণা বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৬ কোটি টাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণায় বরাদ্দ হয়েছে ২০০ কোটি টাকা। গত ২ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তাদের গবেষণা পরিকল্পনা ও চাহিদাপত্র পাঠাতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
ইউজিসি বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানিয়েছে, গত অর্থবছরের তুলনায় এবার গবেষণায় বেশি বরাদ্দ হয়েছে। ফলে গবেষণায় বাজেট বরাদ্দ হয়নি বলে যেসব সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয়।
কমিশন আশ্বস্ত করেছে, গবেষণা প্রকল্পে অর্থায়ন পদ্ধতি আরও সহজ, স্বচ্ছ ও গবেষক-বান্ধব করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের একাডেমিক স্বাধীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক স্বকীয়তা, গবেষণার অগ্রাধিকার ও বিষয়ভিত্তিক বৈচিত্র্য অক্ষুণ্ণ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছ থেকে চাহিদাপত্র পেলেই দ্রুত প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড় সম্পন্ন করবে ইউজিসি।
.png)

ফ্যাসিস্টের দোসর আখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের তিন দিনের মাথায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম পদত্যাগ করেছেন।
১৯ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. নাজমুস সাদাত এ পদে নিয়োগ পেয়েছেন।
১৯ জুলাই ২০২৬
নির্বাচনের আগে এই জোট ২৪ দফা সংস্কার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে নির্বাচিত কমিটি ৯ মাসে প্রতিশ্রুতির বড় অংশ বাস্তবায়ন করতে পারেনি।
১৭ জুলাই ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগের সময় বেঁধে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শাহবাগ অবরোধ থেকে ব্রিফিংয়ে রাতের মধ্যেই পদত্যাগের আহ্বান জানান তারা। একইসঙ্গে পদত্যাগ না করলে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছাড়েন শিক্ষার্থীরা।
১৫ জুলাই ২০২৬